প্রকাশিত:
৭ সেপ্টেম্বর ২০২৫, ১০:৫৪
ফিলিস্তিনিদের জোরপূর্বক উচ্ছেদের নির্দেশের পর গাজা শহরের বহুতল ভবনগুলোতে বোমাবর্ষণ করে মাটিতে মিশিয়ে দেওয়া হচ্ছে। ইসরায়েলি হামলায় গত ২৪ ঘণ্টায় কমপক্ষে ৬২ জন নিহত হয়েছেন।
রোববার ৭ সেপ্টেম্বর কাতার ভিত্তিক সংবাদ মাধ্যম আল জাজিরা এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে।
প্রতিবেদনে বলা হয়, ইসরায়েলি হামলায় গত ২৪ ঘণ্টায় কমপক্ষে ৬২ জন নিহত হয়েছেন। এ নিয়ে ২৩ মাস ধরে চলা হামলায় গাজায় নিহত হয়েছেন ৬৪ হাজারের বেশি ফিলিস্তিনি। আহত হয়েছেন ১ লাখ ৬২ হাজারের বেশি।
প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, গাজা উপত্যকায় ইসরায়েলি বাহিনী আরও একটি বহুতল ভবনে হামলা চালিয়েছে। এছাড়াও সেখানকার বাসিন্দাদের সরে যাওয়ার জন্য এক বা আধা ঘণ্টা সময় দেওয়া হচ্ছে যা যথেষ্ট নয়। এতে গাজার জনসাধারণের মধ্য আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে।
ইসরায়েলি সেনাবাহিনী এক বিবৃতিতে বলেছে, প্রমাণ ছাড়াই যে ভবনগুলোতে হামলা চালানো হয়েছিল তা হামাস ইসরায়েলি সেনাবাহিনীর অবস্থান পর্যবেক্ষণে গোয়েন্দা তথ্য সংগ্রহের জন্য ব্যবহার করেছিল। এতে আরও বলা হয়েছে, সশস্ত্র ফিলিস্তিনি গোষ্ঠীগুলো অসংখ্য বিস্ফোরক ডিভাইস পুঁতে রেখেছিল এবং এলাকায় একটি সুড়ঙ্গ খনন করেছিল।
গাজার সরকারি মিডিয়া অফিস এ দাবি প্রত্যাখ্যান করে বলেছে, বেসামরিক নাগরিক ও অবকাঠামোকে লক্ষ্য করে হামলা চালানো হচ্ছে। হামলার ন্যায্যতা প্রমাণ করার জন্য দখলদারদের প্রতারণা একটি পদ্ধতিগত নীতির অংশ। এতে বলা হয়েছে, ইসরায়েল গাজার ৯০ শতাংশ অবকাঠামো ধ্বংস করেছে।
আন্তর্জাতিক সমালোচনা সত্ত্বেও ইসরায়েল গাজা শহর দখলের জন্য পদক্ষেপ নিয়েছে। এ সময় শুক্রবার ১২ তলা বিশিষ্ট মুশতাহা টাওয়ারের কাছের ভবনগুলোকে মাটিতে মিশিয়ে দিয়েছে।
গাজার স্বাস্থ্য বিভাগের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ২০২৩ সালের ৭ই অক্টোবর নৃশংস হামলা শুরুর পর থেকে ১৯ হাজারের বেশি শিশু নিহত হয়েছে।
এমন পরিস্থিতিতে ইসরায়েল যদি গাজা নগরী দখলের অভিযান এগিয়ে নেয় তাহলে বিপর্যয়কর পরিস্থিতি দেখা দেবে বলে সতর্ক করেছে জাতিসংঘ।
মন্তব্য করুন: