শনিবার, ৭ই মার্চ ২০২৬, ২৩শে ফাল্গুন ১৪৩২ | ই-পেপার
ব্রেকিং নিউজ:
  • সারাদেশে উপজেলা প্রতিনিধি নিয়োগ করা হচ্ছে। আগ্রহী হলে আপনার সিভি ই-মেইল করতে পারেন। ই-মেইল nagorikdesk@gmail.com
সংবাদ শিরোনাম:
  • দীর্ঘস্থায়ী যুদ্ধে ইরানই সুবিধাজনক অবস্থানে থাকতে পারে: বিশ্লেষক
  • ব্যাংক একীভূতকরণের উদ্যোগ চলমান রাখার বার্তা গভর্নরের
  • ইসরায়েল-মার্কিন যৌথ হামলায় ইরানে নিহত বেড়ে ৫৫৫
  • আসিফ মাহমুদের ব্যাংক হিসাব তলব
  • অপরাধ দমনে আরও বেশি সক্রিয় পুলিশ
  • ঢাকার আইসিইউয়ে ওষুধ-প্রতিরোধী ছত্রাক ‘সুপারবাগ’ ছড়িয়ে পড়েছে
  • ভূমি প্রতিমন্ত্রী অফিসে গিয়ে দেখেন কর্মকর্তারা কেউ আসেননি
  • রাজধানীতে নারীদের জন্য আলাদা বাস চালুর নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর
  • আন্তর্জাতিক আইন লঙ্ঘন করে খামেনিকে হত্যা, বিবৃতিতে বাংলাদেশ
  • মঙ্গলবার থেকে মিলবে ঈদযাত্রায় ট্রেনের টিকিট

সিরিয়ায় 'অস্ত্রের মজুদে' ব্রিটিশ ও ফরাসি যুদ্ধবিমানের হামলা

অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশিত:
৪ জানুয়ারী ২০২৬, ১৮:১৬

সিরিয়ার হোমস প্রদেশের ঐতিহাসিক শহর পালমিরার উত্তরে একটি ভূগর্ভস্থ স্থাপনায় হামলা চালিয়েছে যুক্তরাজ্য ও ফ্রান্স। গতকাল শনিবার এ হামলা চালানো হয় বলে জানিয়েছে ব্রিটিশ প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়।

প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের বিবৃতিতে বলা হয়, ওই স্থাপনা আইসিস (ইসলামিক স্টেট) জঙ্গিরা অস্ত্র ও বিস্ফোরক সঞ্চয় করার জন্য ব্যবহার করছে।

মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, ওই এলাকায় কোনো জনবসতি নেই। হামলায় ভয়েজার রিফুয়েলিং ট্যাংকারের সহায়তা 'টাইফুন এফজিআরফোর' ফাইটার জেট ব্যবহার করা হয়েছে। প্রাথমিকভাবে লক্ষ্যে সফলভাবে আঘাত করা সম্ভব হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। হামলার বিস্তারিত মূল্যায়ন এখনো চলছে।

প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের আরও জানিয়েছে, এই অভিযান আইসিসি ও তার সহিংস মতবাদের পুনরুত্থান রোধে ব্রিটেনের নেতৃত্ব ও মিত্রদের সঙ্গে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে রুখে দাঁড়ানোর বাস্তবিক প্রতিফলন।

তবে, সিরিয়ার সরকার এখনও এই হামলার বিষয়ে কোনো মন্তব্য করেনি। সিরিয়া গত বছরই আইসিসবিরোধী জোটে যোগ দিয়েছি। ব্রিটেন ও ফ্রান্সও মার্কিন নেতৃত্বাধীন জোটের অংশ। যা দশ বছরেরও বেশি সময় ধরে আইসিসের বিরুদ্ধে লড়াই করে যাচ্ছে।

ইসলামিক স্টেট ২০১৯ সালে সিরিয়ায় পরাজিত হয়েছে। তবে তাদের 'স্লিপার সেল' এখনও সিরিয়া ও ইরাকে মারাত্মক হামলা চালাচ্ছে বলে অভিযোগ রয়েছে। জাতিসংঘের বিশেষজ্ঞদের তথ্যানুযায়ী, আইসিস এখনও সিরিয়া ও ইরাকের পাঁচ থেকে সাত হাজার সদস্য নিয়ন্ত্রণে রেখেছে।


মন্তব্য করুন:

সম্পর্কিত খবর