শুক্রবার, ২৪শে এপ্রিল ২০২৬, ১০ই বৈশাখ ১৪৩৩ | ই-পেপার
ব্রেকিং নিউজ:
  • সারাদেশে উপজেলা প্রতিনিধি নিয়োগ করা হচ্ছে। আগ্রহী হলে আপনার সিভি ই-মেইল করতে পারেন। ই-মেইল nagorikdesk@gmail.com
সংবাদ শিরোনাম:
  • সংবিধানের দোহাই আর নয়, আমরা ফ্যাসিবাদের দাফন করতে চাই
  • গুম-খুনের ব্যাপারে ট্রাইব্যুনাল সহায়তা চাইলে করা হবে : র‍্যাব ডিজি
  • ইসরায়েলের আবাসিক ভবনে ইরানি ক্ষেপণাস্ত্রের আঘাত, ২ জন নিহত
  • বিধ্বস্ত বিমানের দ্বিতীয় ক্রু উদ্ধার, তবে ইরান থেকে বের হতে পারেনি এখনো
  • ঢাকায় যুক্তরাজ্যের বাণিজ্য দূত
  • প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বেসরকারি খাত উপদেষ্টা পরিষদের প্রথম বৈঠক অনুষ্ঠিত
  • বাসা-বাড়িতে লাইট-ফ্যান ব্যবহারে নিষেধাজ্ঞার খবর ভুয়া : বিএনপি
  • ইসরায়েল-যুক্তরাষ্ট্রের জন্য ‘বড় চমক’ আছে, সতর্কতা ইরানের
  • কলকাতায় হামলার হুমকি পাকিস্তানের প্রতিরক্ষামন্ত্রীর
  • আমেরিকা-চীন-রাশিয়া: পররাষ্ট্রনীতিতে কোনদিকে ঝুঁকছে বাংলাদেশ?

আসামে বন্যায় মৃত্যু ৩৪, পানিবন্দি সাড়ে ছয় লাখ মানুষ

অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশিত:
৩ জুলাই ২০২৪, ১১:০২

উত্তর-পূর্ব ভারতের আসাম রাজ্যের বিস্তীর্ণ অঞ্চল বন্যার পানিতে তলিয়ে গেছে। সেখানে আরো কয়েকদিন বৃষ্টিপাত হতে পারে। এ অবস্থায় বন্যা পরিস্থিতির আরো অবনতির আশঙ্কা করছে রাজ্যটি। বন্যার কারণে রাজ্যটির ১৯ জেলার প্রায় সাড়ে ছয় লাখ মানুষ পানিবন্দি হয়ে পড়েছে।

বন্যায় এ পর্যন্ত ৩৪ জনের মৃত্যু হয়েছে।

আসাম রাজ্য সরকার সূত্র বলছে, টানা বৃষ্টির কারণে বিপতসীমা ছুঁয়ে ফেলেছে ব্রহ্মপুত্র, বুড়িডিহিং, সুবনসিরি, ধানসিঁড়ি, জিয়া ভরালি, পুথিমারি, বেকি, গুরুং, সঙ্কোশসহ বিভিন্ন নদী। কাজিরাঙা জাতীয় উদ্যানের বিস্তীর্ণ অংশ এরই মধ্যে পানিতে তলিয়ে গেছে।

আসামের মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্বশর্মা জানান, আবহাওয়া বিভাগ আরো বৃষ্টিপাতের পূর্বাভাস দিয়েছে।

আগামী কয়েক দিনে পরিস্থিতি আরো ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে দাঁড়াতে পারে। তিনি জানিয়েছেন, ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি তাঁকে ফোন করে সম্ভাব্য সব ধরনের সাহায্যের আশ্বাস দিয়েছেন।

আসামের বিশ্বনাথ, কাছাড়া, চড়াইদেহ, দারং, চিরাং, ধেমাজি, ডিব্রুগড়, গোলাঘাটা, জোরহাট, কামরূপ, লখিমপুর, শিবসাগর, সোনিতপুর, মরিগাঁও, নগাঁও, মাজুলি, করিমগঞ্জ, তামুলপুর, তিনসুকিয়া, নলবাড়ি জেলার অবস্থা শোচনীয়।

আসাম রাজ্য সরকারের দুর্যোগ মোকাবেলা দপ্তরের তত্ত্বাবধানে বন্যাপ্লাবিত জেলাগুলোর বিভিন্ন স্থানে অন্তত ৭২টি ত্রাণশিবির খোলা হয়েছে।

এসব শিবিরে আশ্রয় নিয়েছে আট হাজার ১৪২ জন মানুষ। শিগগিরই আরো ৬৪টি শিবির খোলা হবে বলে জানিয়েছে দপ্তর। বন্যার কারণে গণ্ডার, বুনো মহিষ, হরিণসহ বিভিন্ন বন্য প্রাণীর মৃত্যুর আশঙ্কাও বাড়ছে।

আসাম বন দপ্তর জানায়, কাজিরাঙার ২৩৩টি ফরেস্ট ক্যাম্পের ৬২টিই এখন প্লাবিত হয়ে পড়েছে। প্রায় প্রতিবছরই কাজিরাঙার নিচু অংশ জলমগ্ন হলে ৭১৫ নম্বর জাতীয় সড়ক পেরিয়ে বন্য প্রাণীগুলো কার্বি আংলং পাহাড়ে আশ্রয় নেয়।

সে সময় দ্রুতগতির যানবাহনের ধাক্কায় বহু পশু মারা পড়ে। এবার বন্য প্রাণী বাঁচাতে ওই জাতীয় সড়কে যানবাহন নিয়ন্ত্রণে নজর দিচ্ছে আসাম বন দপ্তর।


মন্তব্য করুন:

সম্পর্কিত খবর