বৃহঃস্পতিবার, ২৩শে এপ্রিল ২০২৬, ১০ই বৈশাখ ১৪৩৩ | ই-পেপার
ব্রেকিং নিউজ:
  • সারাদেশে উপজেলা প্রতিনিধি নিয়োগ করা হচ্ছে। আগ্রহী হলে আপনার সিভি ই-মেইল করতে পারেন। ই-মেইল nagorikdesk@gmail.com
সংবাদ শিরোনাম:
  • সংবিধানের দোহাই আর নয়, আমরা ফ্যাসিবাদের দাফন করতে চাই
  • গুম-খুনের ব্যাপারে ট্রাইব্যুনাল সহায়তা চাইলে করা হবে : র‍্যাব ডিজি
  • ইসরায়েলের আবাসিক ভবনে ইরানি ক্ষেপণাস্ত্রের আঘাত, ২ জন নিহত
  • বিধ্বস্ত বিমানের দ্বিতীয় ক্রু উদ্ধার, তবে ইরান থেকে বের হতে পারেনি এখনো
  • ঢাকায় যুক্তরাজ্যের বাণিজ্য দূত
  • প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বেসরকারি খাত উপদেষ্টা পরিষদের প্রথম বৈঠক অনুষ্ঠিত
  • বাসা-বাড়িতে লাইট-ফ্যান ব্যবহারে নিষেধাজ্ঞার খবর ভুয়া : বিএনপি
  • ইসরায়েল-যুক্তরাষ্ট্রের জন্য ‘বড় চমক’ আছে, সতর্কতা ইরানের
  • কলকাতায় হামলার হুমকি পাকিস্তানের প্রতিরক্ষামন্ত্রীর
  • আমেরিকা-চীন-রাশিয়া: পররাষ্ট্রনীতিতে কোনদিকে ঝুঁকছে বাংলাদেশ?

যশোরে শিশুপুত্রকে হত্যা করে বাবার আত্মহত্যা

যশোর প্রতিনিধি

প্রকাশিত:
১২ আগষ্ট ২০২৪, ১৪:৪১

যশোরের ঝিকরগাছায় ১১মাস বয়সী শিশুপুত্রকে হত্যা করে বাবার আত্মহত্যার ঘটনা ঘটেছে।

সোমবার (১২ আগস্ট) ভোরে উপজেলার শরীফপুর গ্রামে এ ঘটনা জানাজানি হয়।

ধারণা করা হচ্ছে, রোববার দিবাগত রাতে এ ঘটনা ঘটে।
মৃতরা হলেন-ওই গ্রামের আমজাদ হোসেনের ইমামুল হোসেন ও তার ১১মাস বয়সী শিশু ছেলে আয়মান হোসেন।

পুলিশ ও স্থানীয়রা জানান, পারিবারিক কলহের জেরে স্ত্রী মমতাজ বেগম (২৩) বাবার বাড়িতে চলে যাওয়ায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করে স্বামী ইমামুল হোসেন (২৮)। এর আগে, নিজের ১১মাস বয়সী শিশু সন্তান আয়মান হোসেনকে গলা টিপে অথবা মুখে বিষ দিয়ে হত্যা করে সে। ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ যশোর ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালে পাঠিয়েছে পুলিশ।

প্রতিবেশী উজ্বল হোসেন জানান, সৌদি প্রবাসী ছিলেন ইমামুল। কয়েকবছর আগে প্রেমের সম্পর্কে বড় ভাইয়ের শ্যালিকাকে বিয়ে করেন। রোববার স্বামীর সঙ্গে বিবাদ করে শিশুসন্তানকে রেখেই বাবার বাড়ি চলে যায় স্ত্রী। এ ঘটনার জেরে রাতে শিশু ছেলেকে হত্যার পরে আত্মহত্যা করে ইমামুল।

প্রতিবেশীরা আরও জানান, রোববার স্ত্রী চলে যায়। এদিন রাত ৮টার দিকে ইমামুল তার শিশু সন্তান আয়মান হোসেনকে নিয়ে শুয়ে পড়েন। সোমবার সকাল ৭টার দিকে ইমামুলের মা রাহিমা বেগম তাকে ফ্যানে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পান। পাশে ছোট বাচ্চা মৃত অবস্থায় পড়ে ছিল। তার চিৎকারে স্থানীয় লোকজন ও পরিবারের সদস্যরা মরদেহ উদ্ধার করেন।

ইমামুলের মা রহিমা বেগম বলেন, রোববার বাবার বাড়ি যাওয়া নিয়ে আমার বউমা আর ছেলে গণ্ডগোল করে। একপর্যায়ে ছোট শিশুকে ফেলে রেখে বউমা বাবার বাড়িতে চলে যায়। দিনের বেলায় আমি বাচ্চাটাকে খাওয়া দাওয়া করিয়ে কোনো রকম রেখেছিলাম। কিন্তু ছোট্ট শিশুটিকে নিয়ে আমার ছেলে ঘুমায়। সকালে উঠে দেখি আমার ছেলের মরদেহটি রশিতে ঝুলছে। পাশে বিছানায় আমার ছোট্ট আয়মানের মরদেহ পড়ে রয়েছে।

ঝিকরগাছা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কামাল হোসেন ভূঁইয়া নিহতের পরিবারের বরাত দিয়ে জানান, ধারণা করা হচ্ছে পারিবারিক কলহের জেরে ইমামুল হোসেন ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছেন। এর আগে সে শিশুপুত্রকে হত্যা করে। ঘটনাস্থল থেকে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হয়েছে।


মন্তব্য করুন:

সম্পর্কিত খবর