শনিবার, ৭ই মার্চ ২০২৬, ২৩শে ফাল্গুন ১৪৩২ | ই-পেপার
ব্রেকিং নিউজ:
  • সারাদেশে উপজেলা প্রতিনিধি নিয়োগ করা হচ্ছে। আগ্রহী হলে আপনার সিভি ই-মেইল করতে পারেন। ই-মেইল nagorikdesk@gmail.com
সংবাদ শিরোনাম:
  • দীর্ঘস্থায়ী যুদ্ধে ইরানই সুবিধাজনক অবস্থানে থাকতে পারে: বিশ্লেষক
  • ব্যাংক একীভূতকরণের উদ্যোগ চলমান রাখার বার্তা গভর্নরের
  • ইসরায়েল-মার্কিন যৌথ হামলায় ইরানে নিহত বেড়ে ৫৫৫
  • আসিফ মাহমুদের ব্যাংক হিসাব তলব
  • অপরাধ দমনে আরও বেশি সক্রিয় পুলিশ
  • ঢাকার আইসিইউয়ে ওষুধ-প্রতিরোধী ছত্রাক ‘সুপারবাগ’ ছড়িয়ে পড়েছে
  • ভূমি প্রতিমন্ত্রী অফিসে গিয়ে দেখেন কর্মকর্তারা কেউ আসেননি
  • রাজধানীতে নারীদের জন্য আলাদা বাস চালুর নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর
  • আন্তর্জাতিক আইন লঙ্ঘন করে খামেনিকে হত্যা, বিবৃতিতে বাংলাদেশ
  • মঙ্গলবার থেকে মিলবে ঈদযাত্রায় ট্রেনের টিকিট

ভেঙে পড়েছেন পলক, করছেন কান্নাকাটি

ডেস্ক রিপোর্ট

প্রকাশিত:
১৯ আগষ্ট ২০২৪, ১৩:১৭

ছাত্রজনতার আন্দোলনের মুখে গত ৫ আগস্ট শেখ হাসিনা পালিয়ে যাওয়ার পর আওয়ামী লীগের অনেক মন্ত্রী-এমপি ও বিভিন্ন পর্যায়ের নেতারা আত্মগোপনে চলে যান। কেউ কেউ দেশ ছাড়তে পারলেও অনেকেই গ্রেপ্তার হচ্ছেন। তাদের মধ্যে একজন সাবেক ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক। গত ১৪ আগস্ট রাতে রাজধানীর নিকুঞ্জ আবাসিক এলাকা থেকে আত্মগোপনে থাকাবস্থায় তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। কোটা আন্দোলনে রিকশাচালক হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার পলক বর্তমানে ১০ দিনের রিমান্ডে।

তদন্ত সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, গ্রেপ্তারের পর থেকেই ভেঙে পড়েন পলক। জিজ্ঞাসাবাদে তেমন কোনো তথ্য দিতে পারছেন না। প্রশ্ন করলেই মাথা নিচু করে ফুঁপিয়ে ফুঁপিয়ে কানাকাটি করেন। বেশিরভাগ সময় কান্নাকাটি করছেন। এমনকি নিজের মন্ত্রণালয়ের কোনো কাজের দায়-দায়িত্ব নিতেও অস্বীকার করে যাচ্ছেন।

পলকের ভাষ্যমতে, ইন্টারনেট বন্ধ করার বিষয়ে তার একক কোনো সিদ্ধান্ত ছিল না। এ ক্ষেত্রে শেখ হাসিনার সায় ছিল। একইসঙ্গে এনটিএমসির মহাপরিচালক সাবেক সেনা কর্মকর্তা জিয়াউল আহসানের নির্দেশনা মেনে তিনি ইন্টারনেট শাটডাউনের সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন বলে জানান।

জিজ্ঞাসাবাদে সাবেক এই প্রতিমন্ত্রী আরও জানান, আওয়ামী সরকারের পতন এত দ্রুত হতে পারে, তা তিনি কল্পনাও করতে পারেননি। চাইলে তিনি দেশ ছেড়ে পালাতে পারতেন। কিন্তু শেখ হাসিনার সঙ্গে ‘বেইমানি করা হবে’ বলে তিনি যাননি। তবে, স্ত্রী-সন্তানদের বিদেশ পাঠিয়ে দেওয়ার কথা স্বীকার করেছেন তিনি।

এদিকে, আওয়ামী লীগ সরকারের প্রতিমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে কয়েক হাজার কোটি টাকা লোপাট করেছেন পলক। শেখ হাসিনার ছেলে সজীব ওয়াজেদ জয়ের ঘনিষ্ঠ হওয়ায় তার নাম ভাঙিয়ে তিনি স্বেচ্ছাচারিতা করেছেন তথ্য প্রযুক্তিখাতে। একের পর এক প্রকল্প বানিয়ে বাজেট থেকে শত শত কোটি টাকা লোপাট করেন। অবৈধভাবে অর্জিত অর্থ দেশের বাইরেও পাচার করেছেন পলক।

শুধু পলক নয়, হাজার কোটি টাকার মালিক হয়েছেন তার স্ত্রী আরিফা জেসমিন কনিকাও। পেশায় স্কুল শিক্ষিকা হলেও গেল ১০ বছরে তিনি কয়েক হাজার কোটি টাকার মালিক বনে গেছেন। বিদেশেও এই দম্পতির ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ও বাড়ি রয়েছে। নামে-বেনামে প্রায় ৩০ থেকে ৪০ হাজার কোটি টাকার সম্পদ রয়েছে পলক ও তার স্ত্রীর নামে।

সজীব ওয়াজেদ আইসিটির উপদেষ্টা হওয়ায় এ খাতে ছিল না কোনো জবাবদিহি। পলকের বিরুদ্ধে কেউ কোনো কথা বলতে পারেনি।

 


মন্তব্য করুন:

সম্পর্কিত খবর