শনিবার, ৭ই মার্চ ২০২৬, ২৩শে ফাল্গুন ১৪৩২ | ই-পেপার
ব্রেকিং নিউজ:
  • সারাদেশে উপজেলা প্রতিনিধি নিয়োগ করা হচ্ছে। আগ্রহী হলে আপনার সিভি ই-মেইল করতে পারেন। ই-মেইল nagorikdesk@gmail.com
সংবাদ শিরোনাম:
  • দীর্ঘস্থায়ী যুদ্ধে ইরানই সুবিধাজনক অবস্থানে থাকতে পারে: বিশ্লেষক
  • ব্যাংক একীভূতকরণের উদ্যোগ চলমান রাখার বার্তা গভর্নরের
  • ইসরায়েল-মার্কিন যৌথ হামলায় ইরানে নিহত বেড়ে ৫৫৫
  • আসিফ মাহমুদের ব্যাংক হিসাব তলব
  • অপরাধ দমনে আরও বেশি সক্রিয় পুলিশ
  • ঢাকার আইসিইউয়ে ওষুধ-প্রতিরোধী ছত্রাক ‘সুপারবাগ’ ছড়িয়ে পড়েছে
  • ভূমি প্রতিমন্ত্রী অফিসে গিয়ে দেখেন কর্মকর্তারা কেউ আসেননি
  • রাজধানীতে নারীদের জন্য আলাদা বাস চালুর নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর
  • আন্তর্জাতিক আইন লঙ্ঘন করে খামেনিকে হত্যা, বিবৃতিতে বাংলাদেশ
  • মঙ্গলবার থেকে মিলবে ঈদযাত্রায় ট্রেনের টিকিট

শীতে অ্যাজমা বাড়ে ৪ কারণে

অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশিত:
১৪ ডিসেম্বর ২০২৫, ১৬:০৪

শীতের হালকা পরশ পড়তেই অ্যাজমা বা হাঁপানির উপসর্গ বেড়ে যায়, যা রোগীদের জন্য বেশ চ্যালেঞ্জিং হয়ে ওঠে। হাঁচি-কাশির এই মৌসুমে ঠাণ্ডা বাতাস ও ঘরের ভেতরের (ইনডোর) অ্যালার্জেনের কারণে অনেক অ্যাজমা রোগীকে ভুগতে হয় বাড়তি সমস্যায়।

চিকিৎসকেরা বলছেন, সঠিক সতর্কতা না নিলে শীতকাল অ্যাজমার জন্য বেশ কঠিন হতে পারে।

হেলথ ম্যাটারের তথ্য অনুযায়ী, প্রতি বছর প্রায় ৯.৮ মিলিয়ন মানুষ অ্যাজমার কারণে চিকিৎসকের শরণাপন্ন হন।

কোম্বিয়া ইউনিভার্সিটি ইরভিং মেডিক্যাল সেন্টারের অ্যালার্জিস্ট ও ইমিউনোলজিস্ট ডা. স্টিফেন ক্যানফিল্ড জানিয়েছেন, শীতের ঠান্ডা ও শুষ্ক বাতাস অ্যাজমার উপসর্গকে উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়িয়ে দেয়।

তিনি বলেন, এ সময় ফ্লু ও শ্বাসনালীর সংক্রমণ বেড়ে যায় এবং বাড়ির ভেতরে বেশি সময় কাটানোর ফলে সংক্রমণ ছড়ানোর ঝুঁকিও বাড়ে, যা অ্যাজমার উপসর্গকে তীব্র করতে পারে। শুধু সংক্রমণই নয়, ইনডোর অ্যালার্জেন যেমন ঘরের ধুলা, পোষা প্রাণীর লোম এবং ছাঁচ (mold) শ্বাসনালীর প্রদাহ বাড়িয়ে শ্বাসকষ্ট, কাশি ও বুকের মধ্যে শোঁ শোঁ শব্দ তৈরি করতে পারে।

এ ছাড়াও শীতকালের ঠান্ডা ও শুষ্ক বাতাস শ্বাসনালীর সংকোচন ঘটানোর ফলে বাইরে বের হলেই অনেকে শ্বাসকষ্ট অনুভব করেন।

ডা. ক্যানফিল্ড শীতে অ্যাজমা নিয়ন্ত্রণে রাখতে কয়েকটি করণীয় উল্লেখ করেছেন।

তিনি পরামর্শ দেন, শীতের শুরুতেই প্রয়োজনীয় চিকিৎসা ও সতর্কতা নিলে বড় ধরনের জটিলতা এড়ানো যায়। অ্যাজমার উপসর্গ নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে গেলে, বিশেষত নতুন কাশি, শ্লেষ্মা বেড়ে যাওয়া কিংবা ১০১ ডিগ্রি ফারেনহাইটের বেশি জ্বর দেখা দিলে দেরি না করে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, অ্যাজমা নিয়ন্ত্রণে রাখলে রোগীরাও সহজেই পুরো শীতকাল পার করতে পারেন।

 


মন্তব্য করুন:

সম্পর্কিত খবর