প্রকাশিত:
১৭ মার্চ ২০২৬, ১১:১৮
ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি নিহত হওয়ার পর দেশটির ক্ষমতার কেন্দ্রে শুরু হয় তীব্র দ্বন্দ্ব। নতুন নেতা নির্বাচনের প্রক্রিয়া এক পর্যায়ে রূপ নেয় নাটকীয় ক্ষমতার লড়াইয়ে, যেখানে মুখোমুখি অবস্থানে দাঁড়ায় সামরিক প্রভাবশালী গোষ্ঠী ও মধ্যপন্থীরা।
এই সংকটময় সময়ে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে উঠে আসেন তার ছেলে মোজতবা খামেনি। বাইরে থেকে বিষয়টি সহজ মনে হলেও ভেতরে ভেতরে চলছিল ব্যাপক টানাপড়েন। ধর্মীয় আলেমদের পরিষদ বিভক্ত হয়ে পড়ে এবং ক্ষমতাবান রেভল্যুশনারি গার্ডস তাদের পছন্দের প্রার্থীকে প্রতিষ্ঠিত করতে সক্রিয় হয়ে ওঠে।
মধ্যপন্থীরা চেয়েছিল নতুন মুখ, যিনি আন্তর্জাতিক সম্পর্ক স্বাভাবিক করতে সক্ষম হবেন। অন্যদিকে কট্টরপন্থীরা চেয়েছিল শক্ত অবস্থান ধরে রাখা নেতৃত্ব। এই দ্বন্দ্বের মাঝেই কয়েক দফা গোপন বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।
শেষ পর্যন্ত ভোটাভুটিতে মোজতবা খামেনি প্রয়োজনীয় সমর্থন পেয়ে নির্বাচিত হন। যদিও এই সিদ্ধান্তের আগে ও পরে নানা বাধা ও বিতর্ক তৈরি হয়।
বিশ্লেষকদের মতে, এই নির্বাচন শুধু নেতৃত্ব পরিবর্তন নয়, বরং ইরানের ভবিষ্যৎ নীতির দিকনির্দেশনাও নির্ধারণ করেছে।
মন্তব্য করুন: