বৃহঃস্পতিবার, ২৩শে এপ্রিল ২০২৬, ১০ই বৈশাখ ১৪৩৩ | ই-পেপার
ব্রেকিং নিউজ:
  • সারাদেশে উপজেলা প্রতিনিধি নিয়োগ করা হচ্ছে। আগ্রহী হলে আপনার সিভি ই-মেইল করতে পারেন। ই-মেইল nagorikdesk@gmail.com
সংবাদ শিরোনাম:
  • সংবিধানের দোহাই আর নয়, আমরা ফ্যাসিবাদের দাফন করতে চাই
  • গুম-খুনের ব্যাপারে ট্রাইব্যুনাল সহায়তা চাইলে করা হবে : র‍্যাব ডিজি
  • ইসরায়েলের আবাসিক ভবনে ইরানি ক্ষেপণাস্ত্রের আঘাত, ২ জন নিহত
  • বিধ্বস্ত বিমানের দ্বিতীয় ক্রু উদ্ধার, তবে ইরান থেকে বের হতে পারেনি এখনো
  • ঢাকায় যুক্তরাজ্যের বাণিজ্য দূত
  • প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বেসরকারি খাত উপদেষ্টা পরিষদের প্রথম বৈঠক অনুষ্ঠিত
  • বাসা-বাড়িতে লাইট-ফ্যান ব্যবহারে নিষেধাজ্ঞার খবর ভুয়া : বিএনপি
  • ইসরায়েল-যুক্তরাষ্ট্রের জন্য ‘বড় চমক’ আছে, সতর্কতা ইরানের
  • কলকাতায় হামলার হুমকি পাকিস্তানের প্রতিরক্ষামন্ত্রীর
  • আমেরিকা-চীন-রাশিয়া: পররাষ্ট্রনীতিতে কোনদিকে ঝুঁকছে বাংলাদেশ?

শিশুর জন্য কোন ডিম সবচেয়ে নিরাপদ ও পুষ্টিকর?

অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশিত:
২৯ অক্টোবর ২০২৫, ১৬:০০

বাচ্চার সঠিক শারীরিক ও মানসিক বিকাশে ডিম এক অনন্য খাদ্য। এতে থাকে প্রোটিন, আয়রন, ক্যালসিয়াম, কোলিন এবং নানা ভিটামিনযা মস্তিষ্ক, হাড় ও শরীরের উন্নতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। তবে সব ডিম একরকম নয়। কোন ডিম বাচ্চার জন্য সবচেয়ে উপযোগী, তা জানা জরুরি।

 
দেশি মুরগির ডিম

.বিশেষজ্ঞদের মতে, বাচ্চার জন্য সবচেয়ে নিরাপদ ও পুষ্টিকর হলো দেশি মুরগির ডিম।

.এতে প্রোটিন, ওমেগা-৩, কোলিন ও ক্যালসিয়াম প্রচুর পরিমাণে থাকে।

.কোনো হরমোন বা কেমিক্যাল ছাড়া প্রাকৃতিকভাবে উৎপাদিত হয়।

.নিয়মিত খেলে শিশুর মস্তিষ্কের বিকাশে সহায়তা করে এবং রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়।

উপযুক্ত বয়স: ৭ মাসের পর থেকে কুসুম দিয়ে শুরু করা উচিত; পরে সাদা অংশ যোগ করা যায়।

কোয়েলের ডিম

ছোট হলেও পুষ্টিতে ভরপুর কোয়েলের ডিমে থাকে আয়রন, ভিটামিন বি১২, জিঙ্ক ও সেলেনিয়াম। এটি হজমেও তুলনামূলক সহজ।
তবে প্রথমবার দেওয়ার সময় অল্প পরিমাণে দিতে হবে, কারণ কিছু শিশুর ক্ষেত্রে এলার্জির ঝুঁকি থাকতে পারে।

উপযুক্ত বয়স: ৮ মাসের পর সিদ্ধ করে কুসুম দিয়ে শুরু করুন।

ব্রয়লার মুরগির ডিম

বাজারে সহজলভ্য ও দামেও কম। একটি ব্রয়লার ডিমে প্রায় ১১ ধরনের খনিজ ও প্রায় ৪০ ক্যালরি শক্তি থাকে। তবে অনেক সময় হরমোন বা অ্যান্টিবায়োটিক ব্যবহারের কারণে এগুলো পুরোপুরি নিরাপদ নয়। রোদে কম থাকার কারণে এতে ভিটামিন-ডি’ও কম থাকে।

হাঁসের ডিম

হাঁসের ডিমে প্রোটিন বেশি থাকলেও কোলেস্টেরলের পরিমাণও বেশি। ফলে এটি ছোট বাচ্চার জন্য হজমে ভারি হতে পারে।

উপযুক্ত বয়স: ২ বছরের পর অল্প পরিমাণে দেওয়া যেতে পারে।

বিশেষ পরামর্শ

. শিশুকে সবসময় ভালোভাবে সিদ্ধ করা ডিম দিন।

. প্রথমবার অল্প পরিমাণে দিন এবং অন্তত ৩ দিন পর্যবেক্ষণ করুন, অ্যালার্জি হচ্ছে কি না।

. কুসুম দিয়ে শুরু করে ধীরে ধীরে সাদা অংশ দিন।

. পুষ্টি ও নিরাপত্তার দিক থেকে দেশি মুরগির ডিমই বাচ্চার জন্য সেরা।

 


মন্তব্য করুন:

সম্পর্কিত খবর