বৃহঃস্পতিবার, ২৩শে এপ্রিল ২০২৬, ১০ই বৈশাখ ১৪৩৩ | ই-পেপার
ব্রেকিং নিউজ:
  • সারাদেশে উপজেলা প্রতিনিধি নিয়োগ করা হচ্ছে। আগ্রহী হলে আপনার সিভি ই-মেইল করতে পারেন। ই-মেইল nagorikdesk@gmail.com
সংবাদ শিরোনাম:
  • সংবিধানের দোহাই আর নয়, আমরা ফ্যাসিবাদের দাফন করতে চাই
  • গুম-খুনের ব্যাপারে ট্রাইব্যুনাল সহায়তা চাইলে করা হবে : র‍্যাব ডিজি
  • ইসরায়েলের আবাসিক ভবনে ইরানি ক্ষেপণাস্ত্রের আঘাত, ২ জন নিহত
  • বিধ্বস্ত বিমানের দ্বিতীয় ক্রু উদ্ধার, তবে ইরান থেকে বের হতে পারেনি এখনো
  • ঢাকায় যুক্তরাজ্যের বাণিজ্য দূত
  • প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বেসরকারি খাত উপদেষ্টা পরিষদের প্রথম বৈঠক অনুষ্ঠিত
  • বাসা-বাড়িতে লাইট-ফ্যান ব্যবহারে নিষেধাজ্ঞার খবর ভুয়া : বিএনপি
  • ইসরায়েল-যুক্তরাষ্ট্রের জন্য ‘বড় চমক’ আছে, সতর্কতা ইরানের
  • কলকাতায় হামলার হুমকি পাকিস্তানের প্রতিরক্ষামন্ত্রীর
  • আমেরিকা-চীন-রাশিয়া: পররাষ্ট্রনীতিতে কোনদিকে ঝুঁকছে বাংলাদেশ?

সোনাইমুড়ীতে খাল খননে উচ্ছেদ অভিযান: ভেঙে ফেলা হলো কালা মিয়ার দুই দশকের হোটেল

মোহাম্মদ হানিফ, নোয়াখালী

প্রকাশিত:
১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৫, ১৮:৫৩

নোয়াখালীর সোনাইমুড়ী উপজেলায় জলাবদ্ধতা নিরসন ও কৃষি জমিতে সেচ সুবিধা বৃদ্ধির লক্ষ্যে চলমান খাল খনন কার্যক্রমের অংশ হিসেবে উচ্ছেদ করা হচ্ছে অবৈধ স্থাপনা। এই প্রক্রিয়ার আওতায় সোমবার (১৬ সেপ্টেম্বর) ভেঙে ফেলা হয়েছে সোনাইমুড়ী বাজারের রেললাইনের পূর্ব পাশে অবস্থিত কালা মিয়ার পুরনো হোটেল।

দীর্ঘদিন ধরে সরকারি খালের জায়গা দখল করে পরিচালিত হয়ে আসা হোটেলটি সম্প্রতি স্থানীয় প্রশাসনের নজরে আসে। পরে পানি উন্নয়ন বোর্ডের খাল পুনঃখনন প্রকল্পের অধীনে সেটি উচ্ছেদ করা হয়।

দুই দশকের বেশি সময় ধরে হোটেলটি পরিচালনা করে আসছিলেন কালা মিয়া। হোটেলটি ভেঙে ফেলার সময় চোখে পানি নিয়ে তিনি বলেন,এই হোটেলই আমার জীবিকার একমাত্র অবলম্বন ছিল। হঠাৎ করে সবকিছু হারিয়ে আমি বাকরুদ্ধ। তবে যদি এটা সরকারি জায়গা হয়, তাহলে আমার কিছু বলার নেই। শুধু চাই, ক্ষতিগ্রস্তদের পাশে কেউ যেন দাঁড়ায়।

উচ্ছেদ অভিযানের নেতৃত্বে থাকা উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) নূরে আলম জান্নাত বলেন,সরকারি খাল ও জলাধার রক্ষা এবং পরিবেশগত ভারসাম্য বজায় রাখার জন্য এ কার্যক্রম চলমান রয়েছে। অবৈধ দখলদারদের পূর্বেই নোটিশ প্রদান করা হয়েছিল। আজকের অভিযান পূর্বনির্ধারিত পরিকল্পনার অংশ।

স্থানীয় বাসিন্দারা জানিয়েছেন, খালটি খননের ফলে বর্ষায় পানি নিষ্কাশন সহজ হবে এবং আশেপাশের কৃষিজমিতে সেচ সুবিধা বৃদ্ধি পাবে। তবে তারা ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীদের জন্য ক্ষতিপূরণ বা পুনর্বাসনের দাবিও তুলেছেন।

জানা গেছে, উত্তর ও পূর্ব দিকে প্রায় ২ কিলোমিটার এলাকাজুড়ে খাল পুনঃখননের কাজ চলমান রয়েছে। প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে সোনাইমুড়ী উপজেলার একাধিক ইউনিয়নের দীর্ঘদিনের জলাবদ্ধতা সমস্যার সমাধান হবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।


মন্তব্য করুন:

সম্পর্কিত খবর