প্রকাশিত:
৩ মার্চ ২০২৫, ১৫:১৮
আজ থেকে দশ বছর আগে সহস্রাব্দ উন্নয়ন লক্ষ্য (এমডিজি) অর্জনের ক্ষেত্রে বিশ্বের ষাটটি উন্নয়নশীল দেশের মধ্যে বাংলাদেশ অগ্রদূত হিসেবে আবির্ভূত হয় এবং যার অবস্থান ছিল আঠারো তম। পনেরো বছর মেয়াদী এই উন্নয়ন লক্ষ্য (এমডিজি) অর্জনে বাংলাদেশ অভূতপূর্ব সাফল্য লাভ করে; বিশেষ করে দারিদ্র্য বিমোচন, খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ, প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ভর্তি, প্রাথমিক ও মাধ্যমিক পর্যায়ে জেন্ডার সমতা, শিশু ও পাঁচ বছর বয়সের নিচে শিশুদের মৃত্যুহার কমানো, মাতৃমৃত্যুহার কমানো, টিকা গ্রহণের পরিধি বাড়ানো ও সংক্রামক রোগের প্রাদুর্ভাব কমানো সহ ইত্যাদি পদক্ষেপসমূহ উল্লেখযোগ্য। এমডিজির আটটি অভীষ্টের মধ্যে কেবলমাত্র অভীষ্ট নং ৭ অর্থাৎ‘পরিবেশগত টেকসইতা’ বাদে বাকি সব ক’টি লক্ষ্যমাত্রা পূরণে ব্যপক সফলতা অর্জন করে। দশ বছর আগে অর্থাৎ ২০১৫ সালের ২৫ সেপ্টেম্বর ব্রিটিশ পত্রিকা গার্ডিয়ানের এক নিবন্ধে উল্লেখিত হয়েছে এভাবে, “বাংলাদেশ এমডিজি (২০০১-২০১৫) অর্জনে উন্নয়নশীল বিশ্বের অন্যতম বড় সাফল্যগাঁথা”। আর এই সাফল্যের জন্য বিদেশী দাতা সংস্থাসমূহের যেমন অগ্রণী ভুমিকা ছিল, ঠিক তেমনি এমডিজির শুরুটাই হয় বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) সরকারের হাত ধরেই। পরবর্তীতে তৎকালীন তত্ত্বাবধায়ক সরকার ও পরিবর্তিত নির্বাচিত সরকারসহ দেশী বিদেশী উন্নয়ন সংস্থাসমূহ এর ধারাবাহিকতা বজায় রেখে এমডিজির লক্ষ্য পূরণে কাজ করে গেছে!
পরবর্তীতে সময়ের প্রয়োজনে এবং বিশ্বায়নের সাথে তাল মেলাতেই বাংলাদেশ সরকার “এসডিজির” অভীষ্ট ও লক্ষ্যমাত্রাগুলোকে অত্যন্ত গুরুত্বের সাথে গ্রহণ করে। পুরো বিশ্বব্যাপী ‘টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (এসডিজি)’ অর্জনের জন্য পনেরো বছর মেয়াদী (২০১৬-২০৩০) নতুন পদক্ষেপ শুরু হয়।‘টেকসই উন্নয়ন’ হলো এমন একটি সাংগঠনিক গঠনতন্ত্র যার মূল লক্ষ্য গণমানুষের উন্নয়নের পাশাপাশি প্রাকৃতিক সম্পদ এর সামগ্রিক ব্যবস্থাপনাকে সহনশীল রেখে অদূর ভবিষ্যতে মানুষের জন্য ব্যবহার উপযোগী করে রাখা। বিশ্বায়নের এই “টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (এসডিজি)” এর প্রত্যাশিত ফলাফল “এমন একটি বসবাস উপযোগী সমাজ যেখানে গণ মানুষের জীবনমান ও নানাবিধ সম্পদ এর সুষম ব্যবস্থাপনা এবং স্থিতিশীলতাকে ক্ষুণ্ণ না করে মানুষের চাহিদা পূরণ করে। টেকসই উন্নয়ন মূলত: ভবিষ্যৎ প্রজন্মের কথা ভেবে গৃহীত একটি উন্নয়ন পরিকল্পনা। উন্নয়ন মূলক কার্যক্রমের ফলে যেন প্রাকৃতিক সম্পদের ক্ষয়ক্ষতি সাধিত না হয়, সেদিকে লক্ষ্য রেখে অর্থাৎ প্রকৃতিকে ঠিক রেখে উন্নয়ন কর্মকান্ড সম্পাদন করা হয়। টেকসই উন্নয়ন কেবলমাত্র পরিবেশ সংরক্ষণ এবং অর্থনৈতিক উন্নয়নই নয়; বরং সামাজিক এবং মানবিক উন্নয়নও এর আওতাভুক্ত।
