শুক্রবার, ২৪শে এপ্রিল ২০২৬, ১০ই বৈশাখ ১৪৩৩ | ই-পেপার
ব্রেকিং নিউজ:
  • সারাদেশে উপজেলা প্রতিনিধি নিয়োগ করা হচ্ছে। আগ্রহী হলে আপনার সিভি ই-মেইল করতে পারেন। ই-মেইল nagorikdesk@gmail.com
সংবাদ শিরোনাম:
  • সংবিধানের দোহাই আর নয়, আমরা ফ্যাসিবাদের দাফন করতে চাই
  • গুম-খুনের ব্যাপারে ট্রাইব্যুনাল সহায়তা চাইলে করা হবে : র‍্যাব ডিজি
  • ইসরায়েলের আবাসিক ভবনে ইরানি ক্ষেপণাস্ত্রের আঘাত, ২ জন নিহত
  • বিধ্বস্ত বিমানের দ্বিতীয় ক্রু উদ্ধার, তবে ইরান থেকে বের হতে পারেনি এখনো
  • ঢাকায় যুক্তরাজ্যের বাণিজ্য দূত
  • প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বেসরকারি খাত উপদেষ্টা পরিষদের প্রথম বৈঠক অনুষ্ঠিত
  • বাসা-বাড়িতে লাইট-ফ্যান ব্যবহারে নিষেধাজ্ঞার খবর ভুয়া : বিএনপি
  • ইসরায়েল-যুক্তরাষ্ট্রের জন্য ‘বড় চমক’ আছে, সতর্কতা ইরানের
  • কলকাতায় হামলার হুমকি পাকিস্তানের প্রতিরক্ষামন্ত্রীর
  • আমেরিকা-চীন-রাশিয়া: পররাষ্ট্রনীতিতে কোনদিকে ঝুঁকছে বাংলাদেশ?

অতীশ দীপঙ্কর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাবর্তন অনুষ্ঠিত

প্রেস রিলিজ

প্রকাশিত:
৬ ডিসেম্বর ২০২৫, ১৮:৫৫

অতীশ দীপঙ্কর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় এর সমাবর্তন ০৬ ডিসেম্বর ২০২৫ শনিবার অনুষ্ঠিত হয়েছে। ঢাকার বাংলাদেশ চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে সমাবর্তনে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ^বিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশনের চেয়ারম্যান প্রফেসর ড. এস. এম. এ. ফায়েজ।

সমাবর্তন বক্তা হিসেবে বক্তব্য প্রদান করেন সাবেক শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ড. আনম এহসানুল হক মিলন। বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশনের সদস্য প্রফেসর ড. মোহাম্মদ আনোয়ার হোসেন। এছাড়া অতীশ দীপঙ্কর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় বোর্ড অব ট্রাস্টিজের চেয়ারম্যান এম. শামসুল আলম লিটন এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোঃ জাহাঙ্গীর আলম বক্তব্য রাখেন। অনুষ্ঠানে আমন্ত্রিত অভিভাবক, শিক্ষাবিদ, লেখক, সাংবাদিক, বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রাস্টি বোর্ডের সদস্য এবং বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।

সমাবর্তনে প্রধান অতিথি প্রফেসর ড. এস. এম. এ. ফায়েজ তার বক্তব্যে বিশ^বিদ্যালয়ের গ্র্যাজুয়েটদের অভিনন্দন ও শুভকামনা জানান। তিনি বলেন, তোমরাই নতুন বাংলাদেশের কারিগর। জুলাই আন্দোলনে তোমাদের আত্মত্যাগের মধ্য দিয়ে আমরা পেয়েছি নতুন বাংলাদেশ। তিনি আরোও বলেন, বিশ^বিদ্যালয়ের কাজ হলো জ্ঞান ও উদ্ভাবনকে সমৃদ্ধ করা। আমাদের এ প্রচেষ্টা চালিয়ে যেতে হবে। এক্ষেত্রে বিশ^বিদ্যালয়ের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের একসাথে এগিয়ে আসতে হবে।

