বৃহঃস্পতিবার, ২৩শে এপ্রিল ২০২৬, ১০ই বৈশাখ ১৪৩৩ | ই-পেপার
ব্রেকিং নিউজ:
  • সারাদেশে উপজেলা প্রতিনিধি নিয়োগ করা হচ্ছে। আগ্রহী হলে আপনার সিভি ই-মেইল করতে পারেন। ই-মেইল nagorikdesk@gmail.com
সংবাদ শিরোনাম:
  • সংবিধানের দোহাই আর নয়, আমরা ফ্যাসিবাদের দাফন করতে চাই
  • গুম-খুনের ব্যাপারে ট্রাইব্যুনাল সহায়তা চাইলে করা হবে : র‍্যাব ডিজি
  • ইসরায়েলের আবাসিক ভবনে ইরানি ক্ষেপণাস্ত্রের আঘাত, ২ জন নিহত
  • বিধ্বস্ত বিমানের দ্বিতীয় ক্রু উদ্ধার, তবে ইরান থেকে বের হতে পারেনি এখনো
  • ঢাকায় যুক্তরাজ্যের বাণিজ্য দূত
  • প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বেসরকারি খাত উপদেষ্টা পরিষদের প্রথম বৈঠক অনুষ্ঠিত
  • বাসা-বাড়িতে লাইট-ফ্যান ব্যবহারে নিষেধাজ্ঞার খবর ভুয়া : বিএনপি
  • ইসরায়েল-যুক্তরাষ্ট্রের জন্য ‘বড় চমক’ আছে, সতর্কতা ইরানের
  • কলকাতায় হামলার হুমকি পাকিস্তানের প্রতিরক্ষামন্ত্রীর
  • আমেরিকা-চীন-রাশিয়া: পররাষ্ট্রনীতিতে কোনদিকে ঝুঁকছে বাংলাদেশ?

গোপনে মস্তিষ্কের কার্যক্ষমতা কমিয়ে দেয় যেসব খাবার

অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশিত:
২০ জুলাই ২০২৫, ১৪:২৫

আমরা যা খাই, তার সরাসরি প্রভাব পড়ে আমাদের শরীর ও মনের ওপর। বিশেষজ্ঞদের মতে, কিছু সাধারণ খাদ্যদ্রব্য রয়েছে, যেগুলো নিয়মিত খেলে অজান্তেই কমে যেতে পারে মস্তিষ্কের কার্যক্ষমতা। স্মৃতিভ্রংশ, মনোযোগের ঘাটতি, দ্রুত বার্ধক্য এমনকি বিষণ্ণতার পেছনেও দায়ী হতে পারে কিছু নির্দিষ্ট খাবার। স্বাস্থ্য গবেষণা ও নিউরোলজিস্টদের তথ্য অনুযায়ী, নিচে এমন পাঁচটি খাবারের তালিকা দেওয়া হলো, যা গোপনে ক্ষতি করতে পারে মস্তিষ্কের।

১. অতিরিক্ত প্রক্রিয়াজাত খাবার (Processed Foods):

চিপস, প্যাকেটজাত স্ন্যাকস, ইনস্ট্যান্ট নুডলস, ফ্রোজেন পিৎজা কিংবা প্রসেসড মাংসজাত পণ্য— এসব খাবারে অতিরিক্ত সোডিয়াম, ট্রান্স ফ্যাট ও প্রিজারভেটিভ থাকে। এগুলো মস্তিষ্কে প্রদাহ সৃষ্টি করে এবং স্মৃতিশক্তি ও শেখার ক্ষমতা হ্রাস করে।

২. চিনি ও চিনিযুক্ত পানীয়:

বেশি পরিমাণে চিনি, বিশেষ করে সফট ড্রিংকস, ক্যান্ডি ও বেকড আইটেমে থাকা ফ্রুক্টোজ মস্তিষ্কের কোষে ইনসুলিন রেজিস্ট্যান্স তৈরি করতে পারে। ফলে স্মৃতিভ্রংশের আশঙ্কা বাড়ে এবং মানসিক ক্লান্তি দেখা দেয়।

৩. ট্রান্স ফ্যাটযুক্ত খাবার:

মার্জারিন, বানিজ্যিকভাবে তৈরি বিস্কুট, কুকিজ ও ফাস্ট ফুডে প্রচুর পরিমাণে ট্রান্স ফ্যাট থাকে, যা মস্তিষ্কের রক্তপ্রবাহ কমিয়ে দেয় এবং নিউরোন ক্ষয় করে। এর ফলে মনোযোগ ও সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষমতা হ্রাস পায়।

৪. অতিরিক্ত ক্যাফেইন:

মাঝেমধ্যে কফি বা চা উপকারী হলেও অতিরিক্ত ক্যাফেইন গ্রহণ ঘুমের ব্যাঘাত ঘটাতে পারে। পর্যাপ্ত ঘুম না হলে মস্তিষ্ক ঠিকভাবে বিশ্রাম পায় না এবং দীর্ঘমেয়াদে এর কার্যকারিতা কমে যায়।

৫. অত্যধিক লবণযুক্ত খাবার:

ফাস্ট ফুড, আলু ভাজা, আচার বা কনজারভড খাবারে অতিরিক্ত লবণ থাকে, যা রক্তচাপ বাড়িয়ে মস্তিষ্কে রক্ত সরবরাহে ব্যাঘাত ঘটায়। এতে কগনিটিভ ফাংশন ধীরে ধীরে দুর্বল হয়ে পড়ে।

নিউরোসায়েন্টিস্টদের মতে, এসব খাবার থেকে যতটা সম্ভব দূরে থাকা এবং স্বাস্থ্যকর চর্বি, শাকসবজি, ফলমূল ও পানি গ্রহণের মাধ্যমে মস্তিষ্ককে সুস্থ রাখা সম্ভব। মস্তিষ্ক হচ্ছে আমাদের জীবনের নিয়ন্ত্রণকেন্দ্র, তাই খাবার বাছাইয়ে সচেতনতা থাকা জরুরি।

 


মন্তব্য করুন:

সম্পর্কিত খবর