বৃহঃস্পতিবার, ২৩শে এপ্রিল ২০২৬, ১০ই বৈশাখ ১৪৩৩ | ই-পেপার
ব্রেকিং নিউজ:
  • সারাদেশে উপজেলা প্রতিনিধি নিয়োগ করা হচ্ছে। আগ্রহী হলে আপনার সিভি ই-মেইল করতে পারেন। ই-মেইল nagorikdesk@gmail.com
সংবাদ শিরোনাম:
  • সংবিধানের দোহাই আর নয়, আমরা ফ্যাসিবাদের দাফন করতে চাই
  • গুম-খুনের ব্যাপারে ট্রাইব্যুনাল সহায়তা চাইলে করা হবে : র‍্যাব ডিজি
  • ইসরায়েলের আবাসিক ভবনে ইরানি ক্ষেপণাস্ত্রের আঘাত, ২ জন নিহত
  • বিধ্বস্ত বিমানের দ্বিতীয় ক্রু উদ্ধার, তবে ইরান থেকে বের হতে পারেনি এখনো
  • ঢাকায় যুক্তরাজ্যের বাণিজ্য দূত
  • প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বেসরকারি খাত উপদেষ্টা পরিষদের প্রথম বৈঠক অনুষ্ঠিত
  • বাসা-বাড়িতে লাইট-ফ্যান ব্যবহারে নিষেধাজ্ঞার খবর ভুয়া : বিএনপি
  • ইসরায়েল-যুক্তরাষ্ট্রের জন্য ‘বড় চমক’ আছে, সতর্কতা ইরানের
  • কলকাতায় হামলার হুমকি পাকিস্তানের প্রতিরক্ষামন্ত্রীর
  • আমেরিকা-চীন-রাশিয়া: পররাষ্ট্রনীতিতে কোনদিকে ঝুঁকছে বাংলাদেশ?

বিশ্ব ধরিত্রী দিবস আজ

প্লাস্টিকের উৎপাদন ৬০ শতাংশ কমানোর দাবি

স্টাফ রিপোর্টার

প্রকাশিত:
২২ এপ্রিল ২০২৪, ১১:০৩

বিশ্ব ধরিত্রী দিবস আজ। প্রকৃতি, পরিবেশ ও প্রতিবেশ রক্ষার মাধ্যমে ধরিত্রীকে টিকিয়ে রাখার লক্ষ্যে এবং এ সম্পর্কে জনসচেতনতা বাড়াতে প্রতিবছর ২২ এপ্রিল বিশ্বের বিভিন্ন দেশে দিবসটি পালিত হয়।

চলতি বছর দিবসটির প্রতিপাদ্য গ্রহ বনাম প্লাস্টিক। ২০৪০ সালের মধ্যে প্লাস্টিকের উৎপাদন ৬০ শতাংশ কমানোর দাবি জানিয়ে এবার দিবসটি পালিত হচ্ছে বিশ্বব্যাপী।


দিবসটি উপলক্ষে জাতিসংঘের মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস বলেছেন, ‘আমরা খাবার, শ্বাসপ্রশ্বাস ও সুপেয় পানির জন্য প্রকৃতির ওপর নির্ভর করি। তবু আমরা আমাদের গ্রহকে দূষণের মাধ্যমে বিষাক্ত করে, বিভিন্ন প্রাণ-প্রজাতি ও প্রতিবেশকে ক্ষতিগ্রস্ত এবং গ্রিনহাউস গ্যাস নির্গমনের মাধ্যমে জলবায়ুকে অস্থিতিশীল করে প্রকৃতিতে বিশৃঙ্খলা নিয়ে এসেছি।’

জাতিসংঘের মহাসচিব বলেন, ‘আমরা খাদ্য উৎপাদনকে বাধাগ্রস্ত করছি, সমুদ্র ও বাতাসকে দূষিত করছি, বিপজ্জনক ও অস্থিতিশীল পরিবেশ তৈরি করছি এবং টেকসই উন্নয়নকে আটকে রাখছি। আমাদের অবশ্যই একযোগে প্রকৃতির সঙ্গে মানুষের যে সম্প্রীতি তা পুনরুদ্ধার করতে হবে।


জীববৈচিত্র্যের ক্ষতি ও দূষণ বন্ধ করতে হবে। বিশ্বব্যাপী গ্রিনহাউস গ্যাস নির্গমন কমাতে হবে। পৃথিবীর দম বন্ধ করা প্লাটিকের উৎপাদনে ভর্তুকি দেওয়া বন্ধ করতে হবে।’

ধরিত্রী দিবসের শুরু ১৯৭০ সালে।


এর পেছনের ধারণাটি এসেছে যুক্তরাষ্ট্রের সিনেটর গেলর্ড নেলসন এবং হার্ভার্ডের ছাত্র ডেনিস হেইসের কাছ থেকে। ১৯৬৯ সালের জানুয়ারিতে ক্যালিফোর্নিয়ার সান্তা বারবারা এলাকায় তেল ছড়িয়ে পড়া ও যুক্তরাষ্ট্রের পরিবেশের ক্রমাগত অবনতি তাঁদের দুজনকেই গভীরভাবে প্রভাবিত করেছিল।


মন্তব্য করুন:

সম্পর্কিত খবর