শনিবার, ৭ই মার্চ ২০২৬, ২৩শে ফাল্গুন ১৪৩২ | ই-পেপার
ব্রেকিং নিউজ:
  • সারাদেশে উপজেলা প্রতিনিধি নিয়োগ করা হচ্ছে। আগ্রহী হলে আপনার সিভি ই-মেইল করতে পারেন। ই-মেইল nagorikdesk@gmail.com
সংবাদ শিরোনাম:
  • দীর্ঘস্থায়ী যুদ্ধে ইরানই সুবিধাজনক অবস্থানে থাকতে পারে: বিশ্লেষক
  • ব্যাংক একীভূতকরণের উদ্যোগ চলমান রাখার বার্তা গভর্নরের
  • ইসরায়েল-মার্কিন যৌথ হামলায় ইরানে নিহত বেড়ে ৫৫৫
  • আসিফ মাহমুদের ব্যাংক হিসাব তলব
  • অপরাধ দমনে আরও বেশি সক্রিয় পুলিশ
  • ঢাকার আইসিইউয়ে ওষুধ-প্রতিরোধী ছত্রাক ‘সুপারবাগ’ ছড়িয়ে পড়েছে
  • ভূমি প্রতিমন্ত্রী অফিসে গিয়ে দেখেন কর্মকর্তারা কেউ আসেননি
  • রাজধানীতে নারীদের জন্য আলাদা বাস চালুর নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর
  • আন্তর্জাতিক আইন লঙ্ঘন করে খামেনিকে হত্যা, বিবৃতিতে বাংলাদেশ
  • মঙ্গলবার থেকে মিলবে ঈদযাত্রায় ট্রেনের টিকিট

অবৈধ অবস্থানের মূল্য চুকিয়ে দেশে ফিরলেন শতাধিক অভিবাসী

অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশিত:
১৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১১:৩২

মালয়েশিয়ায় অবৈধভাবে অবস্থান ও বিভিন্ন আইন লঙ্ঘনের দায়ে সাজা শেষে বিভিন্ন দেশের ১৮৪ জন অভিবাসীকে নিজ নিজ দেশে ফেরত পাঠানো হয়েছে। তাদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য সংখ্যক বাংলাদেশিও রয়েছেন, যা প্রবাসী সমাজে নতুন করে উদ্বেগের সৃষ্টি করেছে।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, ফেব্রুয়ারির দ্বিতীয় সপ্তাহে একটি অভিবাসন ডিপো থেকে এই প্রত্যাবাসন কার্যক্রম সম্পন্ন হয়। দীর্ঘদিন আটক থাকার পর প্রয়োজনীয় আইনগত প্রক্রিয়া শেষ করে তাদের দেশে পাঠানো হয়।

প্রত্যাবাসিতদের মধ্যে ইন্দোনেশিয়া, বাংলাদেশ, ফিলিপাইন, পাকিস্তান, মিয়ানমারসহ একাধিক দেশের নাগরিক রয়েছেন। বিমান ও নৌপথ ব্যবহার করে বিভিন্ন সীমান্তপয়েন্ট দিয়ে তাদের নিজ নিজ দেশে পাঠানো হয়।

কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, প্রত্যেকের বৈধ ভ্রমণ নথি যাচাই করা হয়েছে। যাদের কাছে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র ছিল না, তাদের জন্য দূতাবাসের সহায়তায় অস্থায়ী ভ্রমণ সনদ ইস্যু করা হয়।

অভিবাসন বিভাগ সূত্রে জানা যায়, এসব ব্যক্তি মাদক, অভিবাসন আইন লঙ্ঘন ও অন্যান্য অপরাধে দণ্ড ভোগ করছিলেন। সাজা শেষে তাদের বিরুদ্ধে ভবিষ্যতে পুনঃপ্রবেশ নিষেধাজ্ঞাও আরোপ করা হয়েছে।

বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, এই ঘটনা প্রবাসীদের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ সতর্কবার্তা। বিদেশে কাজ করতে গেলে অবশ্যই বৈধ কাগজপত্র ও নিয়ম-কানুন মেনে চলা প্রয়োজন।

প্রত্যাবাসিতদের অনেকেই দীর্ঘদিন কাজের সুযোগ না পেয়ে অনিশ্চিত ভবিষ্যতের মুখে পড়েছেন। পরিবার ও সমাজে ফেরার পর নতুন করে জীবন শুরু করাটাই এখন তাদের প্রধান চ্যালেঞ্জ।

এই ঘটনার মাধ্যমে কর্তৃপক্ষ আবারও স্পষ্ট করেছে, আইন ভঙ্গকারীদের বিষয়ে কোনো ধরনের শিথিলতা দেখানো হবে না।


মন্তব্য করুন:

সম্পর্কিত খবর