শনিবার, ৭ই মার্চ ২০২৬, ২৩শে ফাল্গুন ১৪৩২ | ই-পেপার
ব্রেকিং নিউজ:
  • সারাদেশে উপজেলা প্রতিনিধি নিয়োগ করা হচ্ছে। আগ্রহী হলে আপনার সিভি ই-মেইল করতে পারেন। ই-মেইল nagorikdesk@gmail.com
সংবাদ শিরোনাম:
  • দীর্ঘস্থায়ী যুদ্ধে ইরানই সুবিধাজনক অবস্থানে থাকতে পারে: বিশ্লেষক
  • ব্যাংক একীভূতকরণের উদ্যোগ চলমান রাখার বার্তা গভর্নরের
  • ইসরায়েল-মার্কিন যৌথ হামলায় ইরানে নিহত বেড়ে ৫৫৫
  • আসিফ মাহমুদের ব্যাংক হিসাব তলব
  • অপরাধ দমনে আরও বেশি সক্রিয় পুলিশ
  • ঢাকার আইসিইউয়ে ওষুধ-প্রতিরোধী ছত্রাক ‘সুপারবাগ’ ছড়িয়ে পড়েছে
  • ভূমি প্রতিমন্ত্রী অফিসে গিয়ে দেখেন কর্মকর্তারা কেউ আসেননি
  • রাজধানীতে নারীদের জন্য আলাদা বাস চালুর নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর
  • আন্তর্জাতিক আইন লঙ্ঘন করে খামেনিকে হত্যা, বিবৃতিতে বাংলাদেশ
  • মঙ্গলবার থেকে মিলবে ঈদযাত্রায় ট্রেনের টিকিট

নতুন ভাষা ও কৌশলে নির্বাচনী মাঠে জামায়াত আমির শফিকুর রহমান

ডেস্ক রিপোর্ট

প্রকাশিত:
১১ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১২:০১

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান ভিন্নধর্মী প্রচারণা কৌশল নিয়ে আলোচনায় এসেছেন। প্রচলিত রাজনৈতিক ভাষার বাইরে গিয়ে তিনি খোলামেলা বক্তব্য, স্পষ্ট অবস্থান ও নতুন শব্দচয়নের মাধ্যমে ভোটারদের আকর্ষণের চেষ্টা করছেন।

নির্বাচনী জনসভাগুলোতে তিনি উন্নয়ন বা ক্ষমতার পালাবদলের চেনা প্রতিশ্রুতির পরিবর্তে গণভোটের মাধ্যমে রাষ্ট্র সংস্কারের আহ্বান জানিয়েছেন। তাঁর বক্তব্যে বারবার উঠে এসেছে ‘হক’, ‘ইনসাফ’ ও ‘মদিনা মডেল’-এর কথা। এর মাধ্যমে তিনি ন্যায়বিচারভিত্তিক রাষ্ট্র গঠনের প্রতিশ্রুতি দিচ্ছেন।

দলীয় সূত্র জানায়, ২২ জানুয়ারি থেকে শুরু হওয়া প্রচারণায় তিনি অন্তত ৬২টি জনসভায় বক্তব্য দিয়েছেন। বিভিন্ন জেলায় গাড়ি ও হেলিকপ্টারে সফর করে তিনি সরাসরি জনগণের সঙ্গে কথা বলেন।

প্রচারে বিএনপির বিরুদ্ধে দুর্নীতি ও চাঁদাবাজির অভিযোগ তুলে ধরেছেন শফিকুর রহমান। তিনি ভোট ডাকাতি রোধ ও ভোটকেন্দ্র পাহারা দেওয়ার আহ্বান জানান। এতে নির্বাচনী বিতর্ক আরও তীব্র হয়েছে।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, জামায়াত নিজেদের ‘নতুন বিকল্প’ হিসেবে উপস্থাপন করতে চাচ্ছে। দীর্ঘদিন রাজনীতির মূলধারা থেকে দূরে থাকা দলটি এবার কেন্দ্রবিন্দুতে আসার চেষ্টা করছে।

নারী ও সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের বিষয়ে শফিকুর রহমান সতর্ক ভাষায় বক্তব্য রাখছেন। তিনি নারীর নিরাপত্তা ও মর্যাদার কথা তুলে ধরেছেন। একই সঙ্গে সংখ্যালঘুদের অধিকার রক্ষার আশ্বাস দিয়েছেন।

তবে তাঁর কিছু বক্তব্য বিতর্কের জন্ম দিয়েছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া একটি পোস্ট নিয়ে সমালোচনার মুখে পড়তে হয়েছে তাঁকে।

সব মিলিয়ে, শফিকুর রহমানের এই প্রচার কৌশল জামায়াতকে নতুনভাবে পরিচিত করার একটি বড় প্রচেষ্টা হিসেবে দেখা হচ্ছে। ভোটাররা এই উদ্যোগকে কতটা গ্রহণ করবেন, তা জানা যাবে নির্বাচনের ফলাফলে।


মন্তব্য করুন:

সম্পর্কিত খবর