বৃহঃস্পতিবার, ২৩শে এপ্রিল ২০২৬, ১০ই বৈশাখ ১৪৩৩ | ই-পেপার
ব্রেকিং নিউজ:
  • সারাদেশে উপজেলা প্রতিনিধি নিয়োগ করা হচ্ছে। আগ্রহী হলে আপনার সিভি ই-মেইল করতে পারেন। ই-মেইল nagorikdesk@gmail.com
সংবাদ শিরোনাম:
  • সংবিধানের দোহাই আর নয়, আমরা ফ্যাসিবাদের দাফন করতে চাই
  • গুম-খুনের ব্যাপারে ট্রাইব্যুনাল সহায়তা চাইলে করা হবে : র‍্যাব ডিজি
  • ইসরায়েলের আবাসিক ভবনে ইরানি ক্ষেপণাস্ত্রের আঘাত, ২ জন নিহত
  • বিধ্বস্ত বিমানের দ্বিতীয় ক্রু উদ্ধার, তবে ইরান থেকে বের হতে পারেনি এখনো
  • ঢাকায় যুক্তরাজ্যের বাণিজ্য দূত
  • প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বেসরকারি খাত উপদেষ্টা পরিষদের প্রথম বৈঠক অনুষ্ঠিত
  • বাসা-বাড়িতে লাইট-ফ্যান ব্যবহারে নিষেধাজ্ঞার খবর ভুয়া : বিএনপি
  • ইসরায়েল-যুক্তরাষ্ট্রের জন্য ‘বড় চমক’ আছে, সতর্কতা ইরানের
  • কলকাতায় হামলার হুমকি পাকিস্তানের প্রতিরক্ষামন্ত্রীর
  • আমেরিকা-চীন-রাশিয়া: পররাষ্ট্রনীতিতে কোনদিকে ঝুঁকছে বাংলাদেশ?

নেপালে সরকার পতনের পর হঠাৎ কেন আলোচনায় বলিউডের এই অভিনেত্রী

বিনোদন ডেস্ক

প্রকাশিত:
১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৫, ১৫:৪৯

বলিউডে এক সময় রাজত্ব করা শীর্ষ অভিনেত্রী মালা সিনহা সম্প্রতি আবার আলোচনায় এসেছে নেপালের সরকার পতনের পর। ১৯৭৩ সালের এক বিতর্কিত বিমান ছিনতাই কাণ্ড ও তাঁর ক্যারিয়ারের এক বিতর্কিত মুহূর্তের কারণে মালার নাম পুনরায় উঠে এসেছে।

মালা সিনহার বিতর্কিত সময়

১৯৭৮ সালে ক্যারিয়ারের সোনালি সময়ে মালা সিনহার বাথরুম থেকে উদ্ধার হয়েছিল ১২ লাখ টাকা। সঠিক হিসাব দিতে না পারায় আদালতের কাঠগড়ায় দাঁড়াতে হয়েছিল তাঁকে। আদালতে মালা জানান, “সব টাকা দেহব্যবসা করে কামিয়েছি,” যা ছিল তাঁর বাবা ও আইনজীবীর পরামর্শ অনুযায়ী বলা। শেষ পর্যন্ত তাঁকে মোটা অঙ্কের জরিমানা দিতে হয়েছিল।

নেপালের অন্তর্বর্তী সরকারের প্রেক্ষাপট

নেপালের অন্তর্বর্তী সরকার গঠনের পর সাবেক প্রধান বিচারপতি সুশীলা কার্কি প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিয়েছেন। সুশীলা কার্কির এই শপথের পর পুনরায় মালা সিনহার নাম আলোচনায় এসেছে। কারণ, বহু বছর আগে সুশীলার স্বামী দুর্গা প্রসাদ সুবেদি মালা সিনহাকে বহন করা বিমানের ছিনতাই করেছিলেন।

১৯৭৩ সালের বিমান ছিনতাই

১৯৭৩ সালের ১০ জুন বিরাটনগর থেকে কাঠমাণ্ডু যাওয়ার পথে রয়্যাল নেপাল এয়ারলাইনসের ১৯ আসনের টুইন অটার বিমানটি ছিনতাই হয়। বিমানে ছিলেন মালা সিনহা ও তাঁর স্বামী নেপালি অভিনেতা সি পি লোহানি। ককপিট দখল করেন নেপালি কংগ্রেসের তিন তরুণ কর্মী — দুর্গা প্রসাদ সুবেদি, নাগেন্দ্র ধুঙ্গেল, বসন্ত ভট্টরাই।

পরিকল্পনার নেপথ্যে ছিলেন পরবর্তীতে প্রধানমন্ত্রী হওয়া গিরিজা প্রসাদ কৈরালা। বিমান থেকে নগদ ৩০ লাখ রুপি ছিনিয়ে নেয়া হয়। পরে টাকা ট্রাকে করে দার্জিলিংয়ে নেয়া হয়।

সুশীলা কার্কি ভারতীয় বিশ্ববিদ্যালয় বেনারস হিন্দু বিশ্ববিদ্যালয় (বিএইচইউ) পড়ার সময়ই দুর্গা সুবেদির সঙ্গে পরিচিত হন। এই অতীত আজকের নেপালের রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে নতুন আলোচনার জন্ম দিয়েছে।


মন্তব্য করুন:

সম্পর্কিত খবর