শনিবার, ৭ই মার্চ ২০২৬, ২৩শে ফাল্গুন ১৪৩২ | ই-পেপার
ব্রেকিং নিউজ:
  • সারাদেশে উপজেলা প্রতিনিধি নিয়োগ করা হচ্ছে। আগ্রহী হলে আপনার সিভি ই-মেইল করতে পারেন। ই-মেইল nagorikdesk@gmail.com
সংবাদ শিরোনাম:
  • দীর্ঘস্থায়ী যুদ্ধে ইরানই সুবিধাজনক অবস্থানে থাকতে পারে: বিশ্লেষক
  • ব্যাংক একীভূতকরণের উদ্যোগ চলমান রাখার বার্তা গভর্নরের
  • ইসরায়েল-মার্কিন যৌথ হামলায় ইরানে নিহত বেড়ে ৫৫৫
  • আসিফ মাহমুদের ব্যাংক হিসাব তলব
  • অপরাধ দমনে আরও বেশি সক্রিয় পুলিশ
  • ঢাকার আইসিইউয়ে ওষুধ-প্রতিরোধী ছত্রাক ‘সুপারবাগ’ ছড়িয়ে পড়েছে
  • ভূমি প্রতিমন্ত্রী অফিসে গিয়ে দেখেন কর্মকর্তারা কেউ আসেননি
  • রাজধানীতে নারীদের জন্য আলাদা বাস চালুর নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর
  • আন্তর্জাতিক আইন লঙ্ঘন করে খামেনিকে হত্যা, বিবৃতিতে বাংলাদেশ
  • মঙ্গলবার থেকে মিলবে ঈদযাত্রায় ট্রেনের টিকিট

কাশ্মীরে বন্দুকযুদ্ধে নিহত ১, আহত ৩

অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশিত:
৮ সেপ্টেম্বর ২০২৫, ১২:৩৩

 

জম্মু ও কাশ্মীরের কুলগাম জেলায় নিরাপত্তা বাহিনীর সঙ্গে বন্দুকযুদ্ধে একজন বিচ্ছিন্নতাবাদী নিহত হয়েছে। সোমবার (৮ সেপ্টেম্বর) সকালে গুদ্দার বনাঞ্চলে সংঘর্ষে ভারতীয় সেনাবাহিনীর একজন কর্মকর্তা এবং আরও দুই সেনা সদস্য আহত হয়েছেন। কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, আহতদের মধ্যে একজন জুনিয়র কমিশন্ড অফিসারের (জেসিও) অবস্থা গুরুতর। তবে আহত সেনা সদস্যদের পরিচয় এখনো প্রকাশ করা হয়নি।

নিরাপত্তা বাহিনীর সূত্র জানিয়েছে, বিচ্ছিন্নতাবাদীদের উপস্থিতির খবর পাওয়ার পর ভারতীয় সেনাবাহিনী, জম্মু ও কাশ্মীর পুলিশ এবং সিআরপিএফ যৌথভাবে তল্লাশি অভিযান শুরু করে। তল্লাশির সময় সেনারা সন্দেহজনক নড়াচড়া লক্ষ্য করলে বিচ্ছিন্নতাবাদীরা গুলি চালায়। এতে পাল্টা গুলি ছোড়ে নিরাপত্তা বাহিনী এবং ঘটনাটি তীব্র বন্দুকযুদ্ধে রূপ নেয়। ভারতীয় সেনাবাহিনীর চিনার কর্পস এক্স (সাবেক টুইটার) এক পোস্টে জানায়, ‘যৌথ অভিযানের সময় একজন বিচ্ছিন্নতাবাদী নিহত হয়েছে এবং একজন জেসিও আহত হয়েছেন। অভিযান এখনো চলছে।’

কুলগামে গত পাঁচ সপ্তাহে এটি দ্বিতীয় বড় ধরনের সংঘর্ষ। গত মাসে জেলার আখাল বনাঞ্চলে টানা ১১ দিন অভিযানের পরও কোনো বড় সাফল্য মেলেনি। সে সময় গোলাগুলিতে দুই সেনা নিহত এবং অন্তত ১০ জন আহত হয়েছিলেন।

এর আগে জম্মু ও কাশ্মীরের গুরেজ সেক্টরে আরও একটি বন্দুকযুদ্ধে দুইজন বিচ্ছিন্নতাবাদী নিহত হয়েছিলেন। তাদের মধ্যে একজন ছিলেন বাগূ খান, যাকে নিরাপত্তা বাহিনী দীর্ঘদিন ধরে ‘হিউম্যান জিপিএস’ নামে চিনত। ১৯৯৫ সাল থেকে তিনি ১০০টিরও বেশি অনুপ্রবেশে জড়িত ছিলেন এবং পাকিস্তান থেকে পরিচালিত হিজবুল মুজাহিদীনের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন।

কর্মকর্তাদের মতে, সীমান্তের সব অনুপ্রবেশের পথ তার জানা ছিল এবং তিনি বারবার অনুপ্রবেশের প্রচেষ্টা সফল করতে সাহায্য করতেন। পরিচয়পত্র থেকে জানা যায়, তিনি পাকিস্তানের বাসিন্দা। বাগূ খান ‘সামুন্দর চাচা’ নামেও পরিচিত ছিলেন। নিহত অন্য বিচ্ছিন্নতাবাদীও পাকিস্তানি বলে ধারণা করা হচ্ছে, যদিও তার পরিচয় এখনো নিশ্চিত করা যায়নি।

 


মন্তব্য করুন:

সম্পর্কিত খবর