বৃহঃস্পতিবার, ২৩শে এপ্রিল ২০২৬, ১০ই বৈশাখ ১৪৩৩ | ই-পেপার
ব্রেকিং নিউজ:
  • সারাদেশে উপজেলা প্রতিনিধি নিয়োগ করা হচ্ছে। আগ্রহী হলে আপনার সিভি ই-মেইল করতে পারেন। ই-মেইল nagorikdesk@gmail.com
সংবাদ শিরোনাম:
  • সংবিধানের দোহাই আর নয়, আমরা ফ্যাসিবাদের দাফন করতে চাই
  • গুম-খুনের ব্যাপারে ট্রাইব্যুনাল সহায়তা চাইলে করা হবে : র‍্যাব ডিজি
  • ইসরায়েলের আবাসিক ভবনে ইরানি ক্ষেপণাস্ত্রের আঘাত, ২ জন নিহত
  • বিধ্বস্ত বিমানের দ্বিতীয় ক্রু উদ্ধার, তবে ইরান থেকে বের হতে পারেনি এখনো
  • ঢাকায় যুক্তরাজ্যের বাণিজ্য দূত
  • প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বেসরকারি খাত উপদেষ্টা পরিষদের প্রথম বৈঠক অনুষ্ঠিত
  • বাসা-বাড়িতে লাইট-ফ্যান ব্যবহারে নিষেধাজ্ঞার খবর ভুয়া : বিএনপি
  • ইসরায়েল-যুক্তরাষ্ট্রের জন্য ‘বড় চমক’ আছে, সতর্কতা ইরানের
  • কলকাতায় হামলার হুমকি পাকিস্তানের প্রতিরক্ষামন্ত্রীর
  • আমেরিকা-চীন-রাশিয়া: পররাষ্ট্রনীতিতে কোনদিকে ঝুঁকছে বাংলাদেশ?

ইরানের সর্বোচ্চ নেতার পররাষ্ট্র উপদেষ্টা গুরুতর আহত, স্ত্রী নিহত

ডেস্ক রির্পোট

প্রকাশিত:
২ এপ্রিল ২০২৬, ১১:৩৯

ছবি: সংগৃহীত

যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের বিমান অভিযানে ইরানের শীর্ষ পররাষ্ট্র উপদেষ্টা কামাল খারাজি গুরুতর আহত হয়েছেন এবং তার স্ত্রী হয়েছেন নিহত। বুধবার তেহরানে তার বাসভবনে হামলা হয়েছে।


ইরানি সংবাদমাধ্যমগুলোর বরাত দিয়ে এক প্রতিবেদনে এএফপি জানিয়েছে, হামলার কিছু সময় পর তেহরানের বাসভবন থেকে গুরুতর আহত অবস্থায় কামাল খারাজি এবং তার স্ত্রীকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক খারাজির স্ত্রীকে মৃত ঘোষণা করেন। বর্তমানে হাসপাতালের নিবিড় পরিচর্যাকেন্দ্রে চিকিৎসাধীন আছেন তিনি।

কামাল খারাজি ১৯৯৭ সাল থেকে ২০০৫ সাল পর্যন্ত ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ছিলেন। তারপর সাবেক সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির পররাষ্ট্র উপদেষ্টা এবং ইরানের স্ট্র্যাটেজিক কাউন্সিল অন ফরেইন রিলেশন্স দপ্তরের প্রধান হিসেবে নিয়োগপ্রাপ্ত হন।

গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের যৌথ হামলায় নিহত হন আয়াতুল্লাহ খামেনি। তার মৃত্যুর কিছু দিন পর নতুন সর্বোচ্চ নেতা হিসেবে নির্বাচিত হন তার ছেলে মোজতবা খামেনি।

কামাল খারাজি মোজতবা খামেনিরও পররাষ্ট্র উপদেষ্টা ছিলেন।

ইরানের পরমাণু প্রকল্প এবং ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচি গত দু’যুগ ধরে দেশটির সঙ্গে দ্বন্দ্ব চলছে পশ্চিমা বিশ্বের। এ দুই ইস্যুতে গত ৬ ফেব্রুয়ারি থেকে ২৭ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত ২১ দিন ধরে সংলাপ চলে তেহরান এবং ওয়াশিংটনের মধ্যে। ২৭ ফেব্রুয়ারি কোনো প্রকার সমঝোতা চুক্তি ছাড়াই শেষ হয় সেই সংলাপ।

তার পরের দিন ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানে ‘অপারেশন এপিক ফিউরি’ শুরু করে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনী। ওয়াশিংটনের সঙ্গে তাল মিলিয়ে একই সময়ে ইরানে সামরিক অভিযান ‘অপারেশন রোয়ারিং লায়ন’ শুরু করে ইসরায়েলও।


যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের অভিযানের প্রথম দিনই নিহত হন খামেনিসহ ইরানের সামরিক ও সরকারি প্রশাসনের বেশ কয়েকজন গুরুত্বপূর্ণ কর্মকর্তা।

সমানতালে হামলার পাল্টা জবাব দিচ্ছে ইরানও। যুদ্ধের শুরু থেকেই ইসরায়েল ও মধ্যপ্রাচ্যের উপসাগরীয় অঞ্চলের ৬ দেশ সৌদি আরব, কাতার, কুয়েত, বাহরাইন, সংযুক্তর আরব আমিরাত, ওমানে অবস্থিত মার্কিন সেনাঘাঁটি ও বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা লক্ষ্য করে দফায় দফায় ড্রোন-ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করা শুরু করে ইরান, যা এখনও চলছে।

তেহযুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ অভিযানে গত ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে এ পর্যন্ত ইরানে নিহত হয়েছেন মোট ১ হাজার ৩৪০ জন।

সূত্র : এএফপি/ আল আরাবিয়া


মন্তব্য করুন:

সম্পর্কিত খবর