সঙ্গত কারণেই এসডিজি’র পদক্ষেপসমূহের বাস্তবায়ন ও মনিটরিং এর জন্য তৎকালীন দায়িত্বপ্রাপ্ত বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সচিবদের নেতৃত্বে এসডিজি’র যে কর্ম- কৌশল শুরু হয়, সেখানে দেশী-বিদেশী উন্নয়ন সহযোগীদের (এন.জি.ও.) সমন্বয়ে সারাদেশে অনেক জোড়ালোভাবে এসব পদক্ষেপসমূহের বাস্তবায়নের জন্য একটি জোয়ার সৃষ্টি হয়। মূলত: অন্যান্য বিদেশী দাতা গোষ্ঠী, বিশেষ করে মার্কিন সরকারের সিংহভাগ অর্থায়নের ফলে এন.জি.ও সমূহ প্রথম সাত বছরে (২০১৬-২০২২) মোটামুটি উল্লেখযোগ্য সাফল্য লাভ করে বিভিন্ন রিপোর্টে উল্লেখ রয়েছে। বর্তমানে এসডিজি কর্মসূচির দশ বছর পেরিয়েও গেছে। ইতোমধ্যে রাজনৈতিকভাবে বাংলাদেশের ব্যাপক পট পরিবর্তন ঘটলেও এসডিজি’র পদক্ষেপসমূহ বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে তেমন একটা প্রভাব চোখে পড়েনি। বিগত দিনের দীর্ঘ মেয়াদী স্বৈরশাসক সরকারের পরিবর্তন ঘটলেও কালক্রমে বর্তমানে অন্তর্বতীকালীন সরকারের আওতায় জাতীয়-আন্তর্জাতিক উন্নয়ন সংস্থাসমূহ বিভিন্ন দাতা গোষ্ঠীর আর্থিক সহযোগিতায় সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা অনুযায়ী বেশ ভালোভাবেই এগিয়ে চলছিল। আর মাত্র বছর পাঁচেক পরেই এসডিজি’র মেয়াদকাল শেষ হবে; ২০২২ সালের পরে আবারো বিভিন্ন সূচকে টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রায় বাংলাদেশের অবস্থান যাচাই করা হবে! অনেক স্বপ্ন নিয়ে উন্নয়ন জগতের নিবেদিত প্রাণ মানুষেরা প্রত্যাশায় আছে,”এই বুঝি এমডিজির মতো এসডিজির ক্ষেত্রেও বাংলাদেশ ব্যপক সফলতা অর্জন করবে”! কিন্তু সে আশায় যেন গুঁড়ে বালি ঢেলে দিতে মার্কিন যুক্তরাস্ট্র তথা ট্রাম্প সরকার! আচমকা এক ঝড় যেন সেই স্বপ্ন লুট করে নিতে চায়!
পুরো বিশ্ব জুড়ে নানাবিধ ক্ষেত্রে যুক্তরাস্ট্রের যে ব্যপক সক্ষমতা রয়েছে, এ নিয়ে কারো মনে কোনো সন্দেহ নেই। শিক্ষা, স্বাস্থ্য, অর্থনীতি, বিজ্ঞান-তথ্যপ্রযুক্তিসহ সকল ক্ষেত্রেই যুক্তরাস্ট্রের কোনো বিকল্পই নেই! সারা বিশ্বজুড়ে কুটনৈতিক ব্যবস্থাপনা ও অস্থিতিশীলতা হ্রাসের ক্ষেত্রে যুক্তরাস্ট্র ভিত্তিক বিভিন্ন দপ্তরের ব্যপক ভুমিকাও রয়েছে। বর্তমানে চলমান এসডিজি বাস্তবায়নের ক্ষেত্রেও পুরো বিশ্বজুড়ে যুক্তরাস্ট্রের প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ ভুমিকা রয়েছে। স্বাধীনতা পরবর্তী বাংলাদেশের উন্নয়নের ক্ষেত্রে সরকারের পাশাপাশি দেশী-বিদেশী উন্নয়ন সংস্থাসমূহের যেমন ভুমিকা রয়েছে, ঠিক তেমনিই আন্তর্জাতিক দাতা সংস্থাসমূহের অবদানকে কখনোই অস্বীকার করা যাবেনা। ইউএসএআইডি, ইউকেএআইডি, এইউএসএআইডি, জেএআইসিএ এর মতো আন্তর্জাতিক দাতা সংস্থাসমূহ এদেশে সাধারণত: দুই ধরণের এপ্রোচে দীর্ঘদিন ধরে কাজ করে আসছে। ”নিড বেইজড এপ্রোচ (এনবিএ “ ও ”বেইজড এপ্রোচ (আরবিএ)”! অর্থাৎ চাহিদা ভিত্তিক ও অধিকার ভিত্তিক এ্র্রপ্রোচের ভিত্তিতে নানাবিধ প্রয়োজনীয় কর্মসূচি বাস্তবায়ন করে আসছে। যার