বৃহঃস্পতিবার, ২৩শে এপ্রিল ২০২৬, ১০ই বৈশাখ ১৪৩৩ | ই-পেপার
ব্রেকিং নিউজ:
  • সারাদেশে উপজেলা প্রতিনিধি নিয়োগ করা হচ্ছে। আগ্রহী হলে আপনার সিভি ই-মেইল করতে পারেন। ই-মেইল nagorikdesk@gmail.com
সংবাদ শিরোনাম:
  • সংবিধানের দোহাই আর নয়, আমরা ফ্যাসিবাদের দাফন করতে চাই
  • গুম-খুনের ব্যাপারে ট্রাইব্যুনাল সহায়তা চাইলে করা হবে : র‍্যাব ডিজি
  • ইসরায়েলের আবাসিক ভবনে ইরানি ক্ষেপণাস্ত্রের আঘাত, ২ জন নিহত
  • বিধ্বস্ত বিমানের দ্বিতীয় ক্রু উদ্ধার, তবে ইরান থেকে বের হতে পারেনি এখনো
  • ঢাকায় যুক্তরাজ্যের বাণিজ্য দূত
  • প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বেসরকারি খাত উপদেষ্টা পরিষদের প্রথম বৈঠক অনুষ্ঠিত
  • বাসা-বাড়িতে লাইট-ফ্যান ব্যবহারে নিষেধাজ্ঞার খবর ভুয়া : বিএনপি
  • ইসরায়েল-যুক্তরাষ্ট্রের জন্য ‘বড় চমক’ আছে, সতর্কতা ইরানের
  • কলকাতায় হামলার হুমকি পাকিস্তানের প্রতিরক্ষামন্ত্রীর
  • আমেরিকা-চীন-রাশিয়া: পররাষ্ট্রনীতিতে কোনদিকে ঝুঁকছে বাংলাদেশ?

অভিনেত্রী ঊর্মিলা শ্রাবন্তী করসহ তিনজনের সম্পদের হিসাব চায় দুদক

অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশিত:
২৬ জানুয়ারী ২০২৬, ১৪:৪৩

অভিনেত্রী ঊর্মিলা শ্রাবন্তী কর, প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান ‘আলফা আই স্টুডিওর’ স্বত্বাধিকারী শাহরিয়ার করিম ভূঁইয়া ও বিজ্ঞাপন নির্মাতা সৈয়দ গাউসুল আলমের সম্পদের হিসাব চাওয়ার কথা জানিয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। দুদকের উপপরিচালক আকতারুল ইসলাম সাংবাদিকদের বলেন, এনফোর্সমেন্ট অভিযানে পাওয়া তথ্য পর্যালোচনা করে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। নির্ধারিত সময়ে তথ্য সরবরাহ না করলে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

দুদকের তথ্য অনুযায়ী, শাহরিয়ার করিম ভূঁইয়া আলফা আই স্টুডিওর স্বত্বাধিকারী এবং এসভিএফ-আলফা আই প্রোডাকশনের সহপ্রতিষ্ঠাতা। বিজ্ঞাপন নির্মাতা সৈয়দ গাউসুল আলম ‘গ্রে এডভারটাইজিং বাংলাদেশ লিমিটেডের’ স্বত্বাধিকারী ছিলেন। বর্তমানে তিনি ট্রান্সকম গ্রুপের বিজ্ঞাপন প্রতিষ্ঠান ‘ডট বার্থের’ ব্যবস্থাপনা পরিচালক। অন্যদিকে মডেল ও অভিনেত্রী ঊর্মিলা শ্রাবন্তী কর ২০০৯ সালে লাক্স-চ্যানেল আই সুপারস্টার নির্বাচিত হন। এরপর নিয়মিত অভিনয়ে সক্রিয় ছিলেন তিনি। জড়িত ছিলেন আওয়ামীলীগের রাজনীতির সঙ্গেও। দুদকের ভাষ্য, গত ২৮ ডিসেম্বর আলফা আই প্রোডাকশনের বিরুদ্ধে অভিযানটি চালানো হয়।

চলচ্চিত্র নির্মাণের আড়ালে অবৈধ অর্থ লেনদেন, হুন্ডির মাধ্যমে অর্থ স্থানান্তর, আয় গোপন, কর ফাঁকি ও মানিলন্ডারিংয়ের অভিযোগে এ অভিযান চালানো হয়। অভিযানে প্রতিষ্ঠানটির কার্যালয় সরেজমিনে পরিদর্শন করে বিভিন্ন নথিপত্র যাচাই করা হয় এবং কর্মকর্তাদের সঙ্গে কথা বলা হয়। অভিযোগ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন নথিপত্রও সংগ্রহ করা হয়। দুদক বলেছে, এসব তথ্য ও নথিপত্র পর্যালোচনার পর এনফোর্সমেন্ট টিম কমিশনকে একটি প্রতিবেদন দেয়। তার ভিত্তিতেই তিনজনের সম্পদ ও দায়-দেনার হিসাব চাওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।


মন্তব্য করুন:

সম্পর্কিত খবর