শনিবার, ৭ই মার্চ ২০২৬, ২৩শে ফাল্গুন ১৪৩২ | ই-পেপার
ব্রেকিং নিউজ:
  • সারাদেশে উপজেলা প্রতিনিধি নিয়োগ করা হচ্ছে। আগ্রহী হলে আপনার সিভি ই-মেইল করতে পারেন। ই-মেইল nagorikdesk@gmail.com
সংবাদ শিরোনাম:
  • দীর্ঘস্থায়ী যুদ্ধে ইরানই সুবিধাজনক অবস্থানে থাকতে পারে: বিশ্লেষক
  • ব্যাংক একীভূতকরণের উদ্যোগ চলমান রাখার বার্তা গভর্নরের
  • ইসরায়েল-মার্কিন যৌথ হামলায় ইরানে নিহত বেড়ে ৫৫৫
  • আসিফ মাহমুদের ব্যাংক হিসাব তলব
  • অপরাধ দমনে আরও বেশি সক্রিয় পুলিশ
  • ঢাকার আইসিইউয়ে ওষুধ-প্রতিরোধী ছত্রাক ‘সুপারবাগ’ ছড়িয়ে পড়েছে
  • ভূমি প্রতিমন্ত্রী অফিসে গিয়ে দেখেন কর্মকর্তারা কেউ আসেননি
  • রাজধানীতে নারীদের জন্য আলাদা বাস চালুর নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর
  • আন্তর্জাতিক আইন লঙ্ঘন করে খামেনিকে হত্যা, বিবৃতিতে বাংলাদেশ
  • মঙ্গলবার থেকে মিলবে ঈদযাত্রায় ট্রেনের টিকিট

আসামি ফয়সালের ৫৩ ব্যাংক হিসাব ও সাড়ে ৬৫ লাখ টাকা বাজেয়াপ্ত

স্টাফ রিপোর্টার

প্রকাশিত:
৭ জানুয়ারী ২০২৬, ১৪:৪০

ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শহীদ শরিফ ওসমান হাদি হত্যা মামলার প্রধান আসামি ফয়সাল করিম মাসুদের ৫৩টি ব্যাংক হিসাব অবরুদ্ধ (ফ্রিজ) করার আদেশ দিয়েছেন আদালত। একই সাথে এসব হিসাবে থাকা সাড়ে ৬৫ লাখ টাকা রাষ্ট্রের অনুকূলে বাজেয়াপ্ত করারও নির্দেশ দেয়া হয়েছে।

আজ বুধবার ঢাকা মহানগর জ্যেষ্ঠ বিশেষ জজ আদালতের বিচারক মো: সাব্বির ফয়েজ মামলার তদন্ত সংস্থা সিআইডির আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে এ আদেশ দেন। সিআইডির উপ-পুলিশ পরিদর্শক আব্দুল লতিফ এই সম্পদ অবরুদ্ধ ও বাজেয়াপ্ত করার আবেদনটি করেন।

ঢাকা মহানগর দায়রা জজ আদালতের বেঞ্চ সহকারী মো: রিয়াজ হোসেন বাসসকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

আবেদনে বলা হয়, ঢাকার পুরানা পল্টনের বক্স কালভার্ট রোডে ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র ও ঢাকা-৮ আসনের সম্ভাব্য স্বতন্ত্র প্রার্থী শরিফ ওসমান হাদিকে গুলি করে হত্যার ঘটনায় প্রধান অভিযুক্ত ফয়সাল করিম মাসুদ ও তার সহযোগীদের বিরুদ্ধে মানিলন্ডারিং বা অর্থ পাচারের অভিযোগ অনুসন্ধান করছে সিআইডি।

সিআইডির অনুসন্ধানে দেখা যায়, ফয়সাল ও তার স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান ও ব্যক্তির ব্যাংক হিসাবে সন্দেহজনক লেনদেন হয়েছে। এছাড়া তাদের বিরুদ্ধে খুন, সন্ত্রাসবাদ ও সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে অর্থ জোগানের প্রাথমিক তথ্য পাওয়া গেছে। এসব অর্থ সরিয়ে ফেলা বা আত্মসাৎ করার আশঙ্কা থাকায় আদালত এই হিসাবগুলো অবরুদ্ধ করার পাশাপাশি সেখানে থাকা অর্থ বাজেয়াপ্ত করার নির্দেশ দেন।

উল্লেখ্য, মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইন ২০১২ (সংশোধনী-২০১৫) এর ১৪ ও একই আইনের ১৭(২) ধারা মোতাবেক তদন্তাধীন এই অপরাধের সাথে জড়িত অর্থ রক্ষার স্বার্থে এই আইনি পদক্ষেপ নেয়া হয়েছে।

 


মন্তব্য করুন:

সম্পর্কিত খবর