ফলশ্রুতিতে শিক্ষা-স্বাস্থ্য-অর্থনীতি-অধিকার সচেতনতাসহ অধিকার প্রতিষ্ঠায় ব্যপক সফলতা অর্জন করেছে যা ইতোপূর্বে এমডিজির লক্ষ্য পূরণে অগ্রণী ভুমিকা রেখেছে এবং চলমান এসডিজির ক্ষেত্রেও সমান ভুমিকা রাখবে। কিন্তু বর্তমানে এসডিজি বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে বাংলাদেশের মতো উন্নয়নশীল দেশটি যেন হঠাৎ করেই হোঁচট খেয়েছে! সম্প্রতি, যুক্তরাস্ট্রের নতুন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ভারত-বাংলাদেশ-সহ এশিয়া ও আফ্রিকার বেশ কয়েকটি দেশের জন্য মিলিয়ন মিলিয়ন ডলারের তহবিল বাতিল করেছে। এমনকি রাজনৈতিক স্থিতিশীলতার জন্য বাংলাদেশের ২৯ মিলিয়ন মার্কিন ডলারের কর্মসূচিও বাতিল করেছে যুক্তরাস্ট্র। এমনকি বাংলাদেশকে সহায়তা বন্ধের ঘোষণা প্রশাসনের সেই পরিকল্পনার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ বলেই মনে করছেন আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিশেষজ্ঞরা। এটি চরম হতাশার ও নি:সন্দেহে অপ্রত্যাশিতও বটে!
বাংলাদেশে ২৯ মিলিয়ন ডলারের প্রকল্পটি রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা বৃদ্ধি এবং গণতান্ত্রিক শাসনকে আরও উন্নত করার লক্ষ্যে নেওয়া হয়েছিল। বর্তমানে বাংলাদেশে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার দেশ শাসন করছে ও এদেশে রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনতে খুব জোরেসোরে কাজ করলেও খুব প্রত্যাশিত ফলাফল এখনো তেমন নজরে পড়ছে না। এত কিছুর পরেও ইলন মাস্কের ডিপার্টমেন্ট অব গভর্নমেন্ট এফিসিয়েন্সির (DOGI) আর্থিক সহায়তা বাতিলের সিদ্ধান্তের কথা ঘোষণা- কেবল বাংলাদেশের অর্থনীতিতেই প্রভাব ফেলেনি; বরং গৃহীত নানামুখী প্রকল্প বাস্তবায়নের ক্ষেত্রেও অন্তরায় হিসেবে দেখা দিয়েছে। জাতীয়/আন্তর্জাতিক উন্নয়ন সংস্থাসমূহকে যেসব দেশ এতকাল আর্থিক সহায়তা দিয়ে আসছে,যুক্তরাস্ট তাঁদের মধ্যে অন্যতম। মার্কিন প্রেসিডেন্টের একটি ঘোষণাতেই রাতারাতি সেই গৃহীত প্রকল্পসহ নানাবিধ কর্মসূচি বন্ধ হয়ে গেলো! যুক্তরাস্ট্র ভিত্তিক দাতা সংস্থা তথা যুক্তরাস্ট্র সরকারের অর্থায়নে পরিচালিত ”টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা” অর্জনে যেসব প্রতিষ্ঠান কাজ করে, সেসব প্রতিষ্ঠানও এখন থেকে আর টেকসই থাকছে না। এমনকি সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানসমূহের নিযুক্ত লোকবল মুহুর্তেই বেকারত্বের কালো চাদরে নিমজ্জিত হয়েছে। পুরো বিশ্ব জুড়ে তিলে তিলে গড়া উন্নয়ন জগতের যাবতীয় প্রশিক্ষণসমূহ, নানাবিধ অভিজ্ঞতা, প্রাণপনে চেষ্টা, সবকিছুই যেন অর্থহীন হয়ে এলো নিমিষেই! কোনো রকম হিসেব- নিকেশ ছাড়াই বিগত দিনে অপরিণামদর্শী অগণতান্ত্রিক সরকার ঘোষিত ”মধ্যম আয়ের দেশ” খেতাবটি যেন বাংলাদেশসহ পুরো বিশ্বের ইতিহাসে ”এক আষাঢ়ে গল্প” হিসেবে স্থান পেয়েছে! একই সাথে ”বাংলাদেশ একটি মধ্যম আয়ের দেশ” নামক এই