শুক্রবার, ১৩ই মার্চ ২০২৬, ২৮শে ফাল্গুন ১৪৩২ | ই-পেপার
ব্রেকিং নিউজ:
  • সারাদেশে উপজেলা প্রতিনিধি নিয়োগ করা হচ্ছে। আগ্রহী হলে আপনার সিভি ই-মেইল করতে পারেন। ই-মেইল nagorikdesk@gmail.com
সংবাদ শিরোনাম:
  • ত্রয়োদশ সংসদের স্পিকার মেজর হাফিজ উদ্দিন
  • রাষ্ট্রপতির ভাষণ ঘিরে উত্তাপ, মুখোমুখি সরকার–বিরোধী দল
  • ১৫ আগস্ট শোক দিবস বাতিল, বহাল থাকলো আগের সিদ্ধান্ত
  • নির্বাচন নিয়ে নতুন বিতর্ক, নাহিদ ইসলামের বিরুদ্ধে মামলা
  • সংসদের সামনে এনসিপির অবস্থান, রাষ্ট্রপতির অভিশংসন দাবি
  • বাংলাদেশের ওপরও যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্য তদন্ত
  • ইরান যুদ্ধে নতুন কৌশল, ‘প্ল্যান বি’তে যুক্তরাষ্ট্র–ইসরায়েল
  • দীর্ঘস্থায়ী যুদ্ধে ইরানই সুবিধাজনক অবস্থানে থাকতে পারে: বিশ্লেষক
  • ব্যাংক একীভূতকরণের উদ্যোগ চলমান রাখার বার্তা গভর্নরের
  • ইসরায়েল-মার্কিন যৌথ হামলায় ইরানে নিহত বেড়ে ৫৫৫

নির্বাচন নিয়ে নতুন বিতর্ক, নাহিদ ইসলামের বিরুদ্ধে মামলা

ডেস্ক রিপোর্ট

প্রকাশিত:
১২ মার্চ ২০২৬, ১১:৩২

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ফলাফল ঘোষণার পরও থামছে না বিতর্ক। নির্বাচনে কারচুপির অভিযোগ তুলে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক ও বিরোধী দলীয় চিফ হুইপ নাহিদ ইসলামের বিরুদ্ধে হাইকোর্টে মামলা দায়ের করা হয়েছে।

বুধবার ঢাকা-১১ আসনের বিএনপি প্রার্থী এম এ কাইয়ুম হাইকোর্টে এই নির্বাচন পিটিশন দাখিল করেন। আদালত সূত্র জানিয়েছে, বৃহস্পতিবার বিচারপতি মো. জাকির হোসেনের নির্বাচনি ট্রাইব্যুনাল বেঞ্চে মামলার প্রাথমিক শুনানি অনুষ্ঠিত হতে পারে।

মামলায় অভিযোগ করা হয়েছে, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সংশ্লিষ্ট আসনে বিভিন্ন ধরনের অনিয়ম ও কারচুপি হয়েছে। এর ফলে ভোটের ফলাফল প্রশ্নবিদ্ধ হয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে আবেদনপত্রে।

এদিকে শুধু নাহিদ ইসলামের বিরুদ্ধেই নয়, নির্বাচনে অনিয়মের অভিযোগ তুলে বিএনপি ও জামায়াতের আরও কয়েকজন প্রার্থী হাইকোর্টে পৃথক মামলা করেছেন।

মামলা করা প্রার্থীদের মধ্যে রয়েছেন খুলনা-৫ আসনের মিয়া গোলাম পরওয়ার, বরগুনা-২ আসনের ডা. সুলতান আহমেদ এবং পিরোজপুর-২ আসনের শামীম সাঈদী। এছাড়া চুয়াডাঙ্গা-1 আসনের শরিফুজ্জামান শরীফ, মাদারীপুর-১ আসনের নাদিরা আক্তার এবং নীলফামারী-২ আসনের শাহরিন ইসলামও আদালতের দ্বারস্থ হয়েছেন।

এর আগে একই ধরনের অভিযোগ এনে বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমির মাওলানা মামুনুল হকসহ বিএনপির আরও কয়েকজন প্রার্থী হাইকোর্টে নির্বাচন পিটিশন দায়ের করেছিলেন।

তাদের মধ্যে গাইবান্ধা-৫ আসনের ফারুক আলম সরকার, ঢাকা-৫ আসনের নবী উল্লাহ নবী, পাবনা-৩ আসনের হাসান জাফির তুহিন এবং কুষ্টিয়া-৪ আসনের সৈয়দ মেহেদী আহমেদ রুমী উল্লেখযোগ্য।

আইন অনুযায়ী, নির্বাচনে অনিয়ম বা কারচুপির অভিযোগ উঠলে সংক্ষুব্ধ প্রার্থীরা আদালতে প্রতিকার চাইতে পারেন। গণপ্রতিনিধিত্ব অধ্যাদেশের (আরপিও) ৪৯ ধারা অনুযায়ী, এ ধরনের অভিযোগের বিচারিক তদন্তের সুযোগ রয়েছে।

বর্তমানে হাইকোর্টের নির্বাচনি ট্রাইব্যুনাল এসব আবেদন শুনানি করছে। অভিযোগের সত্যতা যাচাই শেষে সংশ্লিষ্ট আসনের ফলাফল নিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত দেওয়ার ক্ষমতা রয়েছে আদালতের।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, নির্বাচনের পর ধারাবাহিকভাবে আদালতে মামলা দায়ের হওয়ায় নির্বাচন নিয়ে নতুন করে বিতর্ক তৈরি হচ্ছে।


মন্তব্য করুন:

সম্পর্কিত খবর