শুক্রবার, ২৪শে এপ্রিল ২০২৬, ১০ই বৈশাখ ১৪৩৩ | ই-পেপার
ব্রেকিং নিউজ:
  • সারাদেশে উপজেলা প্রতিনিধি নিয়োগ করা হচ্ছে। আগ্রহী হলে আপনার সিভি ই-মেইল করতে পারেন। ই-মেইল nagorikdesk@gmail.com
সংবাদ শিরোনাম:
  • সংবিধানের দোহাই আর নয়, আমরা ফ্যাসিবাদের দাফন করতে চাই
  • গুম-খুনের ব্যাপারে ট্রাইব্যুনাল সহায়তা চাইলে করা হবে : র‍্যাব ডিজি
  • ইসরায়েলের আবাসিক ভবনে ইরানি ক্ষেপণাস্ত্রের আঘাত, ২ জন নিহত
  • বিধ্বস্ত বিমানের দ্বিতীয় ক্রু উদ্ধার, তবে ইরান থেকে বের হতে পারেনি এখনো
  • ঢাকায় যুক্তরাজ্যের বাণিজ্য দূত
  • প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বেসরকারি খাত উপদেষ্টা পরিষদের প্রথম বৈঠক অনুষ্ঠিত
  • বাসা-বাড়িতে লাইট-ফ্যান ব্যবহারে নিষেধাজ্ঞার খবর ভুয়া : বিএনপি
  • ইসরায়েল-যুক্তরাষ্ট্রের জন্য ‘বড় চমক’ আছে, সতর্কতা ইরানের
  • কলকাতায় হামলার হুমকি পাকিস্তানের প্রতিরক্ষামন্ত্রীর
  • আমেরিকা-চীন-রাশিয়া: পররাষ্ট্রনীতিতে কোনদিকে ঝুঁকছে বাংলাদেশ?

গাজায় নতুন সশস্ত্র গোষ্ঠীর উত্থান, হামাসের সাথে সংঘর্ষে নিহত ৩২

অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশিত:
১৪ অক্টোবর ২০২৫, ১৫:৫৯

ফিলিস্তিনের গাজা উপত্যকায় দগমোশ নামে একটি নতুন সশস্ত্র গোষ্ঠীর উত্থান হয়েছে, যা উপত্যকা নিয়ন্ত্রণকারী হামাসের সঙ্গে তীব্র সংঘাতে জড়িয়ে পড়েছে। ইসরায়েল কর্তৃক যুদ্ধবিরতি ঘোষণার পর গাজা সিটিতে হামাস ও দগমোশ গোষ্ঠীর মধ্যে সংঘর্ষে এখন পর্যন্ত  গোষ্ঠীটির ৩২ জনসহ মোট ৩৮ জন নিহত হয়েছেন। খবর বার্তা সংস্থা রয়টার্সের। 

সোমবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশিত এক ভিডিওতে দেখা যায়, হামাসের সশস্ত্র যোদ্ধারা ৭ জন মানুষকে সড়কে গুলি করে হত্যা করছে। সেখানে উপস্থিত কিছু বেসামরিক ফিলিস্তিনি এই নিহতদের ইসরায়েলি বাহিনীর সহযোগী বলে অভিহিত করে হামাসকে সমর্থন জানায়। নিহত এই ব্যক্তিরা দগমোশ গোষ্ঠীর সদস্য বলে ধারণা করা হচ্ছে।

যুদ্ধবিরতির পর হামাসের সামরিক শাখা আল কাসাম ব্রিগেড অস্থায়ী পুলিশের ভূমিকা পালন করছে। যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পও গাজার আইনশৃঙ্খলা রক্ষার জন্য কিছু সময়ের জন্য হামাসকে অনুমোদন দিয়েছেন বলে জানিয়েছেন।

উল্লেখ্য গাজা এক সময় ফিলিস্তিনের বৃহত্তম রাজনৈতিক দল ফাতাহ এবং প্যালেস্টাইন অথরিটির (পিএ) অধীনে ছিল। ২০০৬ সালের নির্বাচনে জয়ী হওয়ার পর ফাতাহ ও পিএকে বিতাড়িত করে হামাস গাজার নিয়ন্ত্রণ নেয়। এরপর আর গাজায় নির্বাচন হয়নি। কঠোর নিয়ন্ত্রণবাদী শাসনের কারণে এতদিন হামাসবিরোধীরা মাথাচাড়া দিতে পারেনি।

চলতি বছরের শুরুর দিকে ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু ইঙ্গিত দিয়েছিলেন যে, গাজায় হামাসের বিরুদ্ধে ইসরায়েলি সেনাদের পাশাপাশি হামাসবিরোধী কয়েকটি গোষ্ঠীও লড়াই করছে। তিনি আরও উল্লেখ করেন যে, ইসরায়েল এই গোষ্ঠীগুলোকে অর্থ ও অস্ত্র সহায়তা দিচ্ছে। যদিও নেতানিয়াহু কোনো নির্দিষ্ট গোষ্ঠীর নাম বলেননি, ধারণা করা হচ্ছে তিনি গাজার সবচেয়ে বড় হামাসবিরোধী গোষ্ঠী দগমোশকে ইঙ্গিত করেছিলেন।

দগমোশ গোষ্ঠীর অন্যতম সংগঠক হুসাম আল-আস্তাল এক ভিডিওবার্তায় বলেছেন, হামাস আর কোনো দিন গাজার ক্ষমতায় ফিরতে পারবে না। তাদের সময় শেষ হয়ে গেছে।

এদিকে গোষ্ঠীটি ইসরায়েলের সহায়তাপুষ্ট হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। কেননা দগমোশ গোষ্ঠীর শীর্ষ নেতা ইয়াসের আবু শাবাবকে নিরাপত্তা দিতে রাফা থেকে সেনা প্রত্যাহার করেনি ইসরায়েল।

 


মন্তব্য করুন:

সম্পর্কিত খবর