প্রকাশিত:
৪ জানুয়ারী ২০২৬, ১৮:০৭
মাধ্যমিক ও প্রাথমিক স্তরের মোট পাঠ্যবইয়ের ৮৪ দশমিক ৭৮ শতাংশ সরবরাহ সম্পন্ন হয়েছে বলে জানিয়েছে জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড (এনসিটিবি)।
২০২৬ শিক্ষাবর্ষের পাঠ্যপুস্তক মুদ্রণ ও বিতরণের সর্বশেষ অগ্রগতি নিয়ে তথ্য নিয়ে রবিবার এনসিটিবির জনসংযোগ কর্মকর্তা এস. এম. আসাদুজ্জামান এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছেন।
এনসিটিবি জানায়, ২০২৬ শিক্ষাবর্ষের জন্য সর্বমোট ৩০ কোটি ২ লাখ ৫৫ হাজার ১৫৪টি পাঠ্যপুস্তক মুদ্রণের লক্ষ্যমাত্রা নিয়ে কাজ চলমান রয়েছে। শনিবার পর্যন্ত সংগৃহীত তথ্য অনুযায়ী, মাধ্যমিক ও প্রাথমিক স্তরের মোট পাঠ্যবইয়ের গড়ে ৮৪ দশমিক ৭৮ শতাংশ সরবরাহ সম্পন্ন হয়েছে।
ইতোমধ্যে প্রাক-প্রাথমিক ও প্রাথমিক স্তরের জন্য নির্ধারিত ৮ কোটি ৫৯ লাখ ৩০ হাজার ৮৮০টি পাঠ্যপুস্তক শতভাগ মুদ্রণ শেষে মহান বিজয় দিবসের প্রাক্কালে দেশের সংশ্লিষ্ট সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে পৌঁছে দেওয়া হয়েছে। ফলে ১ জানুয়ারিতে প্রাথমিক স্তরের সকল শিক্ষার্থী এবং ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর ৫টি ভাষায় মুদ্রিত পুস্তক শিক্ষার্থীদের হাতে পৌঁছানো সম্ভব হয়েছে।
ইবতেদায়ি ও ব্রেইল পদ্ধতির পাঠ্যপুস্তক সরবরাহ কার্যক্রমও প্রায় শতভাগের কাছাকাছি পৌঁছেছে, যা দ্রুততম সময়ের মধ্যে পুরোপুরি সম্পন্ন হবে।
বর্তমানে মাধ্যমিক (ষষ্ঠ-নবম শ্রেণি) ও ইবতেদায়ি স্তরের ২১ কোটি ৪৩ লাখ ২৪ হাজার ২৭৪টি পাঠ্যপুস্তকের কাজ চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে।
পরিসংখ্যান অনুযায়ী, এই স্তরের ৮৮ দশমিক ৫০ শতাংশ বইয়ের মুদ্রণ এবং ৮১ দশমিক ৬০ শতাংশ বইয়ের প্রি-ডেলিভারি ইন্সপেকশন সম্পন্ন হয়েছে। সরবরাহের ক্ষেত্রে এখন পর্যন্ত মোট ৭৮ দশমিক ৬৯ শতাংশ বই শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে পৌঁছে দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে ইবতেদায়ি স্তরের ৯৬ দশমিক ১৬ শতাংশ, নবম শ্রেণিতে ৮৭ দশমিক ৯৬ শতাংশ, ষষ্ঠ শ্রেণিতে ৮৫ দশমিক ৬১ শতাংশ, সপ্তম শ্রেণিতে ৬৮ দশমিক ৬৯ শতাংশ এবং অষ্টম শ্রেণির ৫৪ দশমিক ৭৬ শতাংশ সরবরাহ সম্পন্ন হয়েছে।
সব শিক্ষার্থীদের কাছে পাঠ্যপুস্তকের অনলাইন ভার্সন পৌঁছে দেওয়ার জন্য এনসিটিবির ওয়েবসাইটে সকল স্তরের সকল বই অর্থাৎ মোট ৬৪৭টি পাঠ্যপুস্তকের অনলাইন সংস্করণ গত ২৮ ডিসেম্বর আপলোড করা হয়েছে।
মুদ্রণ প্রতিষ্ঠানগুলোর সাথে চুক্তির মেয়াদ ৩ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত থাকলেও সঠিক পরিকল্পনা ও যথাযথ তদারকির মাধ্যমে বর্তমানে কাজের যে অগ্রগতি হয়েছে, তাতে আগামী ১৫ জানুয়ারির মধ্যেই মাধ্যমিক ও কারিগরি স্তরের অবশিষ্ট সব বই সরবরাহ নিশ্চিত করা সম্ভব হবে বলে আশা করা যাচ্ছে।
মন্তব্য করুন: