শনিবার, ৭ই মার্চ ২০২৬, ২৩শে ফাল্গুন ১৪৩২ | ই-পেপার
ব্রেকিং নিউজ:
  • সারাদেশে উপজেলা প্রতিনিধি নিয়োগ করা হচ্ছে। আগ্রহী হলে আপনার সিভি ই-মেইল করতে পারেন। ই-মেইল nagorikdesk@gmail.com
সংবাদ শিরোনাম:
  • দীর্ঘস্থায়ী যুদ্ধে ইরানই সুবিধাজনক অবস্থানে থাকতে পারে: বিশ্লেষক
  • ব্যাংক একীভূতকরণের উদ্যোগ চলমান রাখার বার্তা গভর্নরের
  • ইসরায়েল-মার্কিন যৌথ হামলায় ইরানে নিহত বেড়ে ৫৫৫
  • আসিফ মাহমুদের ব্যাংক হিসাব তলব
  • অপরাধ দমনে আরও বেশি সক্রিয় পুলিশ
  • ঢাকার আইসিইউয়ে ওষুধ-প্রতিরোধী ছত্রাক ‘সুপারবাগ’ ছড়িয়ে পড়েছে
  • ভূমি প্রতিমন্ত্রী অফিসে গিয়ে দেখেন কর্মকর্তারা কেউ আসেননি
  • রাজধানীতে নারীদের জন্য আলাদা বাস চালুর নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর
  • আন্তর্জাতিক আইন লঙ্ঘন করে খামেনিকে হত্যা, বিবৃতিতে বাংলাদেশ
  • মঙ্গলবার থেকে মিলবে ঈদযাত্রায় ট্রেনের টিকিট

ইবিতে মেতে ওঠেছে সংবর্ত-৩৬: ব্যাচ ডে উদযাপন

রবিউল আলম , ইবি

প্রকাশিত:
৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৪, ১৮:১০

বর্ণিল আয়োজনের মধ্য দিয়ে বিশ্ববিদ্যালয় জীবনের প্রথম বর্ষপূর্তি (ব্যাচ ডে) উদযাপন করেছে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) ২০২১-২২ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থীরা। বর্ণাঢ্য র‌্যালি, কেক কাটা, ফ্লাস মব, আবির মাখা ও মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানসহ বিভিন্ন আয়োজনের মধ্য দিয়ে ব্যাচ ডে উদযাপন করেন সম্মিলিত ব্যাচভিত্তিক সংগঠন “সংবর্ত-৩৬”।

দিবসটি উপলক্ষে বৃহস্পতিবার(৮ ফেব্রুয়ারি) সকাল ১০ টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের টিএসসিসি’র সামনে থেকে এক বর্ণাঢ্য র‌্যালি বের করেন শিক্ষার্থীরা। র‌্যালিটি ক্যাম্পাসের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে প্রধান ফটক পার্শ্ববর্তী মৃত্যুঞ্জয়ী মুজিব ম্যুরালের সামনে গিয়ে সমবেত হয়।

মধ্যাহ্নভোজের পর বেলা ২ টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের অনুষদ ভবন সংলগ্ন আম বাগানে অবস্থিত বাংলা মঞ্চে মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়। শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে 'ওয়েব দ্যা ব্যান্ড' মেতে ওঠেছে।

ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগের শিক্ষার্থী অর্ণা অনুভূতি ব্যক্ত করতে গিয়ে বলেন, প্রতিদিন এমন স্পেশাল দিন আসে না। বছরে একবার দেখা পাই, তাও এবার প্রথম। মূলত ব্যাচ ডে পালন করা হয় প্রতিটি বিভাগের সাথে সেতুবন্ধন করতে। সবাইকে সমানভাবে দেখার মাধ্যম হচ্ছে ব্যাচ ডে। আমরা সংবর্ত-৩৬, আমরাই ইতিহাস।

ব্যাচ ডে উদযাপন করতে এসে ল এন্ড ল্যান্ড ম্যানেজমেন্ট বিভাগের শিক্ষার্থী মাহিদ আলী বলেন, জীবনের স্মৃতিময় প্রতিটা দিনকেই উদযাপন করা উচিত। পুরনো স্মৃতিকে রঙিন ভাবে সাজিয়ে তুলার উন্মাদনায় আমরা নিজেদের সাজিয়ে তুললাম নতুন সাজে। এ তো সবই চেনা মুখ, এদের সাথেই কেটে গেলো ক্যাম্পাস লাইফের এক বছর। এই চেনা মুখগুলো অচেনা হয়ে যাবে কয়েকবছর পরেই। কারণ ভার্সিটি লাইফের একবছর যে শেষ। আমাদের স্মৃতিগুলো এভাবেই হারিয়ে যাবে যদি হারাতে দেওয়া হয়। আমরা স্মৃতিগুলোকে হারাতে দিব না নতুন উৎসবের উন্মাদনায়।

একই ব্যাচের শিক্ষার্থী এবং আয়োজক কমিটির সদস্য মাফি বলেন, আজকের এই আয়োজন গুছাতে আমরা দিনরাত যে পরিশ্রম করেছি তা সার্থক মনে হচ্ছে। সকলের সহযোগিতায় আমরা দিনটি স্পেশালি উপভোগ করতে পারছি। আমরা ব্যাচ-ডে পালনের উদ্দেশ্যে ক্যাম্পাসের সর্ববৃহৎ গ্রাফিতি অঙ্কন করেছি। তাছাড়া আজকে দিনভর নানা আয়োজন তো পর্যায়ক্রমে চলমান থাকবেই। আমি চাইব এইরকম আয়োজন যেনো ধারাবাহিকভাবে চলতে থাকে। সংবর্ত-৩৬ সবসময়ই স্পেশাল কিছু বিশ্ববিদ্যালয়কে উপহার দিবে আশাকরি।


মন্তব্য করুন:

সম্পর্কিত খবর