শুক্রবার, ২৪শে এপ্রিল ২০২৬, ১০ই বৈশাখ ১৪৩৩ | ই-পেপার
ব্রেকিং নিউজ:
  • সারাদেশে উপজেলা প্রতিনিধি নিয়োগ করা হচ্ছে। আগ্রহী হলে আপনার সিভি ই-মেইল করতে পারেন। ই-মেইল nagorikdesk@gmail.com
সংবাদ শিরোনাম:
  • সংবিধানের দোহাই আর নয়, আমরা ফ্যাসিবাদের দাফন করতে চাই
  • গুম-খুনের ব্যাপারে ট্রাইব্যুনাল সহায়তা চাইলে করা হবে : র‍্যাব ডিজি
  • ইসরায়েলের আবাসিক ভবনে ইরানি ক্ষেপণাস্ত্রের আঘাত, ২ জন নিহত
  • বিধ্বস্ত বিমানের দ্বিতীয় ক্রু উদ্ধার, তবে ইরান থেকে বের হতে পারেনি এখনো
  • ঢাকায় যুক্তরাজ্যের বাণিজ্য দূত
  • প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বেসরকারি খাত উপদেষ্টা পরিষদের প্রথম বৈঠক অনুষ্ঠিত
  • বাসা-বাড়িতে লাইট-ফ্যান ব্যবহারে নিষেধাজ্ঞার খবর ভুয়া : বিএনপি
  • ইসরায়েল-যুক্তরাষ্ট্রের জন্য ‘বড় চমক’ আছে, সতর্কতা ইরানের
  • কলকাতায় হামলার হুমকি পাকিস্তানের প্রতিরক্ষামন্ত্রীর
  • আমেরিকা-চীন-রাশিয়া: পররাষ্ট্রনীতিতে কোনদিকে ঝুঁকছে বাংলাদেশ?

কিডনিতে পাথর প্রতিরোধে এড়িয়ে চলুন এই ৭ অভ্যাস

অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশিত:
১০ ডিসেম্বর ২০২৫, ১৫:৩৪

কিডনিতে পাথর হয় মূলত যখন প্রস্রাবে থাকা কিছু খনিজ পদার্থ, যেমন ক্যালসিয়াম, অক্সালেট বা ইউরিক অ্যাসিড জমে গিয়ে শক্ত হয়ে যায়। এতে মূত্রে থাকা পানি এগুলোকে যথেষ্ট পরিমাণে ভাঙতে পারে না বলে জমাট বাঁধে। এই পাথর কিডনির ভিতরে বা বের হওয়ার পথে চলাচলের সময় তীব্র ব্যথা সৃষ্টি করতে পারে।

প্রতি ১১ জনে ১ জনের কিডনিতে পাথর হতে পারে। পুরুষদের এই সমস্যা হওয়ার সম্ভাবনা নারীদের চেয়ে দ্বিগুণ। তবে আশার কথা হলো, কিছু নিয়ম-কানুন মেনে চললে এর প্রতিরোধ সম্ভব এবং এ রোগের ভালো চিকিৎসাও আছে।

দৈনন্দিন জীবনে আমাদের বিভিন্ন অভ্যাস রয়েছে, যেগুলো কখনো স্বাস্থ্যের জন্য ভালো আবার কিছু বাজে অভ্যাস শরীরের বিভিন্ন রোগ সৃষ্টি করতে পারে।

স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের মতে, নিচের সাতটি অভ্যাস কিডনিতে পাথর হওয়ার ঝুঁকি বাড়ায়


১. খালি পেটে চা–কফি পান

অনেকেই দিনের শুরু করেন চা বা কফি দিয়ে। খালি পেটে এসব পানীয়তে থাকা অক্সালেট কিডনিতে ক্যালসিয়ামের সঙ্গে যুক্ত হয়ে পাথর তৈরির ঝুঁকি বাড়ায়। তাই সকালে আগে পানি পান করে পরে হালকা কিছু খেয়ে চা–কফি গ্রহণ করা উচিত।

২. অতিরিক্ত প্রাণিজ প্রোটিন খাওয়া

গরু, খাসি, মুরগি বা মাছের মতো প্রাণিজ প্রোটিন বেশি খেলে প্রস্রাব অ্যাসিডিক হয়ে সাইট্রেট কমে যায়, যা পাথর গঠনে সহায়তা করে। তাই সপ্তাহে কয়েকদিন উদ্ভিজ্জ প্রোটিনের খাবার রাখার পরামর্শ দিচ্ছেন পুষ্টিবিদরা।

৩. নাস্তা বাদ দেওয়া

নিয়মিত নাস্তা না করলে প্রস্রাবে ক্যালসিয়ামের মাত্রা বাড়তে পারে। শরীর পর্যাপ্ত পুষ্টি না পেলে ইউরিক অ্যাসিডও বেড়ে যায়। ফলে পাথর হওয়ার ঝুঁকি বাড়ে।

৪. সারাদিন অল্প পানি পান

কম পানি পান করলে প্রস্রাব ঘন হয়ে ক্যালসিয়াম–অক্সালেট জমাট বাঁধার সম্ভাবনা থাকে। তাই দিনে ধারাবাহিকভাবে পানি পান করা এবং পানিতে লেবুর রস মেশানো কিডনি সুরক্ষায় কার্যকর।

৫. অতিরিক্ত অক্সালেটসমৃদ্ধ খাবার খাওয়া

পালং শাক, বিট বা বাদামে অক্সালেট বেশি থাকে। ক্যালসিয়াম ছাড়াই এসব খাবার বেশি খেলে পাথর তৈরি হতে পারে। তাই দই বা পনিরের মতো ক্যালসিয়ামযুক্ত খাবারের সঙ্গে এগুলো খাওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়।

৬. দীর্ঘ সময় প্রস্রাব চেপে রাখা

প্রস্রাব আটকে রাখলে মূত্রে জমা খনিজ পদার্থ বাড়তে থাকে, যা পাথর তৈরি করতে পারে। পাশাপাশি ইউরিনারি ইনফেকশনের ঝুঁকিও বাড়ে।

৭. চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া ক্যালসিয়াম সাপ্লিমেন্ট খাওয়া

খাবার থেকে পাওয়া ক্যালসিয়াম নিরাপদ হলেও সাপ্লিমেন্ট অতিরিক্ত খেলে কিডনিতে পাথর তৈরি হতে পারে। তাই সাপ্লিমেন্ট নেওয়ার আগে চিকিৎসকের পরামর্শ জরুরি।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, দৈনন্দিন ছোট অভ্যাসে সামান্য পরিবর্তন আনলেই কিডনিতে পাথরের ঝুঁকি উল্লেখযোগ্যভাবে কমানো সম্ভব।

 


মন্তব্য করুন:

সম্পর্কিত খবর