প্রকাশিত:
৬ জানুয়ারী ২০২৬, ১৩:২৭
ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনে কালো টাকা ও পেশিশক্তির বিরুদ্ধে সামাজিক আন্দোলন গড়ে তুলতে প্রচার চালাচ্ছে সরকার। একই সঙ্গে গ্রাম ও মহল্লা পর্যায়ে উঠান বৈঠকেও এ বিষয়ে ইতিবাচক প্রচারের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। এ জন্য সরকারের সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোকে পদক্ষেপ নিতে নিদের্শনা দেওয়া হয়েছে। আর এই সামগ্রিকভাবে বিষয়টি মনিটরিং করবে নির্বাচন কমিশন। সম্প্রতি প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয় থেকে এ সংক্রান্ত নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে বিভাগীয়, জেলা ও উপজেলা পর্যায়ের সংশ্লিষ্ট সংস্থা ও দপ্তরগুলোকে। এজন্য দুদকসহ সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলো থেকে মোবাইল কোর্টও পরিচালনা করা হবে। প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয় সূত্রে এসব তথ্য জানা গেছে।
সরকারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, নির্বাচনে প্রার্থী ও ভোটারদের সচেতনতা ছাড়া কালো টাকার প্রভাব ঠেকানো সম্ভব না। একই সঙ্গে জেলা, উপজেলা পর্যায়ের স্থানীয় প্রশাসনকে প্রয়োজনীয় ভূমিকা রাখার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। তবে রাজনৈতিক প্রভাবের মাধ্যমে কেউ কালো টাকার ছড়ালে এবং তার প্রমাণ পাওয়া গেলে দায়ী ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে তাৎক্ষণিকভাবে ব্যবস্থা নিতে বলা হয়েছে।
অন্যদিকে কালো টাকা ও পেশী শক্তির বিরুদ্ধে এবার রাজনৈতিক দলের নেতারাও সরব ভূমিকা পালন করছে বলে মনে করেন সুশাসনের জন্য নাগরিকের (সুজন) সম্পাদক বদিউল আলম মজুমদার। তিনি বলেন, নির্বাচনকে প্রভাবিত করতে কালো টাকা ও পেশীর প্রভাব ব্যবহার করা আমাদের একটি পুরনো কৌশল। সরকার এবং নির্বাচন কমিশন আন্তরিক হলে এই প্রভাব ঠেকানো সম্ভব। একই সঙ্গে কালো টাকার প্রভাব ঠেকাতে প্রত্যেক নাগরিকেরও দায় রয়েছে বলে তিনি মনে করেন। শুধু সরকারের একার পক্ষে এটা সম্ভব নয়। এ জন্য প্রয়োজন একটি সামাজিক আন্দোলন গড়ে তোলা।
মন্তব্য করুন: