শুক্রবার, ২৪শে এপ্রিল ২০২৬, ১০ই বৈশাখ ১৪৩৩ | ই-পেপার
ব্রেকিং নিউজ:
  • সারাদেশে উপজেলা প্রতিনিধি নিয়োগ করা হচ্ছে। আগ্রহী হলে আপনার সিভি ই-মেইল করতে পারেন। ই-মেইল nagorikdesk@gmail.com
সংবাদ শিরোনাম:
  • সংবিধানের দোহাই আর নয়, আমরা ফ্যাসিবাদের দাফন করতে চাই
  • গুম-খুনের ব্যাপারে ট্রাইব্যুনাল সহায়তা চাইলে করা হবে : র‍্যাব ডিজি
  • ইসরায়েলের আবাসিক ভবনে ইরানি ক্ষেপণাস্ত্রের আঘাত, ২ জন নিহত
  • বিধ্বস্ত বিমানের দ্বিতীয় ক্রু উদ্ধার, তবে ইরান থেকে বের হতে পারেনি এখনো
  • ঢাকায় যুক্তরাজ্যের বাণিজ্য দূত
  • প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বেসরকারি খাত উপদেষ্টা পরিষদের প্রথম বৈঠক অনুষ্ঠিত
  • বাসা-বাড়িতে লাইট-ফ্যান ব্যবহারে নিষেধাজ্ঞার খবর ভুয়া : বিএনপি
  • ইসরায়েল-যুক্তরাষ্ট্রের জন্য ‘বড় চমক’ আছে, সতর্কতা ইরানের
  • কলকাতায় হামলার হুমকি পাকিস্তানের প্রতিরক্ষামন্ত্রীর
  • আমেরিকা-চীন-রাশিয়া: পররাষ্ট্রনীতিতে কোনদিকে ঝুঁকছে বাংলাদেশ?

গোপন ক্যামেরা বসানোর অভিযোগে টাঙ্গাইল মেডিকেলের ইন্টার্ন চিকিৎসক ৫ দিনের রিমান্ডে

অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশিত:
২৭ জানুয়ারী ২০২৬, ১৭:২৫

নারী চিকিৎসকদের ব্যবহৃত ওয়াশরুমে গোপন ক্যামেরা স্থাপনের অভিযোগে গ্রেপ্তার হওয়া ইন্টার্ন চিকিৎসক রায়হান কবির ইমনকে পাঁচ দিনের রিমান্ডে পাঠিয়েছেন আদালত।

মঙ্গলবার টাঙ্গাইলের সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট গোলাম মাহবুব এ আদেশ দেন বলে আদালত পরিদর্শক সাজ্জাদ হোসেন নিশ্চিত করেছেন।

এর আগে সোমবার রাতের দিকে টাঙ্গাইল মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক আবদুল কুদ্দুস বাদী হয়ে টাঙ্গাইল সদর থানায় ইমনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেন।

মঙ্গলবার দুপুরে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা টাঙ্গাইল সদর থানার উপপরিদর্শক (এসআই) জাকারিয়া হোসেন পাঁচ দিনের রিমান্ড চেয়ে অভিযুক্তকে আদালতে হাজির করেন বলে জানান আদালত পরিদর্শক।

টাঙ্গাইল সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রুহুল আমিন জানান, নারী চিকিৎসকদের ব্যবহৃত একটি ওয়াশরুমে গোপন ক্যামেরা স্থাপনের অভিযোগে মেডিকেল কলেজের শিক্ষার্থীরাই ইমনকে শনাক্ত করেন।

ঘটনাটি জানাজানি হওয়ার পর ক্ষুব্ধ ইন্টার্ন চিকিৎসকরা অভিযুক্ত ইমন ও হাসপাতাল পরিচালককে অবরুদ্ধ করে রাখেন বলে জানান তিনি।

খবর পেয়ে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট, পুলিশ, গোয়েন্দা শাখা (ডিবি) এবং সেনাবাহিনীর সদস্যরা ঘটনাস্থলে পৌঁছান। পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে উঠলে ইন্টার্ন চিকিৎসকদের প্রতিবাদের মধ্যেই পুলিশ অভিযুক্তকে হেফাজতে নেয়।

ঘটনাটি প্রকাশ্যে আসার পর হাসপাতালের চিকিৎসক ও কর্মচারীদের মধ্যে তীব্র উদ্বেগ ও ক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ে। তারা দ্রুত, নিরপেক্ষ তদন্ত এবং দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান।


মন্তব্য করুন:

সম্পর্কিত খবর