বৃহঃস্পতিবার, ২৩শে এপ্রিল ২০২৬, ১০ই বৈশাখ ১৪৩৩ | ই-পেপার
ব্রেকিং নিউজ:
  • সারাদেশে উপজেলা প্রতিনিধি নিয়োগ করা হচ্ছে। আগ্রহী হলে আপনার সিভি ই-মেইল করতে পারেন। ই-মেইল nagorikdesk@gmail.com
সংবাদ শিরোনাম:
  • সংবিধানের দোহাই আর নয়, আমরা ফ্যাসিবাদের দাফন করতে চাই
  • গুম-খুনের ব্যাপারে ট্রাইব্যুনাল সহায়তা চাইলে করা হবে : র‍্যাব ডিজি
  • ইসরায়েলের আবাসিক ভবনে ইরানি ক্ষেপণাস্ত্রের আঘাত, ২ জন নিহত
  • বিধ্বস্ত বিমানের দ্বিতীয় ক্রু উদ্ধার, তবে ইরান থেকে বের হতে পারেনি এখনো
  • ঢাকায় যুক্তরাজ্যের বাণিজ্য দূত
  • প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বেসরকারি খাত উপদেষ্টা পরিষদের প্রথম বৈঠক অনুষ্ঠিত
  • বাসা-বাড়িতে লাইট-ফ্যান ব্যবহারে নিষেধাজ্ঞার খবর ভুয়া : বিএনপি
  • ইসরায়েল-যুক্তরাষ্ট্রের জন্য ‘বড় চমক’ আছে, সতর্কতা ইরানের
  • কলকাতায় হামলার হুমকি পাকিস্তানের প্রতিরক্ষামন্ত্রীর
  • আমেরিকা-চীন-রাশিয়া: পররাষ্ট্রনীতিতে কোনদিকে ঝুঁকছে বাংলাদেশ?

মানবতাবিরোধী অপরাধে জয় ও পলকের বিচার শুরু

ডেস্ক রির্পোট

প্রকাশিত:
২১ জানুয়ারী ২০২৬, ১৬:২৭

চব্বিশের ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থান দমাতে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ছেলে ও তৎকালীন তথ্য প্রযুক্তি উপদেষ্টা সজীব ওয়াজেদ জয় এবং সাবেক আইসিটি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলকের বিচার শুরুর আদেশ দিয়েছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল।

বুধবার (২১ জানুয়ারি) বিচারপতি মো. গোলাম মর্তূজা মজুমদারের নেতৃত্বাধীন ট্রাইব্যুনাল-১ তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে প্রসিকিউশনের প্রারম্ভিক বক্তব্য উপস্থাপন ও সাক্ষ্য শুরুর জন্য ১৮ ফেব্রুয়ারি দিন ঠিক করে দেন।

গ্রেফতার পলককে এদিন অভিযোগ গঠনের শুনানির জন্য ট্রাইব্যুনালে হাজির করা হয়। আর জয়কে পলাতক দেখিয়ে এ মামলার বিচার কাজ চলবে। পলকের পক্ষে আদালতে অব্যাহতির আবেদনের শুনানি করেন আইনজীবী লিটন আহমেদ। জয়ের পক্ষে ছিলেন রাষ্ট্রনিযুক্ত আইনজীবী মনজুর আলম। শুনানি শেষে ট্রাইব্যুনাল অব্যাহতির আবেদন নাকচ করে দিয়ে দুই আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করেন।

গত ১১ জানুয়ারি আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের বিষয়ে শুনানি করেন চিফ প্রসিকিউটর মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম। ওই দিন তিনটি অভিযোগ পড়ে শোনানোর পাশাপাশি দুই আসামির বিরুদ্ধে বিচার শুরুর আবেদন জানান তাজুল ইসলাম।

অভিযোগ ৩টি হলো- জয়ের ‘নির্দেশে’ ২০২৪ সালের ১৪ জুলাই রাতে ফেসবুকে ‘উসকানি’ দেন পলক। এর পরিপ্রেক্ষিতে ১৫ জুলাই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়সহ বিভিন্ন স্থানে আন্দোলনকারীদের ওপর হামলা চালায় পুলিশ, আওয়ামী লীগ ও ছাত্রলীগের ‘সশস্ত্র বাহিনী’। এছাড়া ইন্টারনেট বন্ধ করে ‘মারণাস্ত্র ব্যবহারে উসকানি ও প্ররোচনা’ দেন তারা।

আসামিরা একই সঙ্গে হত্যায় সহায়তা করেন। ফলে পুলিশ ও দলীয় ‘সন্ত্রাসী বাহিনীর’ হামলায় রাসেল, মোসলেহ উদ্দিনসহ ২৮ জন শহীদ হন। তিন নম্বর অভিযোগে বলা হয়, আসামিরা উত্তরায় ৩৪ হত্যায় ‘সহায়তা’ করেন।

এসব ঘটনায় মানবতাবিরোধী অপরাধের দায়ে ৪ ডিসেম্বর প্রসিকিউশনের জমা দেওয়া আনুষ্ঠানিক অভিযোগ আমলে নেন আদালত। এরপর ১০ ডিসেম্বর জয়কে আত্মসমর্পণে দুটি জাতীয় পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের নির্দেশ দেন ট্রাইব্যুনাল।


মন্তব্য করুন:

সম্পর্কিত খবর