সমাবর্তন বক্তা সাবেক শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ড. আনম এহসানুল হক মিলন সদ্য গ্রাজুয়েটদের উদ্দেশে বলেন, ‘‘আপনাদের কয়েক বছরের মেধা ও পরিশ্রমের বিনিময়ে আপানার গ্রাজুয়েট সম্মান অর্জন করেছেন। কিন্তু এটা শেষ নয় বরং শুরু। আপনারা আজ থেকে এমন এক বিশ্বে পা রাখছেন যা আগের যে কোন সময়ের তুলনায় অনেক বেশি এবং দ্রুত পরিবর্তিত হচ্ছে। আপনাদের সাফল্য নির্ভর করছে আপনাদের অব্যাহত প্রচেষ্টা, পরিশ্রম, সহনশীল আর পরিস্থিতির সঙ্গে খাপখাওয়ানোর সক্ষমতার ওপর।’’

বিশেষ অতিথি বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশনের সদস্য প্রফেসর ড. মোঃ আনোয়ার হোসেন বলেন, একাদশ শতকের মহান বাঙালি পন্ডিত অতীশ দীপঙ্করের নাম-যশ ও কর্মের যথাযথ প্রতিফল ঘটিয়ে এই বিশ্ববিদ্যালয় ভবিষ্যতের সমৃদ্ধ বাংলাদেশের উপযোগী নাগরিক গড়ে তুলতে ভূমিকা রাখবে। আর এজন্য শিক্ষার্থীদের একবিংশ শতাব্দীর চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় সক্ষম কারিকুলামের ওপর জোর দেন তিনি।

অতীশ দীপঙ্কর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় ট্রাস্টি বোর্ড এর চেয়ারম্যান শামসুল আলম লিটন গ্রাজুয়েটদের অভিনন্দন জানিয়ে বলেন, আজ আমাদের জন্য বিশেষ সম্মান ও গর্বের দিন। একই সাথে এটা আমাদের দায়িত্বশীলতা স্মরণ করিয়ে দেয়। তিনি বলেন, দেশে ৪০ লাখ উচ্চ শিক্ষিত বেকার থাকার বাস্তবতা আমরা অস্বীকার করতে পারি না। তাই অতীশ দীপঙ্কর বিশ্ববিদ্যালয় গুণগত ও যুগোপযোগী শিক্ষার পাশাপাশি বিশেষ দক্ষতা অর্জনের ওপর বিশেষ গুরুত্ব দিয়েছে। ইতোমধ্যে স্কিলস ডেভেলপমেন্ট ইন্সটিটিউট এসডিআই প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে। এর মাধ্যমে বাস্তব যোগ্যতা, ডিজিটাল দক্ষতা ও ভোকেশনাল অভিজ্ঞতা অর্জনের সুযোগ পাচ্ছে আমাদের শিক্ষার্থীরা। আমাদের উদ্দেশ্য পরিস্কার, তারুণ্যে বিনিয়োগ। আমরা বলি তরুণদের শিক্ষায় বিনিয়োগ তাদের নিজেদের এবং দেশের সমৃদ্ধির মূল নিয়ামক।

বিশ্ববিদ্যালয়ের চ্যান্সেলর মহামান্য রাষ্ট্রপতি এর পক্ষ থেকে তার প্রতিনিধি হিসেবে ইউজিসি’র চেয়ারম্যান প্রফেসর ড. এস. এম. এ. ফায়েজ গ্রাজুয়েট ও মাস্টার্স ডিগ্রি প্রদান ছাড়াও ২৭ জন শিক্ষার্থীকে বিশেষ অ্যওয়ার্ড প্রদান করেন। এরমধ্যে ৬ জন চ্যান্সেলর’স অ্যাওয়ার্ড, ৫ জন বিওটি চেয়ারম্যান’স অ্যাওয়ার্ড এবং ১৬জন শিক্ষার্থীকে দেয়া হয় ভাইস চ্যান্সেলর’স অ্যাওয়ার্ড। ইউজিসি’র চেয়ারম্যান শিক্ষার্থীদের হাতে সার্টিফিকেট ও মেডেল তুলে দেন। এবারের সমাবর্তনে সর্বমোট ২ হাজার ৩২৬ জন শিক্ষার্থীকে গ্রাজুয়েশন ডিগ্রী প্রদান করা হয়।

পরে মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ও বিশেষ লেজার শো অনুষ্ঠিত হয়।


মন্তব্য করুন:

সম্পর্কিত খবর