শনিবার, ৭ই মার্চ ২০২৬, ২৩শে ফাল্গুন ১৪৩২ | ই-পেপার
ব্রেকিং নিউজ:
  • সারাদেশে উপজেলা প্রতিনিধি নিয়োগ করা হচ্ছে। আগ্রহী হলে আপনার সিভি ই-মেইল করতে পারেন। ই-মেইল nagorikdesk@gmail.com
সংবাদ শিরোনাম:
  • দীর্ঘস্থায়ী যুদ্ধে ইরানই সুবিধাজনক অবস্থানে থাকতে পারে: বিশ্লেষক
  • ব্যাংক একীভূতকরণের উদ্যোগ চলমান রাখার বার্তা গভর্নরের
  • ইসরায়েল-মার্কিন যৌথ হামলায় ইরানে নিহত বেড়ে ৫৫৫
  • আসিফ মাহমুদের ব্যাংক হিসাব তলব
  • অপরাধ দমনে আরও বেশি সক্রিয় পুলিশ
  • ঢাকার আইসিইউয়ে ওষুধ-প্রতিরোধী ছত্রাক ‘সুপারবাগ’ ছড়িয়ে পড়েছে
  • ভূমি প্রতিমন্ত্রী অফিসে গিয়ে দেখেন কর্মকর্তারা কেউ আসেননি
  • রাজধানীতে নারীদের জন্য আলাদা বাস চালুর নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর
  • আন্তর্জাতিক আইন লঙ্ঘন করে খামেনিকে হত্যা, বিবৃতিতে বাংলাদেশ
  • মঙ্গলবার থেকে মিলবে ঈদযাত্রায় ট্রেনের টিকিট

মাসহ এসএসসি পরীক্ষার্থী চাচার হাতে খুন

গোপালগ‌ঞ্জ প্রতিনিধি

প্রকাশিত:
১৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৪, ১২:২৯

জমি সংক্রান্ত বিরোধের জেরে চাচার হাতে খুন হলো এসএসসি পরীক্ষার্থী লামিয়া (১৬) ও তার মা বিউটি বেগম (৩৮)। এ ঘটনায় আহত হয়েছে লামিয়ার ছোট বোন অন্তরাও (১২)।

রোববার (১৮ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যা ৭টায় গোপালগঞ্জ সদর উপজেলার জালালাবাদ ইউনিয়নের দূর্গাপুর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

নিহতরা হলেন, ওই গ্রামের কৃষক টুকু মিনার স্ত্রী ও মেয়ে। লামিয়া জালালাবাদ ইউনিয়নের খালিয়া ইউনাইটেড একাডেমি থেকে এ বছর এসএসসি পরীক্ষায় অংশ নিচ্ছিলো।

পুলিশ ও এলাকাবাসী জানায়, বড় ভাই হারুন মিনার সঙ্গে মেঝ ভাই টুকু মিনারের বাড়ির জমির সীমানা নিয়ে বিরোধ চলছিল। রোববার সন্ধ্যায় টুকু মিনার মেয়ে এসএসসি পরীক্ষার্থী লামিয়া বাড়ির সীমানায় দাঁড়িয়ে মোবাইল ফোনে কথা বলছিলেন। তখন বড় চাচা হারুন মিয়া লামিয়াকে ওই স্থানে থেকে সরে যেতে বলে। এ নিয়ে লামিয়া সঙ্গে চাচা হারুন মিনার ঝগড়াঝাঁটি শুরু হয়। এসময় লামিয়ার মা বিউটি বেগম ও ছোট বোন অন্তরা ঘটনাস্থলে আসে। একপর্যায়ে চাচা হারুন মিনা দেশীয় অস্ত্র (কাতরা) দিয়ে লামিয়া ও তার মা বিউটি বেগমের পেটে কুপিয়ে আহত করেন। এতে অতিরিক্ত রক্তক্ষরণে ঘটনাস্থলেই লামিয়া ও তার মায়ের মৃত্যু হয়। এসময় ছোট বোন অন্তরাও আহত হয়।

পরে স্থানীয়রা হতাহতদের গোপালগঞ্জ ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে এলে লামিয়া ও তার মা বিউটি বেগমকে মৃত ঘোষণা করেন। আহত অন্তরাকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

গোপালগঞ্জ সদর থানার উপপরিদর্শক (এসআই) আলমাস আল রাজী ঘটনার সত্যতার স্বীকার করে বলেন, অভিযুক্ত হারুন মিয়া ও তার স্ত্রীসহ ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে।


মন্তব্য করুন:

সম্পর্কিত খবর