বৃহঃস্পতিবার, ২৩শে এপ্রিল ২০২৬, ১০ই বৈশাখ ১৪৩৩ | ই-পেপার
ব্রেকিং নিউজ:
  • সারাদেশে উপজেলা প্রতিনিধি নিয়োগ করা হচ্ছে। আগ্রহী হলে আপনার সিভি ই-মেইল করতে পারেন। ই-মেইল nagorikdesk@gmail.com
সংবাদ শিরোনাম:
  • সংবিধানের দোহাই আর নয়, আমরা ফ্যাসিবাদের দাফন করতে চাই
  • গুম-খুনের ব্যাপারে ট্রাইব্যুনাল সহায়তা চাইলে করা হবে : র‍্যাব ডিজি
  • ইসরায়েলের আবাসিক ভবনে ইরানি ক্ষেপণাস্ত্রের আঘাত, ২ জন নিহত
  • বিধ্বস্ত বিমানের দ্বিতীয় ক্রু উদ্ধার, তবে ইরান থেকে বের হতে পারেনি এখনো
  • ঢাকায় যুক্তরাজ্যের বাণিজ্য দূত
  • প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বেসরকারি খাত উপদেষ্টা পরিষদের প্রথম বৈঠক অনুষ্ঠিত
  • বাসা-বাড়িতে লাইট-ফ্যান ব্যবহারে নিষেধাজ্ঞার খবর ভুয়া : বিএনপি
  • ইসরায়েল-যুক্তরাষ্ট্রের জন্য ‘বড় চমক’ আছে, সতর্কতা ইরানের
  • কলকাতায় হামলার হুমকি পাকিস্তানের প্রতিরক্ষামন্ত্রীর
  • আমেরিকা-চীন-রাশিয়া: পররাষ্ট্রনীতিতে কোনদিকে ঝুঁকছে বাংলাদেশ?

অবৈধ অবস্থানের মূল্য চুকিয়ে দেশে ফিরলেন শতাধিক অভিবাসী

অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশিত:
১৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১১:৩২

মালয়েশিয়ায় অবৈধভাবে অবস্থান ও বিভিন্ন আইন লঙ্ঘনের দায়ে সাজা শেষে বিভিন্ন দেশের ১৮৪ জন অভিবাসীকে নিজ নিজ দেশে ফেরত পাঠানো হয়েছে। তাদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য সংখ্যক বাংলাদেশিও রয়েছেন, যা প্রবাসী সমাজে নতুন করে উদ্বেগের সৃষ্টি করেছে।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, ফেব্রুয়ারির দ্বিতীয় সপ্তাহে একটি অভিবাসন ডিপো থেকে এই প্রত্যাবাসন কার্যক্রম সম্পন্ন হয়। দীর্ঘদিন আটক থাকার পর প্রয়োজনীয় আইনগত প্রক্রিয়া শেষ করে তাদের দেশে পাঠানো হয়।

প্রত্যাবাসিতদের মধ্যে ইন্দোনেশিয়া, বাংলাদেশ, ফিলিপাইন, পাকিস্তান, মিয়ানমারসহ একাধিক দেশের নাগরিক রয়েছেন। বিমান ও নৌপথ ব্যবহার করে বিভিন্ন সীমান্তপয়েন্ট দিয়ে তাদের নিজ নিজ দেশে পাঠানো হয়।

কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, প্রত্যেকের বৈধ ভ্রমণ নথি যাচাই করা হয়েছে। যাদের কাছে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র ছিল না, তাদের জন্য দূতাবাসের সহায়তায় অস্থায়ী ভ্রমণ সনদ ইস্যু করা হয়।

অভিবাসন বিভাগ সূত্রে জানা যায়, এসব ব্যক্তি মাদক, অভিবাসন আইন লঙ্ঘন ও অন্যান্য অপরাধে দণ্ড ভোগ করছিলেন। সাজা শেষে তাদের বিরুদ্ধে ভবিষ্যতে পুনঃপ্রবেশ নিষেধাজ্ঞাও আরোপ করা হয়েছে।

বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, এই ঘটনা প্রবাসীদের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ সতর্কবার্তা। বিদেশে কাজ করতে গেলে অবশ্যই বৈধ কাগজপত্র ও নিয়ম-কানুন মেনে চলা প্রয়োজন।

প্রত্যাবাসিতদের অনেকেই দীর্ঘদিন কাজের সুযোগ না পেয়ে অনিশ্চিত ভবিষ্যতের মুখে পড়েছেন। পরিবার ও সমাজে ফেরার পর নতুন করে জীবন শুরু করাটাই এখন তাদের প্রধান চ্যালেঞ্জ।

এই ঘটনার মাধ্যমে কর্তৃপক্ষ আবারও স্পষ্ট করেছে, আইন ভঙ্গকারীদের বিষয়ে কোনো ধরনের শিথিলতা দেখানো হবে না।


মন্তব্য করুন:

সম্পর্কিত খবর