অহঙ্কারমূলক খেতাবটি উন্নয়ন কর্মকান্ডকে চরমভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করেছে! সঙ্গত কারণেই বিশ্বব্যাপী নিয়মিত দাতাগোষ্ঠীগণ বাংলাদেশের জন্য বরাদ্দকৃত অর্থ/ তহবিল আফ্রিকা মহদেশের গরীব দেশগুলোর জন্য নতুন করে পরিকল্পনা প্রণয়ন করে! নানাবিধ কারণে সমগ্র বিশ্ব বাজারেই দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতির কুপ্রভাবে এদেশের আপামর জনসাধারণের যখন নাভিশ্বাস অবস্থা, ঠিক তক্ষুনি মার্কিন সরকারের এমন অপ্রত্যাশিত ঘোষণা যেন ”মরার উপরে খাঁড়ার ঘা” হিসেবে প্রভাবিত করেছে প্রত্যেককে। সরকার, আপামর জনসাধারণ, উন্নয়ন জগতের উপকারভোগীসহ এদেশের জাতীয় অর্থনীতিতে এর ব্যপক প্রভাব নতুন করে মনে করে দিচ্ছে, “শৈশবের গণিতে উল্লেখিত একটি তৈলাক্ত পিচ্ছিল বাঁশে একটি বানরের এক মিনিটে যতখানি অংশ উপরে উঠে, পরবর্তী মিনিটে তার দ্বিগুণ পরিমান অংশ নীচে নামার গল্প (অঙ্কের কথা)..….”! নানাবিধ দেশী-বিদেশী উন্নয়ন সংস্থার বদৌলতে বিশ্বজুড়ে মর্যাদার দিক থেকে বাংলাদেশ যতদূর এগিয়েছিল বা উন্নয়নের দিকে এগোচ্ছিল, এক মুহুর্তেই যেন তা থমকে গেলো। এ যেন এক চরম হতাশার গল্প! আর এসব দৃশ্যের কালের সাক্ষী ও ভুক্তভোগী আপামর জনতা ও তাঁদের পরিবারবর্গ!
”টেকসই উন্নয়নের” সারথী হিসেবে যারা এতকাল নিজেদেরেক নিবেদিত করে গেলেন তাঁরাই যেন আজ কিংকর্তব্যবিমূঢ় হয়ে গেলেন। কমিউনিটিতে, প্রতিটি পাড়ায়, মহল্লায় এতকাল যারা “টেকসই উন্নয়ন” এর কথা বলতেন, তাঁরাই আজ কর্মহীন হয়ে পড়েছে! পরিবারবর্গের জন্য দু’মুঠো খাবার যোগাতে তারা নিজেরাই হিমশিম খাচ্ছে! একদিকে, দ্রব্যমূল্যের চাপে এবং আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির আশানুরূপ উন্নতি না হওয়ার কারণে সাধারণ মানুষ সব সময় একটা দুশ্চিন্তার মধ্য দিয়ে দিন কাটাচ্ছে। এই অবস্থার দ্রুত অবসান চায় তারা। আর এটিও বলার অপেক্ষা রাখে না যে, সম্পূর্ণ নিরপেক্ষ ও নৈর্ব্যক্তিকভাবে পরিস্থিতির মোকাবেলা করতে বর্তমান অন্তর্বর্তীকালীন সরকার দৃঢ় প্রতিজ্ঞ। কেননা, তাঁদের কোনো রাজনৈতিক অভিসন্ধি নেই! তাছাড়া কোনো বিশেষ দল বা গোষ্ঠীর কাছেও তাঁরা কোনোভাবেই দায়বদ্ধ নয়। তাঁদের দায়বদ্ধতা একমাত্র দেশবাসীর কাছে। সেক্ষেত্রে সকল জঞ্জাল সরিয়ে এদেশের আপামর জনতা আবারো ঘুরে দাঁড়াবে-এই প্রত্যাশা সকলেরই। একই সাথে একটি শঙ্কা জাগে মনে বারবার, ”সারা বিশ্বের ন্যায় বাংলাদেশেও কী তবে ট্রাম্প সরকার টেকসই উন্নয়ন থমকে দিতে চায়, অচিরেই”? যেমন এদেশের অপরিণামদর্শী বিগত স্বৈরশাসকের ঘোষিত অবান্তরমূলক ”মধ্যম আয়ের দেশ” খেতাবটির কারণে মুখ ফিরিয়ে নিয়েছিল স্বনামধন্য দাতা গোষ্ঠীগণ! তবু, বুকভরা আশা নিয়ে তীর্থের কাকের মতো প্রতীক্ষায় চেয়ে আছে উন্নয়ন জগতের নিবেদিত প্রাণসহ এদেশের আপামর জনগন! শেষ পর্যন্ত নতুন করে ফিরে আসবে তো সেই সুদিন? আবারো গতিশীল হবে তো টেকসই উন্নয়নের পদক্ষেপসমূহ!
মন্তব্য করুন: