শনিবার, ৭ই মার্চ ২০২৬, ২৩শে ফাল্গুন ১৪৩২ | ই-পেপার
ব্রেকিং নিউজ:
  • সারাদেশে উপজেলা প্রতিনিধি নিয়োগ করা হচ্ছে। আগ্রহী হলে আপনার সিভি ই-মেইল করতে পারেন। ই-মেইল nagorikdesk@gmail.com
সংবাদ শিরোনাম:
  • দীর্ঘস্থায়ী যুদ্ধে ইরানই সুবিধাজনক অবস্থানে থাকতে পারে: বিশ্লেষক
  • ব্যাংক একীভূতকরণের উদ্যোগ চলমান রাখার বার্তা গভর্নরের
  • ইসরায়েল-মার্কিন যৌথ হামলায় ইরানে নিহত বেড়ে ৫৫৫
  • আসিফ মাহমুদের ব্যাংক হিসাব তলব
  • অপরাধ দমনে আরও বেশি সক্রিয় পুলিশ
  • ঢাকার আইসিইউয়ে ওষুধ-প্রতিরোধী ছত্রাক ‘সুপারবাগ’ ছড়িয়ে পড়েছে
  • ভূমি প্রতিমন্ত্রী অফিসে গিয়ে দেখেন কর্মকর্তারা কেউ আসেননি
  • রাজধানীতে নারীদের জন্য আলাদা বাস চালুর নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর
  • আন্তর্জাতিক আইন লঙ্ঘন করে খামেনিকে হত্যা, বিবৃতিতে বাংলাদেশ
  • মঙ্গলবার থেকে মিলবে ঈদযাত্রায় ট্রেনের টিকিট

গিনেস বুকে নাম তুলতে গিয়ে একটানা সাত দিন ধরে কাঁদলেন যুবক!

অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশিত:
২২ জুলাই ২০২৩, ১৩:০৮

গিনেস বুকে নাম তুলে কৃতিত্ব স্থাপন করতে চেয়েছিলেন। কিন্তু তা করতে গিয়ে গিয়ে আংশিক দৃষ্টিশক্তি হারালেন নাইজেরিয়ার এক যুবক। ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসির একটি প্রতিবেদন অনুসারে টেম্বু এবেরে নামের নাইজেরিয়ার ওই যুবক গিনেস বুকে নাম তোলার জন্য সাত দিন একটানা কেঁদে যাচ্ছিলেন। জোর করে চোখে জল আনার জন্য নানারকম কলাকৌশলও করেছিলেন। আর তা করতে গিয়েই হঠাৎ ওই যুবক টের পান যে, তিনি সব কিছুই অস্পষ্ট দেখছেন।

ওই প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, কে দীর্ঘতম সময় কাঁদতে পারেন, তা নিয়ে একটি আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতা চলছিল। সেই প্রতিযোগিতাতেই শামিল হয়েছিলেন নাইজেরীয় ওই যুবক। ওই যুবক পরে বিবিসিকে জানান, ৪৫ মিনিটের জন্য তিনি কিছু দেখতে পাননি। চোখ ফুলে গিয়েছিল। মাথাতেও অসম্ভব যন্ত্রণা হচ্ছিল বলে জানিয়েছেন তিনি। এখন অবশ্য সুস্থই রয়েছেন। চোখ নিয়েও কোনও সমস্যা নেই।

 

এত কিছুর পরেও হাল ছাড়তে রাজি হননি তিনি। জানিয়েছিলেন কৌশল বদলে প্রতিযোগিতায় টিকে থাকার চেষ্টা করবেন। কিন্তু প্রতিযোগিতার আয়োজকেরা, তাঁর শারীরিক পরিস্থিতি সম্পর্কে জানতে পেরে জানিয়ে দেন যে, তাঁকে ওই প্রতিযোগিতা থেকে বাদ দেওয়া হচ্ছে। কীর্তি স্থাপন করে গিনেস বুকে নাম তোলার এই হুজুগ অবশ্য নাইজেরিয়ায় নতুন কিছু নয়। পশ্চিম আফ্রিকার এই দেশটিতে কিছু দিন আগেই এক ব্যক্তি টানা ১০০ ঘণ্টা ধরে রান্না করে প্রচারের আলোয় এসেছিলেন।


মন্তব্য করুন:

সম্পর্কিত খবর