বৃহঃস্পতিবার, ২৩শে এপ্রিল ২০২৬, ১০ই বৈশাখ ১৪৩৩ | ই-পেপার
ব্রেকিং নিউজ:
  • সারাদেশে উপজেলা প্রতিনিধি নিয়োগ করা হচ্ছে। আগ্রহী হলে আপনার সিভি ই-মেইল করতে পারেন। ই-মেইল nagorikdesk@gmail.com
সংবাদ শিরোনাম:
  • সংবিধানের দোহাই আর নয়, আমরা ফ্যাসিবাদের দাফন করতে চাই
  • গুম-খুনের ব্যাপারে ট্রাইব্যুনাল সহায়তা চাইলে করা হবে : র‍্যাব ডিজি
  • ইসরায়েলের আবাসিক ভবনে ইরানি ক্ষেপণাস্ত্রের আঘাত, ২ জন নিহত
  • বিধ্বস্ত বিমানের দ্বিতীয় ক্রু উদ্ধার, তবে ইরান থেকে বের হতে পারেনি এখনো
  • ঢাকায় যুক্তরাজ্যের বাণিজ্য দূত
  • প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বেসরকারি খাত উপদেষ্টা পরিষদের প্রথম বৈঠক অনুষ্ঠিত
  • বাসা-বাড়িতে লাইট-ফ্যান ব্যবহারে নিষেধাজ্ঞার খবর ভুয়া : বিএনপি
  • ইসরায়েল-যুক্তরাষ্ট্রের জন্য ‘বড় চমক’ আছে, সতর্কতা ইরানের
  • কলকাতায় হামলার হুমকি পাকিস্তানের প্রতিরক্ষামন্ত্রীর
  • আমেরিকা-চীন-রাশিয়া: পররাষ্ট্রনীতিতে কোনদিকে ঝুঁকছে বাংলাদেশ?

চলাচলে জনমনে আতঙ্ক

সোনারগাঁ পৌরসভার দুটি সড়কে নেই সড়কবাতি, প্রতিনিয়ত হচ্ছে চুড়ি ছিনতাই

রাসেল হোসাইন, নারায়ণগঞ্জ

প্রকাশিত:
১৮ আগষ্ট ২০২৫, ১৩:৪৮

নারায়ণগঞ্জ জেলার সোনারগাঁও থানার পৌরসভার ৪ এবং ৫ নং ওয়াডের বালুয়াদিঘীরপাড় থেকে ষোলপাড়া এবং ষোলপাড়া মসজিদ থেকে পৌরসভার শেষ প্রান্ত পানাম গাবতলী পযন্ত জনবহুল গুরুত্বপূর্ণ দুটি সড়ক। গুরুত্বপূর্ণ সড়ক হওয়া সত্ত্বেও নেই পৌরসভার সড়কবাতি।

সরেজমিনে পরিদর্শনে গেলে দেখা যায় পৌরসভার এই দুটি রাস্তায় রাত হলেই মানুষের চলাচলে নেমে আসে আতঙ্ক। এর অন্যতম কারণ হলো সড়কবাতি না থাকায় রাস্তা দুটো সন্ধ্যা হলেই অন্ধকারে ডুবে যায়, এবং এতে আশেপাশের এলাকায় চুড়ি ছিনতাই এবং মাদক ব্যবসার হাত বদল হওয়া সহ আরো নানা অপকর্ম প্রতিনিয়ত ঘটছে। বিগত সময়ে এই এলাকায় ব্যাটারী চালিত অটোরিকশা ছিনতাই, রাতের আঁধারে মানুষকে জিম্মি করে সবকিছু লুটে নেয়ার মতো বহু ঘটনা ঘটেছে। যার ফলে রাত হলেই এই রাস্তা দুটোতে মানুষকে চলাচলের ক্ষেত্রে এক প্রকার আতঙ্কে থাকতে হয়।

এলাকাবাসি সূত্রে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এমন কিছু ব্যক্তির সাথে কথা বলে জানা যায় যে, পৌরসভার ৪, ৫ নং ওয়ার্ডের এই রাস্তা দুটোতে সড়কবাতি না থাকার ফলে রাতের পুরোটা সময় থাকে অন্ধকারাচ্ছন্ন যার জন্য এই পথে চলাচলকারী ব্যক্তিদের জিম্মি করে সবকিছু লুটে নেয়া এবং চুড়ি ছিনতাই সহ মাদক ব্যবসা পরিচালনা করে আসছে এই এলাকার এবং পাশের এলাকার কিছু লোকজন যুক্ত থাকার কথাও উল্লেখ করেন। এ থেকে মুক্তি পেতে পৌরসভার সড়কবাতি স্থাপন এবং আইন প্রশাসনের কড়া নজরদারি প্রয়োজন সহ মাদকের বিরুদ্ধে অভিযান পরিচালনা করা দরকার বলে মনে করেন।

পৌরসভার অন্যান্য রাস্তাগুলোতে আরো ৮/১০ বছর আগে সড়কবাতি স্থাপন করা হলেও এই রাস্তা দুটোতে কেন সড়কবাতী দেয়া হয়নি এ বিষয়ে পৌরসভার দায়িত্বরত ইঞ্জিনিয়ারকে ফোন করলে উনি জানান ব্যাপারটা সম্পর্কে তিনি বিগত সময়ে অবগত ছিলেন না, এখন তিনি ব্যাপারটি জানতে পেরে দুঃখ প্রকাশ করেন এবং এলাকাবাসীর পক্ষ থেকে আবেদনের মাধ্যমে ব্যাপারটি দ্রুততম সময়ের মধ্যে সমাধানের চেষ্টা করবেন বলে জানান।


মন্তব্য করুন:

সম্পর্কিত খবর