প্রকাশিত:
১১ জানুয়ারী ২০২৬, ১৭:১৬
সম্প্রতি গ্রিনল্যান্ড দখলের বিষয়ে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প একাধিকবার হুমকি দিয়েছেন। এর প্রেক্ষিতে জার্মানির অর্থমন্ত্রী ও ভাইস চ্যান্সেলর লার্স ক্লিংবাইল রবিবার বলেছেন, আন্তর্জাতিক আইনের নীতিগুলো সবার জন্যই প্রযোজ্য এবং যুক্তরাষ্ট্রও এর বাইরে নয়।
গ্রুপ অব সেভেনের (জি৭) অন্তর্ভূক্ত উন্নত অর্থনীতির দেশগুলোর অর্থমন্ত্রীদের বৈঠকে যোগ দিতে ওয়াশিংটনের উদ্দেশে রওনা হওয়ার আগে ক্লিংবাইল বলেন, ‘গ্রিনল্যান্ডের ভবিষ্যৎ নির্ধারণের একমাত্র অধিকার ডেনমার্ক ও গ্রিনল্যান্ডের। আঞ্চলিক সার্বভৌমত্ব ও অখণ্ডতা অবশ্যই সম্মান করতে হবে।
দীর্ঘদিনের মিত্র ডেনমার্কের কাছ থেকে খনিজসমৃদ্ধ আর্কটিক দ্বীপ গ্রিনল্যান্ড যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক দখল নিলে ন্যাটোতে তীব্র প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হবে এবং ট্রাম্প ও ইউরোপীয় নেতাদের মধ্যে বিভাজন আরো গভীর হবে।
ক্লিংবাইল বলেন, ‘ন্যাটো মিত্র হিসেবে আমরা একসঙ্গে আর্কটিকে নিরাপত্তা জোরদার করি, পরস্পরের বিরোধিতায় নয়।’
জি৭ বৈঠকে সোমবার গুরুত্বপূর্ণ খনিজে প্রবেশাধিকারকে কেন্দ্র করে আলোচনা হবে। বিরল মাটি ধাতুর রপ্তানিতে বেইজিংয়ের কঠোর নিয়ন্ত্রণ আরোপের উদ্যোগের প্রেক্ষাপটে পশ্চিমা দেশগুলো চীনের ওপর নির্ভরতা কমাতে চাইছে।
ক্লিংবাইল বলেন, সরবরাহ নিরাপত্তা জোরদার, নির্ভরতা কমানো এবং নির্ভরযোগ্য অর্থনৈতিক কাঠামো নিশ্চিত করতে এই খাতে আন্তর্জাতিক সহযোগিতা সম্প্রসারণে জার্মানির দৃঢ় আগ্রহ রয়েছে।
তিনি বলেন, ‘এ কারণেই আন্তর্জাতিক অংশীদারদের সঙ্গে পরামর্শ করা এবং যেখানে সম্ভব সেখানে একসঙ্গে কাজ করা গুরুত্বপূর্ণ।’
আন্তর্জাতিক জ্বালানি সংস্থার তথ্যানুযায়ী, তামা, লিথিয়াম, কোবাল্ট, গ্রাফাইট ও বিরল মাটি ধাতুর মতো গুরুত্বপূর্ণ খনিজগুলোর পরিশোধনে চীনের আধিপত্য ৪৭ শতাংশ থেকে ৮৭ শতাংশের মধ্যে।
মন্তব্য করুন: