বৃহঃস্পতিবার, ২৩শে এপ্রিল ২০২৬, ১০ই বৈশাখ ১৪৩৩ | ই-পেপার
ব্রেকিং নিউজ:
  • সারাদেশে উপজেলা প্রতিনিধি নিয়োগ করা হচ্ছে। আগ্রহী হলে আপনার সিভি ই-মেইল করতে পারেন। ই-মেইল nagorikdesk@gmail.com
সংবাদ শিরোনাম:
  • সংবিধানের দোহাই আর নয়, আমরা ফ্যাসিবাদের দাফন করতে চাই
  • গুম-খুনের ব্যাপারে ট্রাইব্যুনাল সহায়তা চাইলে করা হবে : র‍্যাব ডিজি
  • ইসরায়েলের আবাসিক ভবনে ইরানি ক্ষেপণাস্ত্রের আঘাত, ২ জন নিহত
  • বিধ্বস্ত বিমানের দ্বিতীয় ক্রু উদ্ধার, তবে ইরান থেকে বের হতে পারেনি এখনো
  • ঢাকায় যুক্তরাজ্যের বাণিজ্য দূত
  • প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বেসরকারি খাত উপদেষ্টা পরিষদের প্রথম বৈঠক অনুষ্ঠিত
  • বাসা-বাড়িতে লাইট-ফ্যান ব্যবহারে নিষেধাজ্ঞার খবর ভুয়া : বিএনপি
  • ইসরায়েল-যুক্তরাষ্ট্রের জন্য ‘বড় চমক’ আছে, সতর্কতা ইরানের
  • কলকাতায় হামলার হুমকি পাকিস্তানের প্রতিরক্ষামন্ত্রীর
  • আমেরিকা-চীন-রাশিয়া: পররাষ্ট্রনীতিতে কোনদিকে ঝুঁকছে বাংলাদেশ?

চট্টগ্রামে ২৩ দিন ধরে অন্ধকারে ৯৫ বছরের পুরোনো সেতু

মো.মোক্তার হোসেন বাবু, চট্টগ্রাম

প্রকাশিত:
১১ সেপ্টেম্বর ২০২৫, ১৮:১৯

চট্টগ্রামে ৯৫ বছরের পুরোনো কালুরঘাট সেতু প্রায় ২৩ দিন ধরে অন্ধকারে রয়েছে। বিদ্যুতের তার চুরি হওয়ায় অন্ধকারের কারণে সেতুতে চলাচলকারীদের নিরাপত্তা নিয়ে তৈরি হয়েছে শঙ্কা। রেল কর্তৃপক্ষের নেই কোন তদারকি, ঘটছে দুর্ঘটনা। এ সেতু দিয়ে রাতে চলাচল করতে মানুষ ভয় পায়। গত ছয় মাসে এই ঝুঁকিপূর্ণ সেতুতে ৪ জনের প্রাণহানি হয়েছে। পাশাপাশি একাধিক ট্রেন-গাড়ি সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। ৪৩ কোটি টাকা ব্যয় করে পুরোনো কালুরঘাট সেতু সংস্কার করে যান ও পথচারী পারাপারের জন্য উম্মুক্ত করে দেওয়া হয়।

জানা গেছে, নতুনভাবে সংস্কারের পর পথচারীদের সুবিধার্থে ৩১টি স্ট্রিটলাইট স্থাপন করা হয়েছে কালুরঘাট সেতুতে। ম্যাক্স ইনফ্রাস্ট্রাকচারের তথ্য অনুযায়ী, প্রায় ১৮০০ ফুট বৈদ্যুতিক ক্যাবল চুরি হয়েছে।

এদিকে সেতুর সড়কবাতিগুলো সচলের জন্য কাজ করছে বলে জানিয়ে ম্যাক্সের প্রকল্প ব্যবস্থাপক মো. মেহেদী হাসান বলেন, আমরা বাতিগুলো সচলের জন্য কাজ করছি। এ পর্যন্ত দুইবার ক্যাবল চুরি হয়েছে। আমরা রেল কর্তৃপক্ষকে বিষয়টি জানিয়েছি, তবে কোনো প্রতিক্রিয়া পাইনি।

জসিম উদ্দিন নামের এক ব্যবসায়ী রাতে কালুরঘাট সেতু পার হয়ে বোয়ালখালী যেতে ভয় পাচ্ছেন। পুরোপুরি অন্ধকারাচ্ছন্ন সেতু, একটি সড়কবাতিও জ্বলছে না। তিনি বলেন, আমরা ব্যবসায়িক কাজ শেষ করে এ সেতু গভীর রাতেও পার হয়েছি। এখন ভুতুড়ে পরিবেশ আগে কখনো দেখিনি। এখন সন্ধ্যার পর থেকে সেতু পার হতে ভয় করে।

জান আলী হাট রেলওয়ে স্টেশনের স্টেশন মাস্টার নেজাম উদ্দিন বলেন, স্থানীয়রা অনেকেই আমাদের মৌলিকভাবে জানিয়েছেন। লাইটগুলো সচল করতে গত ৩১ আগস্ট রেলওয়ের সংশ্লিষ্ট দপ্তরে জরুরি চিঠি পাঠিয়েছি। কিন্তু এখন পর্যন্ত কোনো কাজ হয়নি।
চট্টগ্রাম রেলওয়ের বৈদ্যুতিক প্রকৌশলী আরিফুল ইসলাম বলেন, সংস্কারকালে সড়কবাতি রক্ষণাবেক্ষনসহ নিরাপত্তার দায়িত্ব ম্যাক্স ইনফ্রাস্ট্রাকচারের। দ্রুত সড়কবাতি চালুর জন্য ম্যাক্সকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।


মন্তব্য করুন:

সম্পর্কিত খবর