বৃহঃস্পতিবার, ২৩শে এপ্রিল ২০২৬, ১০ই বৈশাখ ১৪৩৩ | ই-পেপার
ব্রেকিং নিউজ:
  • সারাদেশে উপজেলা প্রতিনিধি নিয়োগ করা হচ্ছে। আগ্রহী হলে আপনার সিভি ই-মেইল করতে পারেন। ই-মেইল nagorikdesk@gmail.com
সংবাদ শিরোনাম:
  • সংবিধানের দোহাই আর নয়, আমরা ফ্যাসিবাদের দাফন করতে চাই
  • গুম-খুনের ব্যাপারে ট্রাইব্যুনাল সহায়তা চাইলে করা হবে : র‍্যাব ডিজি
  • ইসরায়েলের আবাসিক ভবনে ইরানি ক্ষেপণাস্ত্রের আঘাত, ২ জন নিহত
  • বিধ্বস্ত বিমানের দ্বিতীয় ক্রু উদ্ধার, তবে ইরান থেকে বের হতে পারেনি এখনো
  • ঢাকায় যুক্তরাজ্যের বাণিজ্য দূত
  • প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বেসরকারি খাত উপদেষ্টা পরিষদের প্রথম বৈঠক অনুষ্ঠিত
  • বাসা-বাড়িতে লাইট-ফ্যান ব্যবহারে নিষেধাজ্ঞার খবর ভুয়া : বিএনপি
  • ইসরায়েল-যুক্তরাষ্ট্রের জন্য ‘বড় চমক’ আছে, সতর্কতা ইরানের
  • কলকাতায় হামলার হুমকি পাকিস্তানের প্রতিরক্ষামন্ত্রীর
  • আমেরিকা-চীন-রাশিয়া: পররাষ্ট্রনীতিতে কোনদিকে ঝুঁকছে বাংলাদেশ?

শহীদ হাদি হত্যা মামলার প্রধান আসামি ফয়সালের ৫৩ ব্যাংক হিসাব অবরুদ্ধের আদেশ

ডেস্ক রির্পোট

প্রকাশিত:
৭ জানুয়ারী ২০২৬, ১৪:৩২

ইনকিলাব মঞ্চের আহ্বায়ক শহীদ শরিফ ওসমান বিন হাদি হত্যা মামলার প্রধান আসামি ফয়সাল করিম মাসুদ এবং তাঁর স্বার্থসংশ্লিষ্ট ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের নামে থাকা ৫৩টি ব্যাংক হিসাবের ৬৫ লাখ ৫০ হাজার ২৪৬ টাকা অবরুদ্ধ করার আদেশ দিয়েছেন আদালত।

পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগের (সিআইডি) আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ঢাকা মহানগর দায়রা জজ মো. সাব্বির ফয়েজ আজ বুধবার এই আদেশ দিয়েছেন। সংশ্লিষ্ট আদালতের বেঞ্চ সহকারী মো. রিয়াজ হোসেন এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

সিআইডির উপপুলিশ পরিদর্শক মো. আবদুল লতিফ ব্যাংকের টাকা অবরুদ্ধ চেয়ে আবেদনটি করেন। আবেদনে বলা হয়েছে, শরিফ ওসমান বিন হাদিকে গুলি করে হত্যার ঘটনায় প্রধান অভিযুক্ত ফয়সাল করিম মাসুদ এবং তাঁর সঙ্গে জড়িত অন্যান্য বক্তি ও প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে মানি লন্ডারিংবিষয়ক অভিযোগ সিআইডিতে অনুসন্ধানাধীন আছে। অনুসন্ধানকালে মো. ফয়সাল করিম মাসুদ ও তাঁর স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান এবং ব্যক্তির নামের হিসাবগুলো বিশ্লেষণে যথেষ্ট সন্দেহজনক লেনদেন পরিলক্ষিত হয়েছে।

আবেদনে আরও বলা হয়েছে, প্রাথমিক অনুসন্ধানে সন্দেহভাজন অভিযুক্ত মো. ফয়সাল করিম মাসুদ এবং তাঁর স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে খুন, সন্ত্রাস ও সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে অর্থ জোগান এবং সংঘবদ্ধ অপরাধের সংশ্লিষ্টতা পাওয়া যাচ্ছে। এটা মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ আইনে অপরাধ। এ কারণে তাঁর সম্পদ বাজেয়াপ্ত করা একান্ত প্রয়োজন। অন্যথায় অভিযোগ নিষ্পত্তির আগেই হিসাবগুলোয় স্থিত অর্থ বেহাত হওয়ার সমূহ সম্ভাবনা আছে।


মন্তব্য করুন:

সম্পর্কিত খবর