শনিবার, ৭ই মার্চ ২০২৬, ২৩শে ফাল্গুন ১৪৩২ | ই-পেপার
ব্রেকিং নিউজ:
  • সারাদেশে উপজেলা প্রতিনিধি নিয়োগ করা হচ্ছে। আগ্রহী হলে আপনার সিভি ই-মেইল করতে পারেন। ই-মেইল nagorikdesk@gmail.com
সংবাদ শিরোনাম:
  • দীর্ঘস্থায়ী যুদ্ধে ইরানই সুবিধাজনক অবস্থানে থাকতে পারে: বিশ্লেষক
  • ব্যাংক একীভূতকরণের উদ্যোগ চলমান রাখার বার্তা গভর্নরের
  • ইসরায়েল-মার্কিন যৌথ হামলায় ইরানে নিহত বেড়ে ৫৫৫
  • আসিফ মাহমুদের ব্যাংক হিসাব তলব
  • অপরাধ দমনে আরও বেশি সক্রিয় পুলিশ
  • ঢাকার আইসিইউয়ে ওষুধ-প্রতিরোধী ছত্রাক ‘সুপারবাগ’ ছড়িয়ে পড়েছে
  • ভূমি প্রতিমন্ত্রী অফিসে গিয়ে দেখেন কর্মকর্তারা কেউ আসেননি
  • রাজধানীতে নারীদের জন্য আলাদা বাস চালুর নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর
  • আন্তর্জাতিক আইন লঙ্ঘন করে খামেনিকে হত্যা, বিবৃতিতে বাংলাদেশ
  • মঙ্গলবার থেকে মিলবে ঈদযাত্রায় ট্রেনের টিকিট

চট্টগ্রামে চাঁদা না দেয়ায় প্রতিপক্ষের ছুরিকাঘাতে নিহত-১

মো.মোক্তার হোসেন বাবু, চট্টগ্রাম

প্রকাশিত:
৯ নভেম্বর ২০২৫, ১৩:৫৪

চট্টগ্রাম মহানগরীতে চাঁদা না দেয়ায় জেরে প্রতিপক্ষের ছুরিকাঘাতে মো. আকবর (৩৫) নামে এক যুবক নিহত হয়েছেন। শুক্রবার রাত আনুমানিক ১০ টার দিকে হালিশহর থানাধীন মাইজপাড়ায় এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। নিহত আকবর ওই এলাকার মো. আব্দুর রহমানের ছেলে। তার স্ত্রী ও তিন সন্তান আছে। তিনি স্ক্র্যাপের দোকানে চাকরি করতেন বলে জানা গেছে।

নিহতের ভাই মারুফ জানান, শুক্রবার রাতে মোটরসাইকেলে চার থেকে পাঁচ জনের একদল দুর্বৃত্ত আমাদের বাসার সামনে এসে আমার ভাই আকবরকে এলোপাতাড়ি ছুরিকাঘাত করে পালিয়ে যায়। সেখানে আরও লোকজন থাকলেও ভয়ে কেউ এগিয়ে আসেনি। পরে তাকে গুরুতর আহত অবস্থায় উদ্ধার করে চমেক হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ নুরুল আলম আশেক জানান, হালিশহর এলাকা থেকে ছুরিকাঘাতে আহত এক যুবককে আনা হয়। জরুরি বিভাগের চিকিৎসক পরীক্ষা নিরীক্ষা করে তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

এদিকে নিহতের বড় বোন জোসনা বেগম সাংবাদিকদের কাছে দাবি করেছেন, স্ক্র্যাপের দোকানে চাকরির পাশাপাশি তার ভাই আকবর এলাকায় একটি ক্ষুদ্র সমবায় সমিতি পরিচালনা করতেন। সেখানে এলাকার লোকজন টাকা জমা রাখতেন, আবার ক্ষুদ্রঋণও দেওয়া হতো। হালিশহর আবাসিক এলাকার বি-ব্লকের বাসিন্দা মীর কাশেম,সোহেল,সালমান,আজিজসহ বেশ কয়েকজন যুবক আকবরের কাছে ওই সমিতি থেকে চাঁদা দাবি করেছিলেন। চাঁদা দেবে না বলায় তাকে খুন করা হয়েছে বলে জোসনার ভাষ্য। স্থানীয় সূত্রে আরও জানা যায়,মীর কাশেম এর আগেও তিনটি হত্যাকান্ডের সাথে জড়িত। গোপনসূত্রে জানা যায়, মীর কাশেম,সালমান,সোহেল,আজিজসহ এরা হালিশহর থানার নাকের ডগায় প্রকাশ্যে মাদক কারাবারির সাথে জড়িত থাকলেও প্রশাসন কোন আইনি ব্যবস্থা নেইনি। উক্ত বিষয়ে হালিশহর থানার সাথে একাধিকবার যোগাযোগ করা হলেও তাদের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।


মন্তব্য করুন:

সম্পর্কিত খবর