শনিবার, ৭ই মার্চ ২০২৬, ২৩শে ফাল্গুন ১৪৩২ | ই-পেপার
ব্রেকিং নিউজ:
  • সারাদেশে উপজেলা প্রতিনিধি নিয়োগ করা হচ্ছে। আগ্রহী হলে আপনার সিভি ই-মেইল করতে পারেন। ই-মেইল nagorikdesk@gmail.com
সংবাদ শিরোনাম:
  • দীর্ঘস্থায়ী যুদ্ধে ইরানই সুবিধাজনক অবস্থানে থাকতে পারে: বিশ্লেষক
  • ব্যাংক একীভূতকরণের উদ্যোগ চলমান রাখার বার্তা গভর্নরের
  • ইসরায়েল-মার্কিন যৌথ হামলায় ইরানে নিহত বেড়ে ৫৫৫
  • আসিফ মাহমুদের ব্যাংক হিসাব তলব
  • অপরাধ দমনে আরও বেশি সক্রিয় পুলিশ
  • ঢাকার আইসিইউয়ে ওষুধ-প্রতিরোধী ছত্রাক ‘সুপারবাগ’ ছড়িয়ে পড়েছে
  • ভূমি প্রতিমন্ত্রী অফিসে গিয়ে দেখেন কর্মকর্তারা কেউ আসেননি
  • রাজধানীতে নারীদের জন্য আলাদা বাস চালুর নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর
  • আন্তর্জাতিক আইন লঙ্ঘন করে খামেনিকে হত্যা, বিবৃতিতে বাংলাদেশ
  • মঙ্গলবার থেকে মিলবে ঈদযাত্রায় ট্রেনের টিকিট

চট্টগ্রাম-দোহাজারী রেলপথ উন্নয়নে এডিবি দিচ্ছে ৬৮.৮ কোটি ডলার

মো.মোক্তার হোসেন বাবু, চট্টগ্রাম

প্রকাশিত:
২৩ ডিসেম্বর ২০২৫, ১৭:২৬

চট্টগ্রামের যোগাযোগ ব্যবস্থায় পরিবর্তনের লক্ষ্যে চট্টগ্রাম থেকে দোহাজারী পর্যন্ত ৩৫ কিলোমিটার রেলপথের আধুনিকায়ন ও নতুন নির্মাণে ঋণ দিচ্ছে এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক (এডিবি)। এডিবি বাংলাদেশকে ৬৮.৮ কোটি ডলার ঋণ দিচ্ছে। বাংলাদেশি মুদ্রায় এ অর্থের পরিমাণ ৮ হাজার ৪০৫ কোটি টাকা (প্রতি ডলার ১২২.১৭ টাকা ধরে)।

সোমবার (২২ ডিসেম্বর) রাজধানীর শেরেবাংলা নগরের এনইসি সম্মেলন কক্ষে অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগ (ইআরডি) ও এডিবির মধ্যে এ সংক্রান্ত একটি ঋণ চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। বাংলাদেশ সরকারের পক্ষে ইআরডি সচিব মো. শাহরিয়ার কাদের সিদ্দিকী ও এডিবির কান্ট্রি ডিরেক্টর হো ইউন জং নিজ নিজ পক্ষে চুক্তিতে সই করেন।

এডিবি জানায়, এই প্রকল্পের আওতায় চট্টগ্রাম-দোহাজারী রেলপথের উন্নয়নের পাশাপাশি একটি ২.৫ কিলোমিটার দীর্ঘ বাইপাস নির্মাণ করা হবে। এর ফলে ঢাকা থেকে সরাসরি কক্সবাজারগামী ট্রেনগুলো চট্টগ্রাম স্টেশনে না থেমেই যাতায়াত করতে পারবে, যা ভ্রমণের সময় উল্লেখযোগ্যভাবে কমিয়ে আনবে।

এডিবির কান্ট্রি ডিরেক্টর হো ইউন জং বলেন, এ প্রকল্প ঢাকা ও কক্সবাজারের মধ্যে রেল পরিষেবার সক্ষমতা ও নির্ভরযোগ্যতা বৃদ্ধি করবে। এটি বিশেষ করে পর্যটন এবং মৎস্য শিল্পের বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। এ ছাড়া দক্ষিণ এশিয়ায় বাংলাদেশকে একটি শক্তিশালী ট্রান্সপোর্ট ও ট্রান্সশিপমেন্ট হাব হিসেবে গড়ে তুলতে এই বিনিয়োগ সহায়ক হবে। ট্রান্স-এশিয়া রেলওয়ে নেটওয়ার্কের অংশ হিসেবে করিডোরটি বর্তমানে দেশের ৩২ শতাংশ যাত্রী এবং ৫৫ শতাংশ পণ্য পরিবহন পরিচালনা করে।

অনুষ্ঠানে জানানো হয়, এই প্রকল্পের মাধ্যমে ৩৫ কিলোমিটার রেলপথের ট্র্যাক উঁচুকরণ, উন্নত ড্রেনেজ ব্যবস্থা এবং আধুনিক সিগন্যালিং সিস্টেম স্থাপন করা হবে। সেইসঙ্গে ৩০টি জ্বালানি সাশ্রয়ী লোকোমোটিভ (ইঞ্জিন) ক্রয় করা হবে, যা কার্বন নিঃসরণ কমাতে সাহায্য করবে এবং তিনটি স্টেশনকে আধুনিক ও ব্যবহারবান্ধব করা হবে, যেখানে বেসরকারি বাণিজ্যিক কার্যক্রমের সুযোগ থাকবে। এ ছাড়া বাংলাদেশ রেলওয়ের কর্মীদের পেশাগত দক্ষতা বৃদ্ধিতে বিশেষ প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করা হবে।


মন্তব্য করুন:

সম্পর্কিত খবর