শনিবার, ৭ই মার্চ ২০২৬, ২৩শে ফাল্গুন ১৪৩২ | ই-পেপার
ব্রেকিং নিউজ:
  • সারাদেশে উপজেলা প্রতিনিধি নিয়োগ করা হচ্ছে। আগ্রহী হলে আপনার সিভি ই-মেইল করতে পারেন। ই-মেইল nagorikdesk@gmail.com
সংবাদ শিরোনাম:
  • দীর্ঘস্থায়ী যুদ্ধে ইরানই সুবিধাজনক অবস্থানে থাকতে পারে: বিশ্লেষক
  • ব্যাংক একীভূতকরণের উদ্যোগ চলমান রাখার বার্তা গভর্নরের
  • ইসরায়েল-মার্কিন যৌথ হামলায় ইরানে নিহত বেড়ে ৫৫৫
  • আসিফ মাহমুদের ব্যাংক হিসাব তলব
  • অপরাধ দমনে আরও বেশি সক্রিয় পুলিশ
  • ঢাকার আইসিইউয়ে ওষুধ-প্রতিরোধী ছত্রাক ‘সুপারবাগ’ ছড়িয়ে পড়েছে
  • ভূমি প্রতিমন্ত্রী অফিসে গিয়ে দেখেন কর্মকর্তারা কেউ আসেননি
  • রাজধানীতে নারীদের জন্য আলাদা বাস চালুর নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর
  • আন্তর্জাতিক আইন লঙ্ঘন করে খামেনিকে হত্যা, বিবৃতিতে বাংলাদেশ
  • মঙ্গলবার থেকে মিলবে ঈদযাত্রায় ট্রেনের টিকিট

জিহাদি দমনে নাইজেরিয়ায় ২০০ মার্কিন সেনা মোতায়েনের সিদ্ধান্ত

অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশিত:
১১ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১২:৩০

জিহাদি গোষ্ঠীগুলোর বিরুদ্ধে চলমান লড়াই জোরদার করতে নাইজেরিয়ায় ২০০ জন মার্কিন সেনা মোতায়েনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। আগামী কয়েক সপ্তাহের মধ্যেই এসব সেনা দেশটিতে পৌঁছাবে বলে জানিয়েছে ইউএস আফ্রিকা কমান্ড।

মঙ্গলবার (১০ ফেব্রুয়ারি) ওয়াল স্ট্রিট জার্নালের এক প্রতিবেদনে জানানো হয়, এই সেনারা নাইজেরিয়ার নিরাপত্তা বাহিনীকে প্রশিক্ষণ ও কারিগরি সহায়তা প্রদান করবেন। তারা বিমান হামলা ও স্থল অভিযানের সমন্বিত পরিচালনায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবেন।

ইতোমধ্যে নাইজেরিয়ায় অবস্থানরত একটি ছোট মার্কিন দল বিমান হামলার লক্ষ্য নির্ধারণে সহায়তা করছে। নতুন দলটি তাদের সঙ্গে সমন্বয় করে কাজ করবে। ইউএস আফ্রিকা কমান্ডের মুখপাত্র এএফপিকে জানান, প্রতিবেদনের তথ্য সঠিক।

নাইজেরিয়ার নিরাপত্তা পরিস্থিতি নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের কূটনৈতিক চাপ দীর্ঘদিনের। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দেশটিতে খ্রিস্টানদের ওপর নির্যাতনের অভিযোগ তুলেছেন। তবে নাইজেরিয়া সরকার এই অভিযোগ প্রত্যাখ্যান করেছে।

বিশ্লেষকদের মতে, দেশটির মূল সমস্যা হলো জিহাদি ও সশস্ত্র গোষ্ঠীর বিরুদ্ধে কার্যকরভাবে ব্যবস্থা নিতে রাষ্ট্রের দুর্বলতা। বোকো হারাম ও ইসলামিক স্টেটের মতো সংগঠন উত্তর-পূর্বাঞ্চলে দীর্ঘদিন ধরে সহিংসতা চালিয়ে যাচ্ছে।

নাইজেরিয়ার প্রতিরক্ষা সদর দপ্তর জানিয়েছে, মার্কিন সেনারা সরাসরি যুদ্ধে অংশ নেবেন না। তারা প্রশিক্ষণ ও সহায়তামূলক ভূমিকায় থাকবেন।

এই উদ্যোগের মাধ্যমে দুই দেশের সামরিক সহযোগিতা আরও শক্তিশালী হবে বলে আশা করা হচ্ছে।


মন্তব্য করুন:

সম্পর্কিত খবর