শনিবার, ৭ই মার্চ ২০২৬, ২৩শে ফাল্গুন ১৪৩২ | ই-পেপার
ব্রেকিং নিউজ:
  • সারাদেশে উপজেলা প্রতিনিধি নিয়োগ করা হচ্ছে। আগ্রহী হলে আপনার সিভি ই-মেইল করতে পারেন। ই-মেইল nagorikdesk@gmail.com
সংবাদ শিরোনাম:
  • দীর্ঘস্থায়ী যুদ্ধে ইরানই সুবিধাজনক অবস্থানে থাকতে পারে: বিশ্লেষক
  • ব্যাংক একীভূতকরণের উদ্যোগ চলমান রাখার বার্তা গভর্নরের
  • ইসরায়েল-মার্কিন যৌথ হামলায় ইরানে নিহত বেড়ে ৫৫৫
  • আসিফ মাহমুদের ব্যাংক হিসাব তলব
  • অপরাধ দমনে আরও বেশি সক্রিয় পুলিশ
  • ঢাকার আইসিইউয়ে ওষুধ-প্রতিরোধী ছত্রাক ‘সুপারবাগ’ ছড়িয়ে পড়েছে
  • ভূমি প্রতিমন্ত্রী অফিসে গিয়ে দেখেন কর্মকর্তারা কেউ আসেননি
  • রাজধানীতে নারীদের জন্য আলাদা বাস চালুর নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর
  • আন্তর্জাতিক আইন লঙ্ঘন করে খামেনিকে হত্যা, বিবৃতিতে বাংলাদেশ
  • মঙ্গলবার থেকে মিলবে ঈদযাত্রায় ট্রেনের টিকিট

আখাউড়ায় টাইফয়েড টিকাদান ক্যাম্পেইনের উদ্বোধন

মো সাইফুল ইসলাম, আখাউড়া ( ব্রাহ্মণবাড়িয়া)

প্রকাশিত:
১২ অক্টোবর ২০২৫, ১৩:১৯

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়ায় টাইফয়েড টিকাদান ক্যাম্পেইনের উদ্বোধন হয়েছে। রোববার (১২ অক্টোবর) সকালে আখাউড়া ক্যামব্রিয়ান স্কুল অ্যান্ড কলেজে প্রধান অতিথি হিসেবে ক্যাম্পেইনের উদ্বোধন করেন উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মোঃ হিমেল খান।

উদ্বোধন কালে উপস্থিত ছিলেন আখাউড়া ক্যামব্রিয়ান স্কুল অ্যান্ড কলেজের প্রিন্সিপাল মোঃ আব্দুর রাজ্জাক হাজারী, আখাউড়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোঃ ছমির উদ্দিন, উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা শাহ ইলিয়াস উদ্দিন, উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা শিরিন আক্তার, স্বাস্থ্য পরিদর্শক ইনচার্জ মোশাররফ হোসেন, মেডিকেল টেকনোলজিস্ট (ইপিআই) নাজমুল হক, আখাউড়া প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক মোঃ ফজলে রাব্বি প্রমুখ।

উপজেলা স্বাস্থ্য বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, এ ক্যাম্পেইনে মোট ৫৪ হাজার ৩৯০ জন শিশুকে টাইফয়েডের টিকা দেওয়ার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। এর মধ্যে স্কুলভিত্তিক টিকাদান হবে ৩৮ হাজার ৭১১ জনকে এবং কমিউনিটি পর্যায়ে টিকা দেওয়া হবে ১৫ হাজার ৬৭৯ জনকে।

স্কুল, মাদ্রাসা ও কিন্ডারগার্টেনে ২০১টি টিকাদান কেন্দ্র স্থাপন করা হয়েছে, যা ১ম থেকে ১০ম দিন পর্যন্ত চলবে। এছাড়া অস্থায়ী ১২০টি টিকাদান কেন্দ্র চলবে ৮ দিন, আর একটি স্থায়ী টিকাদান কেন্দ্র চলবে ১৮ দিনব্যাপী।

উপজেলা স্বাস্থ্য বিভাগ জানায়, এই ক্যাম্পেইনের মাধ্যমে শিশুদের টাইফয়েড প্রতিরোধে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে এবং স্থানীয় জনগণের মধ্যে স্বাস্থ্য সচেতনতা বৃদ্ধি পাবে বলে আশা করা হচ্ছে।

 


মন্তব্য করুন:

সম্পর্কিত খবর