বৃহঃস্পতিবার, ২৩শে এপ্রিল ২০২৬, ১০ই বৈশাখ ১৪৩৩ | ই-পেপার
ব্রেকিং নিউজ:
  • সারাদেশে উপজেলা প্রতিনিধি নিয়োগ করা হচ্ছে। আগ্রহী হলে আপনার সিভি ই-মেইল করতে পারেন। ই-মেইল nagorikdesk@gmail.com
সংবাদ শিরোনাম:
  • সংবিধানের দোহাই আর নয়, আমরা ফ্যাসিবাদের দাফন করতে চাই
  • গুম-খুনের ব্যাপারে ট্রাইব্যুনাল সহায়তা চাইলে করা হবে : র‍্যাব ডিজি
  • ইসরায়েলের আবাসিক ভবনে ইরানি ক্ষেপণাস্ত্রের আঘাত, ২ জন নিহত
  • বিধ্বস্ত বিমানের দ্বিতীয় ক্রু উদ্ধার, তবে ইরান থেকে বের হতে পারেনি এখনো
  • ঢাকায় যুক্তরাজ্যের বাণিজ্য দূত
  • প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বেসরকারি খাত উপদেষ্টা পরিষদের প্রথম বৈঠক অনুষ্ঠিত
  • বাসা-বাড়িতে লাইট-ফ্যান ব্যবহারে নিষেধাজ্ঞার খবর ভুয়া : বিএনপি
  • ইসরায়েল-যুক্তরাষ্ট্রের জন্য ‘বড় চমক’ আছে, সতর্কতা ইরানের
  • কলকাতায় হামলার হুমকি পাকিস্তানের প্রতিরক্ষামন্ত্রীর
  • আমেরিকা-চীন-রাশিয়া: পররাষ্ট্রনীতিতে কোনদিকে ঝুঁকছে বাংলাদেশ?

বুয়েটের তত্ত্বাবধানেই প্রাথমিকের শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা

স্টাফ রিপোর্টার

প্রকাশিত:
১৪ আগষ্ট ২০২৩, ১৪:০২

অবশেষে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক নিয়োগের জট খুলেছে। প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর, না বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় (বুয়েট) পরীক্ষা নেবে- এ নিয়ে জটিলতা কেটে গেছে।

বুয়েট কর্তৃপক্ষই পরীক্ষা নেবে বলে নীতিগত সিদ্ধান্ত হয়েছে। 

সোমবার (১৪ আগস্ট) প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, চলতি সপ্তাহের মধ্যেই প্রথম ধাপের নিয়োগ পরীক্ষার তারিখ ঘোষণা করা হবে। বন্যা, জাতীয় নির্বাচনসহ সার্বিক দিক বিবেচনা করে হয়তো সেপ্টেম্বরে প্রথম ধাপের পরীক্ষা নেওয়া হতে পারে। সেক্ষেত্রে রংপুর, সিলেট এবং বরিশাল বিভাগের ক্লাস্টারের পরীক্ষা নেওয়া হবে।

মন্ত্রণালয়ের একজন কর্মকর্তা জানান, দীর্ঘ দিন থেকেই বুয়েটের কারিগরি সহায়তা নিয়ে সহকারী শিক্ষক নিয়োগ দেওয়া হতো। কারিগরি সহায়তার জন্য বুয়েট কর্তৃপক্ষকে নির্দিষ্ট পরিমাণ অর্থ দেওয়া হতো। এবারও বুয়েটের মাধ্যমে পরীক্ষা নেওয়ার কথা। কিন্তু বুয়েটের মাধ্যমে পরীক্ষা নেওয়ায় বাড়তি খরচে আপত্তি তোলে অর্থ মন্ত্রণালয়। পরে গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিব অর্থ সচিবের সঙ্গে দেখা করে যৌক্তিকতা তুলে ধরেন। এতে জটিলতা কেটে যায়।

মন্ত্রণালয় জানায়, বুয়েটের মাধ্যমে পরীক্ষা নিলে প্রশ্ন ফাঁসের ঝুঁকি থাকে না। এছাড়া দ্রুত সময়ে পরীক্ষা নিয়ে নির্ভুলভাবে ফলাফল প্রকাশ করা সম্ভব হবে। পরবর্তীতে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের সক্ষমতা তৈরি হলে অধিদপ্তরের অধীনে পরীক্ষা নেওয়া হবে। 

গত ২৮ ফেব্রুয়ারি রংপুর, সিলেট এবং বরিশাল বিভাগের ক্লাস্টারের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে অধিদপ্তর। এরপর ২২ মার্চ রাজশাহী, খুলনা ও ময়মনসিংহ বিভাগের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়। এরপর ১৭ জুন ঢাকা ও চট্টগ্রাম বিভাগে নিয়োগের জন্য বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর।

প্রথম ধাপে তিন লাখ ৬০ হাজার ৭০০, দ্বিতীয় ধাপে চার লাখ ৫৯ হাজার ৪৩৮ এবং তৃতীয় ধাপে তিন লাখ ৪০ হাজার প্রার্থী আবেদন করেন। বর্তমানে প্রায় আট হাজারের বেশি পদ শূন্য রয়েছে।

প্রাথমিকে শিক্ষক নিয়োগের জট কমাতে বিভাগগুলোকে ক্লাস্টারে ভাগ করে নিয়োগ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেয় প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়।

মন্ত্রণালয় জানায়, সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে প্রায় চার লাখ চার হাজার সহকারী শিক্ষক রয়েছেন। প্রতিবছর প্রায় ছয় হাজারের কাছাকাছি শিক্ষক অবসরে যান। ২০২০ সালের বিজ্ঞপ্তি দিয়ে ২০২২ সালে ৩৭ হাজার ৫৭৪ জনকে নিয়োগ দিতে দুই বছর সময় লেগেছে। ক্লাস্টার বা বিভাগ ভিত্তিক নিয়োগ দিতে পারলে ছয় মাসের মধ্যে নিয়োগ দেওয়া যাবে বলে মনে করছে মন্ত্রণালয়।


মন্তব্য করুন:

সম্পর্কিত খবর