শনিবার, ৭ই মার্চ ২০২৬, ২৩শে ফাল্গুন ১৪৩২ | ই-পেপার
ব্রেকিং নিউজ:
  • সারাদেশে উপজেলা প্রতিনিধি নিয়োগ করা হচ্ছে। আগ্রহী হলে আপনার সিভি ই-মেইল করতে পারেন। ই-মেইল nagorikdesk@gmail.com
সংবাদ শিরোনাম:
  • দীর্ঘস্থায়ী যুদ্ধে ইরানই সুবিধাজনক অবস্থানে থাকতে পারে: বিশ্লেষক
  • ব্যাংক একীভূতকরণের উদ্যোগ চলমান রাখার বার্তা গভর্নরের
  • ইসরায়েল-মার্কিন যৌথ হামলায় ইরানে নিহত বেড়ে ৫৫৫
  • আসিফ মাহমুদের ব্যাংক হিসাব তলব
  • অপরাধ দমনে আরও বেশি সক্রিয় পুলিশ
  • ঢাকার আইসিইউয়ে ওষুধ-প্রতিরোধী ছত্রাক ‘সুপারবাগ’ ছড়িয়ে পড়েছে
  • ভূমি প্রতিমন্ত্রী অফিসে গিয়ে দেখেন কর্মকর্তারা কেউ আসেননি
  • রাজধানীতে নারীদের জন্য আলাদা বাস চালুর নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর
  • আন্তর্জাতিক আইন লঙ্ঘন করে খামেনিকে হত্যা, বিবৃতিতে বাংলাদেশ
  • মঙ্গলবার থেকে মিলবে ঈদযাত্রায় ট্রেনের টিকিট

টেস্ট ক্রিকেটে বাংলাদেশের দুই যুগ আজ

খেলা ডেস্ক

প্রকাশিত:
১০ নভেম্বর ২০২৪, ১৬:২১

২০০০ সালের ১০ নভেম্বর। বঙ্গবন্ধু জাতীয় স্টেডিয়াম সাজানো হয়েছিলো নানান রঙের সাজে। টস করতে নামবেন দুই দলের অধিনায়ক নাইমুর রহমান দুর্জয় এবং সৌরভ গাঙ্গুলি। সেন্টার উইকেটে গেলেন, কয়েন নিক্ষেপ করলেন স্বাগতিক অধিনায়ক দুর্জয়। সে সঙ্গে তৈরি হয়ে গেলো নতুন এক ইতিহাস।

ক্রিকেটের সবচেয়ে কুলীন শ্রেণি টেস্টের আঙ্গিনায় জন্ম নিলো এক শিশু। ১০ম দেশ হিসেবে টেস্ট খেলুড়ে দেশ হিসেবে যাত্রা শুরু করে বাংলাদেশ ক্রিকেট দল। তখন থেকে হাঁটি হাঁটি পা পা করে সেই শিশুটি আজ ২৪ বছরের টগবগে যুবক। টেস্ট আঙ্গিনায় পথচলা শুরুর পর ২৪টি বছর পার করে ফেলেছে বাংলাদেশ ক্রিকেট। বঙ্গবন্ধু জাতীয় স্টেডিয়ামে টস করতে নামার সেই মাহেন্দ্রক্ষণ সৃষ্টি হয়েছিলো আজ থেকে ঠিক ২৪ বছর আগে।

নিজেদের ইতিহাসে উদ্বোধনী টেস্টের টস জয় থেকে শুরু করে অনেক কিছুই ছিল বাংলাদেশের পক্ষে। প্রথম তিনদিন তো ভারতের সঙ্গে বুক চিতিয়ে লড়াই করেছিলো টাইগাররা। চতুর্থদিন এসে রণে ভঙ্গ দিতে হয়। ফলে হারতে হয়েছিলো বাংলাদেশকে।

টস জিতে প্রথমে ব্যাট করে বাংলাদেশ সংগ্রহ করেছিলো ৪০০ রান। সাংগঠনিক তৎপরতায় টেস্ট স্ট্যাটাস পেয়েছিলো বাংলাদেশ- এই অপবাদ ঘুচিয়ে দেন আমিনুল ইসলাম বুলবুল। ১৪৫ রান করেন তিনি। টেস্ট ইতিহাসে তখনও পর্যন্ত দেশের অভিষেকে নিজের অভিষেক টেস্টে সেঞ্চুরির ঘটনা তখন মাত্র তৃতীয়টি এটি।

ভারত ৪২৯ রান করেছিলো। তবে দ্বিতীয় ইনিংসে খেই হারায় বাংলাদেশ। ৯১ রানে অলআউট হয়। ভারতের প্রয়োজন হয় ৬৩ রানের। ১ উইকেট হারিয়ে সে লক্ষ্যে পৌঁছে যায়। ওই টেস্টেই রেকর্ড গড়েছিলেন অধিনায়ক নাইমুর রহমান দুর্জয়। নিজের এবং দেশের অভিষেক টেস্টে ৬ উইকেট নেয়ার কৃতিত্ব দেখান তিনি।

টেস্টের আঙ্গিনায় এভাবেই পথচলা শুরু। নানা উত্থান-পতনের মধ্য দিয়ে গত ২৪টি বছর পার করেছে বাংলাদেশ ক্রিকেট। এর মধ্যে ১৪৮টি টেস্ট খেলেছে টাইগাররা। যার মধ্যে হারতে হয়েছে ১০৮ ম্যাচ। জিতেছে ২১ ম্যাচ এবং ড্র করেছে ১৯টি। এক হিসেবে দেখা গেছে, এক জয়ের বিপরীতে ৫ ম্যাচের চেয়েও বেশি হার রয়েছে টাইগারদের।

টেস্ট ক্রিকেটের প্রায় প্রতিষ্ঠিত সব দেশকেই হারিয়েছে বাংলাদেশ। শুধু ভারত আর দক্ষিণ আফ্রিকাকে এখনও হারাতে পারেনি। বিদেশের মাটিতে টেস্ট জয়ের কৃকিত্বও দেখাচ্ছে টাইগাররা। নিউজিল্যান্ডের মাটিতে ২ বছর আগে টেস্ট জিতেছিলো বাংলাদেশ। আর এবার পাকিস্তানের মাটিতে তাদেরকেই হোয়াইটওয়াশ করে এসেছে। নিজেদের শততম টেস্টে হারিয়েছিলো শ্রীলঙ্কাকে।


মন্তব্য করুন:

সম্পর্কিত খবর