শনিবার, ৭ই মার্চ ২০২৬, ২৩শে ফাল্গুন ১৪৩২ | ই-পেপার
ব্রেকিং নিউজ:
  • সারাদেশে উপজেলা প্রতিনিধি নিয়োগ করা হচ্ছে। আগ্রহী হলে আপনার সিভি ই-মেইল করতে পারেন। ই-মেইল nagorikdesk@gmail.com
সংবাদ শিরোনাম:
  • দীর্ঘস্থায়ী যুদ্ধে ইরানই সুবিধাজনক অবস্থানে থাকতে পারে: বিশ্লেষক
  • ব্যাংক একীভূতকরণের উদ্যোগ চলমান রাখার বার্তা গভর্নরের
  • ইসরায়েল-মার্কিন যৌথ হামলায় ইরানে নিহত বেড়ে ৫৫৫
  • আসিফ মাহমুদের ব্যাংক হিসাব তলব
  • অপরাধ দমনে আরও বেশি সক্রিয় পুলিশ
  • ঢাকার আইসিইউয়ে ওষুধ-প্রতিরোধী ছত্রাক ‘সুপারবাগ’ ছড়িয়ে পড়েছে
  • ভূমি প্রতিমন্ত্রী অফিসে গিয়ে দেখেন কর্মকর্তারা কেউ আসেননি
  • রাজধানীতে নারীদের জন্য আলাদা বাস চালুর নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর
  • আন্তর্জাতিক আইন লঙ্ঘন করে খামেনিকে হত্যা, বিবৃতিতে বাংলাদেশ
  • মঙ্গলবার থেকে মিলবে ঈদযাত্রায় ট্রেনের টিকিট

নির্বাচনে হেরেও ক্ষমতায় থাকতে চাইছেন জাপানের প্রধানমন্ত্রী!

অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশিত:
২১ জুলাই ২০২৫, ১৩:৫৫

জাপানের পার্লামেন্টে সংখ্যাগরিষ্ঠতা হারিয়েছে দেশটির ক্ষমতাসীন জোট সরকার। কিন্তু, এরপরও ক্ষমতায় থাকতে চেষ্টা করছেন দেশটির প্রধানমন্ত্রী শিগেরু ইশিবা। স্পষ্ট ভাষায় তিনি বলেছেন, এখনই সরে যাওয়ার কোনো পরিকল্পনা নেই তার।

রোববার (২০ জুলাই) তুমুল প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ একটি নির্বাচন হয়েছে জাপানের পার্লামেন্টের উচ্চকক্ষে। দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি ও যুক্তরাষ্ট্রের শুল্ক হুমকির ইস্যুর কারণে এই নির্বাচনে হতাশাজনকভাবে হেরে গেছে ক্ষমতাসীন লিবারেল ডেমোক্র্যাটিক পার্টি ও এর অংশীদার কোমেইতো। তবে, ভোটগ্রহণ শেষ হওয়ার পর প্রধানমন্ত্রী শিগেরু ইশিবা বলেন, তিনি ‘এই কঠিন ফল’ আন্তরিকভাবে গ্রহণ করেছেন, তবে এখন তার দৃষ্টি হলো বাণিজ্য আলোচনা। খবর বিবিসি বাংলার।

এর আগে, গত বছর দেশটির শক্তিশালী নিন্মকক্ষেও সংখ্যাগরিষ্ঠতা হারায় শিগেরু ইশিবার জোট সরকার। এবার উচ্চকক্ষেও সংখ্যাগরিষ্ঠতা হারালো তার জোট। জাপানের ২৪৮ সদস্যের উচ্চকক্ষের নিয়ন্ত্রণ ধরে রাখতে মাত্র ৫০টি আসন দরকার ছিল ক্ষমতাসীন জোটের। কিন্তু, তারা পেয়েছে ৪৭টি আসন। আরও একটি আসনের ফল ঘোষণা বাকি আছে।

কান্দা ইউনিভার্সিটি অব ইন্টারন্যাশনাল স্টাডিজের জাপানিজ স্টাডিজের শিক্ষক জেফরি হল বিবিসি নিউজকে বলেছেন, এলডিপির রক্ষণশীল সমর্থন ভিত্তিকে ভাগ করেছে কয়েকটি ডানপন্থী দল। প্রধানমন্ত্রী ইশিবাকে যথেষ্ট রক্ষণশীল বলে মনে করেন না সাবেক প্রধানমন্ত্রী শিনজো আবের সমর্থকরা। তারা মনে করেন, তার শুধু জাতীয়তাবাদী দৃষ্টিভঙ্গীই নেই তা নয়, বরং চীনের বিরুদ্ধেও তার শক্ত দৃষ্টিভঙ্গী নেই, যা শিনজো আবের ছিল।  

ভোটারদের হতাশার বহিঃপ্রকাশ হিসেবে দেখা হচ্ছে এবারের নির্বাচনের ফলকে। জীবনযাত্রার ব্যয় বৃদ্ধি ও যুক্তরাষ্ট্রের সাথে বাণিজ্য আলোচনার বিষয়টি ব্যাপক ভূমিকা রেখেছে এতে।

বহু মানুষ মূল্যস্ফীতি নিয়ে চরম অসন্তুষ্ট, বিশেষ করে চালের দাম নিয়ে। এর সাথে রয়েছে সাম্প্রতিক বছরগুলোতে এলডিপিকে ঘিরে হওয়া নানা কেলেঙ্কারি।

উল্লেখ্য, এলডিপির শেষ তিন প্রধানমন্ত্রীকে উচ্চকক্ষে সংখ্যাগরিষ্ঠতা হারিয়ে পদত্যাগ করতে হয়েছিল দুই মাসের মধ্যে। বিশ্লেষকরা মনে করেন এবারেও একই বিষয় হতে পারে। 

 


মন্তব্য করুন:

সম্পর্কিত খবর