শনিবার, ৭ই মার্চ ২০২৬, ২৩শে ফাল্গুন ১৪৩২ | ই-পেপার
ব্রেকিং নিউজ:
  • সারাদেশে উপজেলা প্রতিনিধি নিয়োগ করা হচ্ছে। আগ্রহী হলে আপনার সিভি ই-মেইল করতে পারেন। ই-মেইল nagorikdesk@gmail.com
সংবাদ শিরোনাম:
  • দীর্ঘস্থায়ী যুদ্ধে ইরানই সুবিধাজনক অবস্থানে থাকতে পারে: বিশ্লেষক
  • ব্যাংক একীভূতকরণের উদ্যোগ চলমান রাখার বার্তা গভর্নরের
  • ইসরায়েল-মার্কিন যৌথ হামলায় ইরানে নিহত বেড়ে ৫৫৫
  • আসিফ মাহমুদের ব্যাংক হিসাব তলব
  • অপরাধ দমনে আরও বেশি সক্রিয় পুলিশ
  • ঢাকার আইসিইউয়ে ওষুধ-প্রতিরোধী ছত্রাক ‘সুপারবাগ’ ছড়িয়ে পড়েছে
  • ভূমি প্রতিমন্ত্রী অফিসে গিয়ে দেখেন কর্মকর্তারা কেউ আসেননি
  • রাজধানীতে নারীদের জন্য আলাদা বাস চালুর নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর
  • আন্তর্জাতিক আইন লঙ্ঘন করে খামেনিকে হত্যা, বিবৃতিতে বাংলাদেশ
  • মঙ্গলবার থেকে মিলবে ঈদযাত্রায় ট্রেনের টিকিট

এ বছর গ্রীষ্মে ভয়াবহ তাপপ্রবাহের শঙ্কা

রোকাইয়া তিথি, জবি

প্রকাশিত:
২৭ জানুয়ারী ২০২৪, ১৫:৩২

এ বছরও শীত এসেছে নির্দিষ্ট সময়ের পরে। একটি সময় ছিল নভেম্বরের শুরু থেকেই শীত অনুভব হতো, ডিসেম্বরে নেমে আসতো শৈত্যপ্রবাহ। অথচ এ বছর ডিসেম্বরের শেষ সপ্তাহে শীত আসতে শুরু করে। বছরের প্রথম শৈত্যপ্রবাহ আসে জানুয়ারির মাঝামাঝিতে। আবহাওয়াবিদরা বলছেন, এল নিনো মূলত আবহাওয়ার বিশেষ নেতিবাচক অবস্থাকে বোঝায়। প্রশান্ত মহাসাগরের মধ্য ও পূর্ব অংশে সমুদ্রপৃষ্ঠের উষ্ণতা যখন স্বাভাবিকের চেয়ে ছাড়িয়ে যায় তখন তাকে এল নিনো বলা হয়।

এর ফলে উপকূলীয় এলাকায় স্বাভাবিক বায়ুপ্রবাহ হারিয়ে যায়। সাধারণত দুই থেকে সাত বছর পরপর এল নিনো পরিস্থিতি তৈরি হয়। যা ১৮ মাসের বেশি সময় পর্যন্ত স্থায়ী হয়ে থাকে। বর্তমানে এল নিনোর প্রভাবে পৃথিবীর বায়ুমণ্ডলে চরম বিপর্যয় নিয়ে এসেছে বলে বিজ্ঞানীদের ধারনা। এতে পেরু, ইকুয়েডর ও চিলিসহ উত্তর প্রশান্ত মহাসাগর এলাকায় প্রচুর বৃষ্টিপাত, ঘূর্ণিঝড়, বন্যা ও উপকূলে ভাঙনের ঝুঁকি তৈরি হয়েছে। ফলে এশিয়া ও অস্ট্রেলিয়ার বহু জায়গায় বৃষ্টিপাত কমে আসবে। দেখা দেবে শুষ্কতা। খরা ও দাবানলের মতো পরিস্থিতি তৈরি হবে বাংলাদেশ-ভারতসহ আশপাশের দেশগুলোতে।


অতিরিক্ত কার্বন নিঃসরণ অপরিকল্পিত নগরায়ণ, দূষণ, গাছপালা নিধনের ফলে প্রকৃতিতে তাপমাত্রার পরিমাণ বাড়ছে।যার ফলে জলবায়ুতে বড় ধরনে পরিবর্তন এসেছে। জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলায় দ্রুত ও কার্যকরী পদক্ষেপ নেওয়াকেই এখন বড় চ্যালেঞ্জ হিসেবে দেখছেন আবহাওয়াবিদরা।


আবহাওয়া অধিদপ্তরের এক গবেষণায় বলা হয়েছে, সাধারণত গ্রীষ্মের তাপপ্রবাহ মার্চ, এপ্রিল ও মে মাস পর্যন্ত স্থায়িত্ব হতো। গত কয়েক বছর ধরে জুন, জুলাই, আগস্ট ও সেপ্টেম্বর পর্যন্ত থাকছে তাপপ্রবাহ।২০২৩ সালের জুন মাসের তাপমাত্রা ৩৪ ডিগ্রি সেলসিয়াসের উপরে ছিল। এবারে তাপমাত্রা গত বছরকেও ছাড়িয়ে যেতে পারে।


এ প্রসঙ্গে জানতে চাইলে ভূগোল ও পরিবেশ বিজ্ঞান বিভাগের সহকারী অধ্যাপক নিউটন হাওলাদার বলেন, শীতকাল ছোট হয়ে আসায় এর ব্যাপক প্রভাব পড়বে মানুষের দৈনন্দিন জীবনে। শীতকালীন শাক-সবজি উৎপাদনে মারাত্মক ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে আমাদের কৃষিখাত । শীতকালের ব্যাপ্তি কমে আসলে কৃষিখাতে খরচের পরিমাণ বেড়ে যাবে যেমন তাপমাত্রা বৃদ্ধির কারণে কৃত্রিম সেচের প্রয়োজন বৃদ্ধি পাবে।


তিনি আরও বলেন, যেহেতু দিন ও রাতের তাপমাত্রার পার্থক্য বাড়ছে এবং একই সাথে শীতকালের ব্যাপ্তিও কমে আসছে, এতে জ্বালানি চাহিদা বেড়ে যাবে।

ফলে বিদ্যুতের ব্যবহার ও পরিবারের বাজেটের ওপর চাপ বাড়বে। তাই আমাদের সকলের সচেতন হতে হবে, নগরায়ণে আমাদের পরিবেশ বিষয়ে গুরুত্ব দিতে হবে। পর্যাপ্ত গাছপালা রেখে নগরায়ণ করতে হবে,বেশি বেশি বৃক্ষ রোপন করতে হবে।


মন্তব্য করুন:

সম্পর্কিত খবর