বৃহঃস্পতিবার, ২৩শে এপ্রিল ২০২৬, ১০ই বৈশাখ ১৪৩৩ | ই-পেপার
ব্রেকিং নিউজ:
  • সারাদেশে উপজেলা প্রতিনিধি নিয়োগ করা হচ্ছে। আগ্রহী হলে আপনার সিভি ই-মেইল করতে পারেন। ই-মেইল nagorikdesk@gmail.com
সংবাদ শিরোনাম:
  • সংবিধানের দোহাই আর নয়, আমরা ফ্যাসিবাদের দাফন করতে চাই
  • গুম-খুনের ব্যাপারে ট্রাইব্যুনাল সহায়তা চাইলে করা হবে : র‍্যাব ডিজি
  • ইসরায়েলের আবাসিক ভবনে ইরানি ক্ষেপণাস্ত্রের আঘাত, ২ জন নিহত
  • বিধ্বস্ত বিমানের দ্বিতীয় ক্রু উদ্ধার, তবে ইরান থেকে বের হতে পারেনি এখনো
  • ঢাকায় যুক্তরাজ্যের বাণিজ্য দূত
  • প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বেসরকারি খাত উপদেষ্টা পরিষদের প্রথম বৈঠক অনুষ্ঠিত
  • বাসা-বাড়িতে লাইট-ফ্যান ব্যবহারে নিষেধাজ্ঞার খবর ভুয়া : বিএনপি
  • ইসরায়েল-যুক্তরাষ্ট্রের জন্য ‘বড় চমক’ আছে, সতর্কতা ইরানের
  • কলকাতায় হামলার হুমকি পাকিস্তানের প্রতিরক্ষামন্ত্রীর
  • আমেরিকা-চীন-রাশিয়া: পররাষ্ট্রনীতিতে কোনদিকে ঝুঁকছে বাংলাদেশ?

চট্টগ্রামে চাঁদা না দেয়ায় প্রতিপক্ষের ছুরিকাঘাতে নিহত-১

মো.মোক্তার হোসেন বাবু, চট্টগ্রাম

প্রকাশিত:
৯ নভেম্বর ২০২৫, ১৩:৫৪

চট্টগ্রাম মহানগরীতে চাঁদা না দেয়ায় জেরে প্রতিপক্ষের ছুরিকাঘাতে মো. আকবর (৩৫) নামে এক যুবক নিহত হয়েছেন। শুক্রবার রাত আনুমানিক ১০ টার দিকে হালিশহর থানাধীন মাইজপাড়ায় এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। নিহত আকবর ওই এলাকার মো. আব্দুর রহমানের ছেলে। তার স্ত্রী ও তিন সন্তান আছে। তিনি স্ক্র্যাপের দোকানে চাকরি করতেন বলে জানা গেছে।

নিহতের ভাই মারুফ জানান, শুক্রবার রাতে মোটরসাইকেলে চার থেকে পাঁচ জনের একদল দুর্বৃত্ত আমাদের বাসার সামনে এসে আমার ভাই আকবরকে এলোপাতাড়ি ছুরিকাঘাত করে পালিয়ে যায়। সেখানে আরও লোকজন থাকলেও ভয়ে কেউ এগিয়ে আসেনি। পরে তাকে গুরুতর আহত অবস্থায় উদ্ধার করে চমেক হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ নুরুল আলম আশেক জানান, হালিশহর এলাকা থেকে ছুরিকাঘাতে আহত এক যুবককে আনা হয়। জরুরি বিভাগের চিকিৎসক পরীক্ষা নিরীক্ষা করে তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

এদিকে নিহতের বড় বোন জোসনা বেগম সাংবাদিকদের কাছে দাবি করেছেন, স্ক্র্যাপের দোকানে চাকরির পাশাপাশি তার ভাই আকবর এলাকায় একটি ক্ষুদ্র সমবায় সমিতি পরিচালনা করতেন। সেখানে এলাকার লোকজন টাকা জমা রাখতেন, আবার ক্ষুদ্রঋণও দেওয়া হতো। হালিশহর আবাসিক এলাকার বি-ব্লকের বাসিন্দা মীর কাশেম,সোহেল,সালমান,আজিজসহ বেশ কয়েকজন যুবক আকবরের কাছে ওই সমিতি থেকে চাঁদা দাবি করেছিলেন। চাঁদা দেবে না বলায় তাকে খুন করা হয়েছে বলে জোসনার ভাষ্য। স্থানীয় সূত্রে আরও জানা যায়,মীর কাশেম এর আগেও তিনটি হত্যাকান্ডের সাথে জড়িত। গোপনসূত্রে জানা যায়, মীর কাশেম,সালমান,সোহেল,আজিজসহ এরা হালিশহর থানার নাকের ডগায় প্রকাশ্যে মাদক কারাবারির সাথে জড়িত থাকলেও প্রশাসন কোন আইনি ব্যবস্থা নেইনি। উক্ত বিষয়ে হালিশহর থানার সাথে একাধিকবার যোগাযোগ করা হলেও তাদের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।


মন্তব্য করুন:

সম্পর্কিত খবর