বৃহঃস্পতিবার, ২৩শে এপ্রিল ২০২৬, ১০ই বৈশাখ ১৪৩৩ | ই-পেপার
ব্রেকিং নিউজ:
  • সারাদেশে উপজেলা প্রতিনিধি নিয়োগ করা হচ্ছে। আগ্রহী হলে আপনার সিভি ই-মেইল করতে পারেন। ই-মেইল nagorikdesk@gmail.com
সংবাদ শিরোনাম:
  • সংবিধানের দোহাই আর নয়, আমরা ফ্যাসিবাদের দাফন করতে চাই
  • গুম-খুনের ব্যাপারে ট্রাইব্যুনাল সহায়তা চাইলে করা হবে : র‍্যাব ডিজি
  • ইসরায়েলের আবাসিক ভবনে ইরানি ক্ষেপণাস্ত্রের আঘাত, ২ জন নিহত
  • বিধ্বস্ত বিমানের দ্বিতীয় ক্রু উদ্ধার, তবে ইরান থেকে বের হতে পারেনি এখনো
  • ঢাকায় যুক্তরাজ্যের বাণিজ্য দূত
  • প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বেসরকারি খাত উপদেষ্টা পরিষদের প্রথম বৈঠক অনুষ্ঠিত
  • বাসা-বাড়িতে লাইট-ফ্যান ব্যবহারে নিষেধাজ্ঞার খবর ভুয়া : বিএনপি
  • ইসরায়েল-যুক্তরাষ্ট্রের জন্য ‘বড় চমক’ আছে, সতর্কতা ইরানের
  • কলকাতায় হামলার হুমকি পাকিস্তানের প্রতিরক্ষামন্ত্রীর
  • আমেরিকা-চীন-রাশিয়া: পররাষ্ট্রনীতিতে কোনদিকে ঝুঁকছে বাংলাদেশ?

কাগজে শিশুপার্ক থাকলেও বাস্তবে নেই কোন রূপ

ঝালকাঠিতে শিশুদের জন্য নেই শিশুপার্ক

আবু খায়ের মাসুদ,ঝালকাঠি 

প্রকাশিত:
৭ অক্টোবর ২০২৫, ১৭:০৯

ঝালকাঠি জেলা সদরে নেই কোনো শিশুপার্ক। শিশুদের খেলাধুলা ও চিত্তবিনোদনের জন্য নেই কোনো নির্ধারিত স্থান। পৌর শহরের ডিসির বাংলো সংলগ্ন একটি শিশুপার্ক কাগজে থাকলেও বাস্তবে সেখানে শুধুই একটি মাঠ ও দুটি ভাঙা দোলনা রয়েছে। শহরের কোলাহল এড়াতে কিছুটা স্বস্তি বা শিশুদের জন্য খেলার নিরাপদ জায়গা খুঁজতে গেলে হতাশ হতে হয় অভিভাবকদের।

প্রথম শ্রেণীর পৌরসভা ধাকলেও বিগত দিনে এখানকার চেয়ারম্যান/ মেয়ররা কখনোই শিশুদের খেলার জায়গা বা পার্কের কথা ভাবেননি। শিশুদের অভিভাবক ও স্থানীয় বাসিন্দা জানান, ‘শিশুপার্ক ও বিনোদন কেন্দ্র না থাকায় শিশুরা বাড়িতে মোবাইল ফোন ও টেলিভিশনের ওপর নির্ভরশীল হয়ে পড়ছে, যা তাদের শারীরিক ও মানসিক বিকাশে নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে। পরিবারের সাথে বিকেলের সময় কাটানোর মতো মুক্ত পরিবেশও নেই।’ হাসেম আলী নামের এক অভিভাবক বলেন, ‘আমাদের বাচ্চাদের খেলার কোনো নিরাপদ মাঠ নেই। এক সময় সন্ধ্যায় হাঁটার জন্যও জায়গা ছিল, এখন তাও নেই।’

ঝালকাঠি পৌর এলাকা ও এর আশেপাশের প্রাকৃতিক সৌন্দর্য কাজে লাগিয়ে শিশুপার্ক তৈরি হলে শিশুরা একঘেয়েমী জীবনযাপন থেকে মুক্তি পেতো। কিন্তু পরিকল্পনার অভাব ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের উদাসীনতায় সেই সম্ভাবনা অন্ধকারেই থেকে যাচ্ছে। শিশুপার্ক নির্মাণে সরকারি উদ্যোগ থাকাটা জরুরি বলে মনে করেন পৌরবাসী। এ বিষয়ে পৌর নাগরিকরা জেলা প্রশাসন ও পৌরসভা কর্তৃপক্ষকেই দুষছেন। অনেকে বলছেন, ‘ঝালকাঠি শুধু নদী-খাল আর প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের জন্যই নয়, বরং মানুষের জীবনমান ও সংস্কৃতির জন্যও পরিচিত হতে পারে, যদি বিনোদনের সুযোগ তৈরি হয়। এখন সময় এসেছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ ও নাগরিকদের একসাথে উদ্যোগ নিয়ে ঝালকাঠিকে বিনোদনের মরূভূমি থেকে মুক্ত করার।’

 


মন্তব্য করুন:

সম্পর্কিত খবর