বৃহঃস্পতিবার, ২৩শে এপ্রিল ২০২৬, ১০ই বৈশাখ ১৪৩৩ | ই-পেপার
ব্রেকিং নিউজ:
  • সারাদেশে উপজেলা প্রতিনিধি নিয়োগ করা হচ্ছে। আগ্রহী হলে আপনার সিভি ই-মেইল করতে পারেন। ই-মেইল nagorikdesk@gmail.com
সংবাদ শিরোনাম:
  • সংবিধানের দোহাই আর নয়, আমরা ফ্যাসিবাদের দাফন করতে চাই
  • গুম-খুনের ব্যাপারে ট্রাইব্যুনাল সহায়তা চাইলে করা হবে : র‍্যাব ডিজি
  • ইসরায়েলের আবাসিক ভবনে ইরানি ক্ষেপণাস্ত্রের আঘাত, ২ জন নিহত
  • বিধ্বস্ত বিমানের দ্বিতীয় ক্রু উদ্ধার, তবে ইরান থেকে বের হতে পারেনি এখনো
  • ঢাকায় যুক্তরাজ্যের বাণিজ্য দূত
  • প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বেসরকারি খাত উপদেষ্টা পরিষদের প্রথম বৈঠক অনুষ্ঠিত
  • বাসা-বাড়িতে লাইট-ফ্যান ব্যবহারে নিষেধাজ্ঞার খবর ভুয়া : বিএনপি
  • ইসরায়েল-যুক্তরাষ্ট্রের জন্য ‘বড় চমক’ আছে, সতর্কতা ইরানের
  • কলকাতায় হামলার হুমকি পাকিস্তানের প্রতিরক্ষামন্ত্রীর
  • আমেরিকা-চীন-রাশিয়া: পররাষ্ট্রনীতিতে কোনদিকে ঝুঁকছে বাংলাদেশ?

ডিমের সাদা অংশ না কুসুম, কোনটি বেশি উপকারী?

অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশিত:
৮ অক্টোবর ২০২৫, ১৬:৩৯

ডিম আমাদের দৈনন্দিন খাদ্যতালিকার অন্যতম সহজলভ্য ও পুষ্টিকর খাবার। এটি প্রোটিনের উৎকৃষ্ট উৎস এবং শরীরের আমিষের চাহিদা পূরণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। বিশেষজ্ঞদের মতে, ডিম একটি আদর্শ খাবার যা একসঙ্গে প্রোটিন, ভিটামিন ও মিনারেল সরবরাহ করে।  

তবে অনেকের মনে প্রশ্ন থাকে, ডিম কুসুমসহ খাবেন নাকি শুধু সাদা অংশ? চিকিৎসকদের মতে, এটি নির্ভর করে ব্যক্তির শারীরিক অবস্থা ও পুষ্টি চাহিদার ওপর।

একটি ডিমে সাধারণত দুই-তৃতীয়াংশ সাদা অংশ ও এক-তৃতীয়াংশ কুসুম থাকে। সাদা অংশে থাকে উচ্চ মানের প্রোটিন, আর কুসুমে থাকে স্বাস্থ্যকর ফ্যাট, কোলেস্টেরল, ও বিভিন্ন ভিটামিন-মিনারেল যেমন, ভিটামিন এ, ডি, ই, কে, ফলেট, ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিড, লুটেইন ও জিয়াজেন্থিন।

ডিমের কুসুম নিয়ে ভুল ধারণা

অনেকে মনে করেন, কুসুম খেলে কোলেস্টেরল বেড়ে যায়। বাস্তবে, ডিমের কুসুমে থাকা কোলেস্টেরল শরীরের “ভালো কোলেস্টেরল” (HDL), যা হৃদযন্ত্রের জন্য উপকারী। এতে থাকা স্বাস্থ্যকর ফ্যাট ও পুষ্টি উপাদান শরীরের বিভিন্ন কার্যক্রমে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

ডিমের সাদা অংশের উপকারিতা

ওজন নিয়ন্ত্রণে সহায়তা করে: এতে ক্যালরি কম থাকায় ওজন কমাতে সাহায্য করে।

কোলেস্টেরলমুক্ত: যাদের উচ্চ কোলেস্টেরল সমস্যা রয়েছে, তারা নির্ভয়ে সাদা অংশ খেতে পারেন।

উচ্চ প্রোটিন: শরীরের পেশি গঠনে সহায়ক।

ডিমের কুসুমের উপকারিতা

উচ্চ ক্যালরি ও পুষ্টি: এতে ভিটামিন ও মিনারেলের পাশাপাশি ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিড থাকে, যা শরীরের সামগ্রিক পুষ্টি নিশ্চিত করে।

হৃদযন্ত্রের জন্য ভালো: এতে থাকা পলি ও মনোস্যাচুরেটেড ফ্যাট হৃদযন্ত্রকে সুস্থ রাখে।

চোখের জন্য উপকারী: লুটেইন ও জিয়াজেন্থিন চোখের দৃষ্টিশক্তি ভালো রাখতে সাহায্য করে।

কীভাবে খাবেন

সুস্থ মানুষ প্রতিদিন একটি পুরো ডিম (সাদা ও কুসুমসহ) খেতে পারেন। তবে যাদের উচ্চ কোলেস্টেরল, ডায়াবেটিস বা হৃদরোগের সমস্যা আছে, তাদের ক্ষেত্রে চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে ডিমের কুসুমের পরিমাণ সীমিত রাখা উচিত।

সবশেষে বলা যায়, ডিমের সাদা অংশ ও কুসুম দুটিই শরীরের জন্য উপকারী। শুধু জানা দরকার, কোন অংশ কতটা এবং কীভাবে খেলে শরীরের জন্য তা সবচেয়ে ভালো হয়।

চাইলে আমি এটিকে অনলাইন নিউজ পোর্টালের উপযোগীভাবে শিরোনাম, ইনট্রো ও সাবহেডিংসহ প্রকাশযোগ্য ফরম্যাটে সাজিয়ে দিতে পারি। করতে চাইলে বলবেন?

 


মন্তব্য করুন:

সম্পর্কিত খবর