বৃহঃস্পতিবার, ২৩শে এপ্রিল ২০২৬, ১০ই বৈশাখ ১৪৩৩ | ই-পেপার
ব্রেকিং নিউজ:
  • সারাদেশে উপজেলা প্রতিনিধি নিয়োগ করা হচ্ছে। আগ্রহী হলে আপনার সিভি ই-মেইল করতে পারেন। ই-মেইল nagorikdesk@gmail.com
সংবাদ শিরোনাম:
  • সংবিধানের দোহাই আর নয়, আমরা ফ্যাসিবাদের দাফন করতে চাই
  • গুম-খুনের ব্যাপারে ট্রাইব্যুনাল সহায়তা চাইলে করা হবে : র‍্যাব ডিজি
  • ইসরায়েলের আবাসিক ভবনে ইরানি ক্ষেপণাস্ত্রের আঘাত, ২ জন নিহত
  • বিধ্বস্ত বিমানের দ্বিতীয় ক্রু উদ্ধার, তবে ইরান থেকে বের হতে পারেনি এখনো
  • ঢাকায় যুক্তরাজ্যের বাণিজ্য দূত
  • প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বেসরকারি খাত উপদেষ্টা পরিষদের প্রথম বৈঠক অনুষ্ঠিত
  • বাসা-বাড়িতে লাইট-ফ্যান ব্যবহারে নিষেধাজ্ঞার খবর ভুয়া : বিএনপি
  • ইসরায়েল-যুক্তরাষ্ট্রের জন্য ‘বড় চমক’ আছে, সতর্কতা ইরানের
  • কলকাতায় হামলার হুমকি পাকিস্তানের প্রতিরক্ষামন্ত্রীর
  • আমেরিকা-চীন-রাশিয়া: পররাষ্ট্রনীতিতে কোনদিকে ঝুঁকছে বাংলাদেশ?

চট্টগ্রামে ব্যাংক কর্মকর্তার বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা, বিলের টাকা আত্মসাৎ

মো.মোক্তার হোসেন বাবু, চট্টগ্রাম

প্রকাশিত:
১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৫, ১৮:১৫

চট্টগ্রামে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) করা মামলায় ইউনাইটেড কমার্শিয়াল ব্যাংক (ইউসিবি) লিমিটেড হালিশহর শাখার বরখাস্তকৃত জুনিয়র ক্যাশ অফিসার তাজকেরাতুন নেছাকে ৫ বছরের কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত।

গ্রাহকদের কাছ থেকে আদায়কৃত বিলের টাকা আত্মসাতের অভিযোগে উক্ত মামলায় বুধবার চট্টগ্রাম বিভাগীয় বিশেষ জজ মিজানুর রহমানের আদালত এ রায় দেন। তাজকেরাতুন নেছা (৪০) ভুজপুর থানার দাঁতমারা এলাকার আবদুল মজিদ খানের মেয়ে। রায় ঘোষণার সময় আসামি আদালতে অনুপস্থিত ছিলেন। আসামির বিরুদ্ধে সাজা পরোয়ানামূলে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছেন আদালত।

দুদকের পাবলিক প্রসিকিউটর মুহম্মদ কবির হোসাইন বলেন, ১২ জন সাক্ষীর সাক্ষ্যপ্রমাণে গ্রাহকদের কাছ থেকে আদায়কৃত বিলের টাকা আত্মসাতের অভিযোগে প্রমাণিত হওয়ায় আসামি তাজকেরাতুন নেছাকে দণ্ডবিধির ৪০৯ ধারায় ৩ বছর ও ৪২০ ধারায় ২ বছর কারাদণ্ড এবং ৩ লাখ ১২ হাজার ৬৬৪ টাকা অর্থদণ্ডের আদেশ দিয়েছেন আদালত।

মামলার নথি থেকে জানা যায়, ২০১৮ সালের ২৮ মার্চ থেকে ১৭ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত সময়ে গ্রাহকদের কাছ থেকে গ্যাস ও ওয়াসার বিল বাবদ ৬ লাখ ৬৩ হাজার ৯৫৩ টাকা সংগ্রহ করেন ইউসিবি ব্যাংকের হালিশহর শাখার বরখাস্তকৃত জুনিয়র ক্যাশ অফিসার তাজকেরাতুন নেছা। কিন্তু তিনি ওই অর্থ ব্যাংকে জমা না দিয়ে প্রতারণা ও অপরাধমূলক বিশ্বাসভঙ্গ করে আত্মসাৎ করেন। পরে জরিমানাসহ মোট ৬ লাখ ৭০ হাজার ৪২৩ টাকার মধ্যে ৩ লাখ ৫৭ হাজার ৭৫৯ টাকা ফেরত দিলেও বাকি ৩ লাখ ১২ হাজার ৬৬৪ টাকা পরিশোধ না করে আত্মসাৎ করেন।

এ ঘটনায় ২০২২ সালের ২৭ নভেম্বর দুদক চট্টগ্রাম সমন্বিত জেলা কার্যালয়-১ এ মামলা করেন তৎকালীন দুদকের সহকারী পরিচালক মো. এমরান হোসেন। মামলায় আসামির বিরুদ্ধে ১৯৪৭ সনের দুর্নীতি প্রতিরোধ আইনের ৫(২) ধারা এবং দণ্ডবিধির ৪০৯/৪২০ ধারায় অভিযোগ আনা হয়।


মন্তব্য করুন:

সম্পর্কিত খবর