প্রকাশিত:
১৮ জানুয়ারী ২০২৬, ১১:৩৪
আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিতব্য জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে রিটার্নিং কর্মকর্তাদের যাচাই-বাছাইয়ে মনোনয়ন বাতিল হওয়া প্রার্থীদের আপিল শুনানির শেষ দিন আজ। একই দিনে দ্বৈত নাগরিকত্ব থাকা প্রার্থীরা নির্বাচনে অংশ নিতে পারবেন কি না—সে বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত জানাবে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।
ইসি সূত্র জানায়, এখনো যেসব আবেদন নিষ্পত্তি হয়নি, সেগুলোর প্রায় সবই দ্বৈত নাগরিকত্বসংক্রান্ত। এসব আবেদনের বিষয়ে আজই সিদ্ধান্ত দেওয়ার কথা রয়েছে। এর আগে শনিবার দ্বৈত নাগরিকত্ব নিয়ে শুনানিকালে একটি আসনের দুই প্রার্থীর মধ্যে কমিশন কক্ষে বাক্বিতণ্ডার ঘটনাও ঘটে।
শনিবার আপিল শুনানির অষ্টম দিনে ৪৪ জন প্রার্থী তাঁদের প্রার্থিতা ফিরে পান। এ নিয়ে আট দিনে প্রায় ৪০০ প্রার্থী আপিলের মাধ্যমে প্রার্থিতা ফিরে পেলেন। তবে একই দিনে একটি আসনে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীর আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে একজন প্রার্থীর মনোনয়ন বাতিল করা হয়। পরবর্তীতে ওই প্রার্থীর করা পাল্টা আবেদনও খারিজ করে দেয় কমিশন।
ইসি জানায়, শনিবার মোট ১১২টি আপিলের শুনানি অনুষ্ঠিত হয়। এর মধ্যে ৪৫টি মঞ্জুর, ৩৭টি নামঞ্জুর করা হয় এবং ১৯টি আবেদন অপেক্ষাধীন থাকে। আবেদন প্রত্যাহারের কারণে নয়টি উত্থাপিত হয়নি এবং দুটি আপিলে আবেদনকারীরা অনুপস্থিত ছিলেন। নির্ধারিত সময়ে কমিশনে মোট ৬৪৫টি আপিল জমা পড়েছিল। আজ সকাল ১০টা থেকে আপিল শুনানি শুরু হওয়ার কথা রয়েছে।
শনিবার শুনানি শেষে এক নির্বাচন কমিশনার জানান, আজ দুপুর ১২টা থেকে সব অপেক্ষাধীন আবেদনের শুনানি শুরু হবে এবং সেদিনই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত জানানো হবে।
এদিন যাঁরা প্রার্থিতা ফিরে পেয়েছেন, তাঁদের মধ্যে বিভিন্ন আসনের স্বতন্ত্র ও দলীয় প্রার্থীরাও রয়েছেন। অন্যদিকে ঋণখেলাপির অভিযোগে একটি আসনে এক প্রার্থীর মনোনয়ন বাতিল ঘোষণা করা হয়েছে। এর আগে তাঁর প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী ওই অভিযোগ তুলে কমিশনে আবেদন করেছিলেন।
এছাড়া একটি আসনে এক প্রার্থীর আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে সাত প্রার্থীর মনোনয়ন বাতিলের দাবি উঠলেও শুনানি শেষে কমিশন সব প্রার্থীর মনোনয়ন বৈধ ঘোষণা করে।
আজকের শুনানির মধ্য দিয়ে প্রার্থীদের আপিল প্রক্রিয়া শেষ হচ্ছে। বিশেষ করে দ্বৈত নাগরিকত্ব সংক্রান্ত সিদ্ধান্তের দিকে তাকিয়ে আছেন সংশ্লিষ্ট প্রার্থী ও রাজনৈতিক দলগুলো।
মন্তব্য করুন: