বৃহঃস্পতিবার, ২৩শে এপ্রিল ২০২৬, ১০ই বৈশাখ ১৪৩৩ | ই-পেপার
ব্রেকিং নিউজ:
  • সারাদেশে উপজেলা প্রতিনিধি নিয়োগ করা হচ্ছে। আগ্রহী হলে আপনার সিভি ই-মেইল করতে পারেন। ই-মেইল nagorikdesk@gmail.com
সংবাদ শিরোনাম:
  • সংবিধানের দোহাই আর নয়, আমরা ফ্যাসিবাদের দাফন করতে চাই
  • গুম-খুনের ব্যাপারে ট্রাইব্যুনাল সহায়তা চাইলে করা হবে : র‍্যাব ডিজি
  • ইসরায়েলের আবাসিক ভবনে ইরানি ক্ষেপণাস্ত্রের আঘাত, ২ জন নিহত
  • বিধ্বস্ত বিমানের দ্বিতীয় ক্রু উদ্ধার, তবে ইরান থেকে বের হতে পারেনি এখনো
  • ঢাকায় যুক্তরাজ্যের বাণিজ্য দূত
  • প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বেসরকারি খাত উপদেষ্টা পরিষদের প্রথম বৈঠক অনুষ্ঠিত
  • বাসা-বাড়িতে লাইট-ফ্যান ব্যবহারে নিষেধাজ্ঞার খবর ভুয়া : বিএনপি
  • ইসরায়েল-যুক্তরাষ্ট্রের জন্য ‘বড় চমক’ আছে, সতর্কতা ইরানের
  • কলকাতায় হামলার হুমকি পাকিস্তানের প্রতিরক্ষামন্ত্রীর
  • আমেরিকা-চীন-রাশিয়া: পররাষ্ট্রনীতিতে কোনদিকে ঝুঁকছে বাংলাদেশ?

প্রতীক বরাদ্দ শুরু, নির্বাচনী মাঠে নামছেন প্রার্থীরা

ডেস্ক রিপোর্ট

প্রকাশিত:
২১ জানুয়ারী ২০২৬, ১৩:০৬

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে প্রার্থীদের প্রতীক বরাদ্দ কার্যক্রম শুরু হয়েছে। বুধবার সকাল সাড়ে ৯টা থেকে প্রতীক প্রদান শুরু হওয়ার মধ্য দিয়ে নির্বাচনের চূড়ান্ত পর্বে আনুষ্ঠানিকভাবে প্রবেশ করেছে দেশ।

নির্বাচন কমিশনের নির্ধারিত সূচি অনুযায়ী, প্রতীক বরাদ্দ সম্পন্ন হওয়ার পর আগামীকাল বৃহস্পতিবার থেকে প্রার্থীরা মাঠপর্যায়ে প্রচারে নামবেন। এর মাধ্যমে জাতীয় নির্বাচন ও গণভোটকে ঘিরে রাজনৈতিক উত্তাপ আরও বাড়বে, যা ভোটগ্রহণের ৪৮ ঘণ্টা আগে পর্যন্ত চলবে।

মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার শেষে এবারের নির্বাচনে মোট প্রার্থীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১ হাজার ৯৬৭ জন। ২৯৮টি আসনে ৩০৫ জন প্রার্থী তাদের প্রার্থিতা প্রত্যাহার করেছেন। সংশ্লিষ্ট আসনের রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয়ে উপস্থিত হয়ে তারা আনুষ্ঠানিকভাবে এ সিদ্ধান্ত জানান।

নির্বাচনী আচরণবিধি অনুযায়ী, প্রতীক বরাদ্দের পরই প্রচার শুরু হলেও নির্ধারিত সময়ের আগে কোনো দল বা প্রার্থী প্রচারে অংশ নিতে পারবেন না। বিধিমালায় বলা হয়েছে, ভোটগ্রহণের জন্য নির্ধারিত সময়ের তিন সপ্তাহ আগে প্রচার শুরু করা যাবে না এবং ভোটের ৪৮ ঘণ্টা আগে সব ধরনের প্রচার বন্ধ করতে হবে।

উল্লেখ্য, গত ২৯ ডিসেম্বর ছিল মনোনয়নপত্র দাখিলের শেষ দিন। সে সময় ২ হাজার ৫৮৫ জন প্রার্থী মনোনয়নপত্র জমা দেন। বাছাই প্রক্রিয়ায় ৭২৬ জনের মনোনয়ন বাতিল হয়। পরবর্তীতে আপিলের মাধ্যমে ৪৩১ জন প্রার্থী তাদের প্রার্থিতা ফিরে পান।

আইনি জটিলতার কারণে পাবনা-১ ও পাবনা-২ আসনে প্রার্থী চূড়ান্ত হতে কিছুটা সময় লাগবে। ফলে চূড়ান্তভাবে ৩০০ আসনে প্রার্থীর সংখ্যা আরও বাড়তে পারে।


মন্তব্য করুন:

সম্পর্কিত খবর