বৃহঃস্পতিবার, ২৩শে এপ্রিল ২০২৬, ১০ই বৈশাখ ১৪৩৩ | ই-পেপার
ব্রেকিং নিউজ:
  • সারাদেশে উপজেলা প্রতিনিধি নিয়োগ করা হচ্ছে। আগ্রহী হলে আপনার সিভি ই-মেইল করতে পারেন। ই-মেইল nagorikdesk@gmail.com
সংবাদ শিরোনাম:
  • সংবিধানের দোহাই আর নয়, আমরা ফ্যাসিবাদের দাফন করতে চাই
  • গুম-খুনের ব্যাপারে ট্রাইব্যুনাল সহায়তা চাইলে করা হবে : র‍্যাব ডিজি
  • ইসরায়েলের আবাসিক ভবনে ইরানি ক্ষেপণাস্ত্রের আঘাত, ২ জন নিহত
  • বিধ্বস্ত বিমানের দ্বিতীয় ক্রু উদ্ধার, তবে ইরান থেকে বের হতে পারেনি এখনো
  • ঢাকায় যুক্তরাজ্যের বাণিজ্য দূত
  • প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বেসরকারি খাত উপদেষ্টা পরিষদের প্রথম বৈঠক অনুষ্ঠিত
  • বাসা-বাড়িতে লাইট-ফ্যান ব্যবহারে নিষেধাজ্ঞার খবর ভুয়া : বিএনপি
  • ইসরায়েল-যুক্তরাষ্ট্রের জন্য ‘বড় চমক’ আছে, সতর্কতা ইরানের
  • কলকাতায় হামলার হুমকি পাকিস্তানের প্রতিরক্ষামন্ত্রীর
  • আমেরিকা-চীন-রাশিয়া: পররাষ্ট্রনীতিতে কোনদিকে ঝুঁকছে বাংলাদেশ?

এপস্টেইনের সঙ্গে নতুন তথ্য প্রকাশ, লেবার পার্টি ছাড়লেন পিটার ম্যান্ডেলসন

অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশিত:
২ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১২:২৪

সাবেক ব্রিটিশ মন্ত্রী পিটার ম্যান্ডেলসন প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমারের লেবার পার্টির সদস্যপদ থেকে পদত্যাগ করেছেন। প্রয়াত মার্কিন ব্যবসায়ী ও কুখ্যাত যৌন নিপীড়ক জেফরি এপস্টেইনের সঙ্গে তার আরো তথ্য প্রকাশের পর গতকাল রবিবার পদত্যাগের ঘোষণা দেন যুক্তরাষ্ট্রের এই রাষ্ট্রদূত। 

এর আগে, এপস্টেইনের সঙ্গে সম্পর্কের অভিযোগ ওঠার পর গত বছর স্টারমার তাকে যুক্তরাষ্ট্রে ব্রিটেনের রাষ্ট্রদূত পদ থেকে বরখাস্ত করেছিলেন। সর্বশেষ পদত্যাগের বিষয়ে ম্যান্ডেলসন বলেন, তিনি লেবার পার্টিকে আরো বিব্রতকর অবস্থায় ফেলতে চান না।

চিঠিতে তিনি আরো দাবি করেন, যুক্তরাষ্ট্রের বিচার বিভাগ প্রকাশিত নথির ভিত্তিতে ব্রিটিশ গণমাধ্যমে যে অভিযোগ করা হয়েছে (এপস্টেইনের কাছ থেকে তিনি আর্থিক সুবিধা পেয়েছিলেন) তা মিথ্যা। বিষয়টি তিনি তদন্ত করে দেখবেন বলেও জানান।

১৯৯০-এর দশকে টনি ব্লেয়ারের প্রধানমন্ত্রীত্বকালে লেবার পার্টির নির্বাচনী সাফল্যে ম্যান্ডেলসনের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা ছিল। তবে গত বছর যুক্তরাষ্ট্রের আইনপ্রণেতাদের প্রকাশিত নথিতে এপস্টেইনকে লেখা একটি চিঠিতে তাকে ‘আমার সবচেয়ে ঘনিষ্ঠ বন্ধু’ বলে উল্লেখ করার পর নতুন করে বিতর্কের মুখে পড়েন তিনি।

দেশীয় রাজনীতিতেও তার ক্যারিয়ার ছিল বিতর্কপূর্ণ। ১৯৯৮ সালে এক সহকর্মী মন্ত্রীর কাছ থেকে গৃহঋণ নেওয়ার ঘটনায় স্বার্থের সংঘাতের অভিযোগ ওঠায় তিনি বাণিজ্যমন্ত্রীর পদ থেকে পদত্যাগ করেন। ২০০১ সালে পাসপোর্ট কেলেঙ্কারিতে এক ভারতীয় ধনকুবেরকে ঘিরে অভিযোগের কারণে আবারও তাকে মন্ত্রিসভা ছাড়তে হয়, যদিও পরে তিনি দায়মুক্তি পান।

ইউরোপীয় ইউনিয়নের সাবেক বাণিজ্য কমিশনার ম্যান্ডেলসন বর্তমানে ব্রিটিশ পার্লামেন্টের উচ্চকক্ষের সদস্য হিসেবে ছুটিতে রয়েছেন।


মন্তব্য করুন:

সম্পর্কিত খবর