শনিবার, ৭ই মার্চ ২০২৬, ২৩শে ফাল্গুন ১৪৩২ | ই-পেপার
ব্রেকিং নিউজ:
  • সারাদেশে উপজেলা প্রতিনিধি নিয়োগ করা হচ্ছে। আগ্রহী হলে আপনার সিভি ই-মেইল করতে পারেন। ই-মেইল nagorikdesk@gmail.com
সংবাদ শিরোনাম:
  • দীর্ঘস্থায়ী যুদ্ধে ইরানই সুবিধাজনক অবস্থানে থাকতে পারে: বিশ্লেষক
  • ব্যাংক একীভূতকরণের উদ্যোগ চলমান রাখার বার্তা গভর্নরের
  • ইসরায়েল-মার্কিন যৌথ হামলায় ইরানে নিহত বেড়ে ৫৫৫
  • আসিফ মাহমুদের ব্যাংক হিসাব তলব
  • অপরাধ দমনে আরও বেশি সক্রিয় পুলিশ
  • ঢাকার আইসিইউয়ে ওষুধ-প্রতিরোধী ছত্রাক ‘সুপারবাগ’ ছড়িয়ে পড়েছে
  • ভূমি প্রতিমন্ত্রী অফিসে গিয়ে দেখেন কর্মকর্তারা কেউ আসেননি
  • রাজধানীতে নারীদের জন্য আলাদা বাস চালুর নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর
  • আন্তর্জাতিক আইন লঙ্ঘন করে খামেনিকে হত্যা, বিবৃতিতে বাংলাদেশ
  • মঙ্গলবার থেকে মিলবে ঈদযাত্রায় ট্রেনের টিকিট

পলাশে একজন সফল ক্রীড়া সংগঠক মাহবুব আলম প্রিন্স

বোরহান মেহেদী, পলাশ (নরসিংদী)

প্রকাশিত:
২২ অক্টোবর ২০২৫, ১৮:০৮

ক্রীড়াপ্রেমিক মাহাবুব আলম প্রিন্স। তিনি নিজেকে একজন ক্রীড়া সংগঠক হিসেবে পরিচয় দিতে স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করেন। যেখানে খেলাধুলা সেখানেই তার সরব উপস্তিতি। পলাশ উপজেলার সর্বত্র তাকে এক বাক্যে চেনেন প্রিন্স একজন ক্রীড়ামোদি মানুষ। প্রাথমিক বিদ্যালয় থেকে শুরু করে মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ের সকল ক্রীড়া পাগল শিক্ষার্থীদের কাছে ক্রীড়া ব্যাক্তিত্ব হিসাবে তার পরিচিতি আকাশচুম্বী।

বিগত ১০ বৎসর যাবত তিনি বিভিন্ন স্কুল কলেজের শিক্ষার্থীদের মাঝে কিক্রেট ও ফুটবল খেলার সামগ্রী উপহার হিসাবে দিয়ে যাচ্ছেন। তার উদ্দেশ্য একটাই তরুনরা যাতে নেশা পান থেকে বিরত থেকে নিজেদের খেলাধুলায় জড়িত রেখে ভালো মানুষ হিসেবে গড়ে উঠে এবং দেশের সেবায় মনোনিবেশ করে। তার স্লোগান একটাই, খেলা-ধুলায় যুবকরা ভালো থাকুক, পলাশে যুবকদের মাঝে জ্ঞানের বারুদ হয়ে পলাশ ফুল ফুটুক। তাছাড়া তিনি নিজ উদ্যোগে প্রতি সপ্তাহে শুক্র ও শনিবার বিভিন্নস্থানে খেলা-ধুলায় যুবকদের উৎসাহিত করে থাকেন।

প্রিন্স সেপ্টেম্বর ২০২৫ থেকে পলাশ উপজেলা ব্যাপি ১০ হাজার ফলজ বৃক্ষের চাড়া লাগানো কর্মসুচী হাতে নিয়েছেন। ইতিমধ্যেই তিনি তার নিজ গ্রামের বড় রাস্তার পাশে ১ হাজার চাড়া রোপন করেছেন। পর্যায়ক্রমে তিনি বিভিন্ন সামাজিক ক্লাব বা প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে এই কর্মসুচীতে আরো বেগবান করবেন বলে আশা করছেন। তিনি এই বৃক্ষ চাড়া রোপন কর্মসুচীতে প্রায় বিশ লাখ টাকার বাজেট খরচ করবেন বলেও জানান।

নরসিংদীর পলাশ উপজেলা চরসিন্দুরের চলনা গ্রামে মাহবুব আলম প্রিন্সের জন্মস্থান। তার বাবা- একজন বীর মুক্তিযোদ্ধা আবুল কাশেম বি.এসসি। মাতা-জ্যোৎনা বেগম। বড় বোন-শাহীনুর পারভীন মায়া। বড় ভাই- মাসুদ মিয়া। মেঝো ভাই- মাছুম রানা। বোন ২ জন মনি বেগম ও মাহিনুর বেগম মুক্তা। প্রিন্স পরিবারের সবার ছোট ছেলে। বাবা-মায়ের চতুর্থ সন্তান। প্রিন্স বিবাহিত জীবনে ২ কন্যা সন্তানের জনক। শহীদস্মৃতি কলেজ (চরসিন্দুর) থেকে এইচ এস সি শেষ করে ঢাকায় একটি প্রাইভেট ইউনিভার্সিটি থেকে বি বি এ সম্পন্ন করেছেন।

ব্যাক্তিগত ভাবে তিনি একজন কর্মবীর। নিত্যদিন জড়িয়ে রাখেন নিজেকে তাঁর নিজস্ব ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের কাজে। লেন্ড বিজনেস বা হোম ডেপলভমেন্ট ব্যবসায়। ব্যবসায়িক পরিচয়টাও তার খুব পরিছন্ন, সদালাপী ও বিনয়ী মানুষ হিসেবে।

মাহবুব আলম প্রিন্স একজন মুক্ত মনের সাদাসিদা চাল চলনের সদাহাস্য একজন গভীর আবেগি মানুষ। কথা প্রসঙ্গে তিনি জানান, আমার কোন উচ্চ আশা নেই। আমি জানি সব মানুষ এক রকম হয়না। দেশে পজেটিভ মানুষের চেয়ে ন্যাগেটিভের সংখ্যাই বেশি। আমি আমার লক্ষ্য নিয়ে কাজ করে যেতে চাই। খেলাধুলার মাধ্যমে ছোটরা সৎ মেধাবী হয়ে গড়ে উঠুক, ওরা অনেক বড় হউক। ওরা একদিন নতুন সমাজ বিনির্মাণের কারিগড় হয়ে দেশ গড়ুক। এটাই আমার বড় প্রাপ্তি হবে।

আর বৃক্ষ চাড়া রোপন করে যাচ্ছি এইসব চাড়া গাছও একদিন পথাচারীকে ছায়া দিবে, অপরদিকে ফল দিবে। মানুষের সামান্য উপকারে আসতে পারলে, নিজেকে আমি ধন্য মনে করবো। এটাই আমার ভালোবাসা, আমার আশা ও স্বপ্ন।




মন্তব্য করুন:

সম্পর্কিত খবর