বৃহঃস্পতিবার, ২৩শে এপ্রিল ২০২৬, ১০ই বৈশাখ ১৪৩৩ | ই-পেপার
ব্রেকিং নিউজ:
  • সারাদেশে উপজেলা প্রতিনিধি নিয়োগ করা হচ্ছে। আগ্রহী হলে আপনার সিভি ই-মেইল করতে পারেন। ই-মেইল nagorikdesk@gmail.com
সংবাদ শিরোনাম:
  • সংবিধানের দোহাই আর নয়, আমরা ফ্যাসিবাদের দাফন করতে চাই
  • গুম-খুনের ব্যাপারে ট্রাইব্যুনাল সহায়তা চাইলে করা হবে : র‍্যাব ডিজি
  • ইসরায়েলের আবাসিক ভবনে ইরানি ক্ষেপণাস্ত্রের আঘাত, ২ জন নিহত
  • বিধ্বস্ত বিমানের দ্বিতীয় ক্রু উদ্ধার, তবে ইরান থেকে বের হতে পারেনি এখনো
  • ঢাকায় যুক্তরাজ্যের বাণিজ্য দূত
  • প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বেসরকারি খাত উপদেষ্টা পরিষদের প্রথম বৈঠক অনুষ্ঠিত
  • বাসা-বাড়িতে লাইট-ফ্যান ব্যবহারে নিষেধাজ্ঞার খবর ভুয়া : বিএনপি
  • ইসরায়েল-যুক্তরাষ্ট্রের জন্য ‘বড় চমক’ আছে, সতর্কতা ইরানের
  • কলকাতায় হামলার হুমকি পাকিস্তানের প্রতিরক্ষামন্ত্রীর
  • আমেরিকা-চীন-রাশিয়া: পররাষ্ট্রনীতিতে কোনদিকে ঝুঁকছে বাংলাদেশ?

ফি কমানোর দাবিতে ইবি শিক্ষার্থী

শিক্ষানবিশ আইন আমাদের অধিকার, কোনো আবদার নয়

ইবি প্রতিনিধি

প্রকাশিত:
৩ মার্চ ২০২৫, ১৬:১৯

বাংলাদেশ বার কাউন্সিল এনরোলমেন্ট পরীক্ষায় অযৌক্তিক এবং বৈষম্যমূলক ফি নির্ধারণের প্রতিবাদে মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করেছে কুষ্টিয়ার ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) শিক্ষার্থীরা।

এসময় “শিক্ষানবিশ আইনজীবীদের শিক্ষার পরিবেশ নিশ্চিত হওয়া চাই; শিক্ষানবিশ আইন আমাদের অধিকার, কোন আবদার নয়; বাংলাদেশ জুডিশিয়াল সার্ভিস কমিশন, ন্যায্য সিদ্ধান্তে তৎপর হোন” সম্বলিত শিক্ষার্থীদের হাতে এসব প্লেকার্ড দেখা যায়।

সোমবার (৩ মার্চ) বেলা ১১ টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটকে এ কর্মসূচি পালন করে আইন অনুষদভুক্ত তিন বিভাগের শিক্ষার্থীরা। দ্রুত ফি কমিয়ে সহনীয় মাত্রায় নিয়ে আনার দাবি জানান তারা।

এসময় আইন অনুষদভুক্ত শিক্ষার্থীরা বলেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থানের পর যেখানে অন্যান্য চাকরি পরীক্ষার ফি সহনশীল পর্যায়ে নিয়ে আসা হয়েছে সেখানে বার কাউন্সিলে এই অনার্য ফি কেন নির্ধারণ করা হলো। আমরা এই অনার্য ফি অনতিবিলম্বে কমানোর দাবি জানাচ্ছি। আমরা বার কাউন্সিলের প্রাথমিক পর্যায়ের আবেদনে ১০৮০ টাকা দিয়েছি। এখন ফরম ফিলাপের জন্য আবার দিতে হবে ৪০২০ টাকা। এই সনদ নিয়ে আমরা কোন টাকা পাবো না, এটা নিয়ে আবার বার কাউন্সিলে যেতে হয় সেখানে আবার ৫০ হাজার থেকে ১ লাখ টাকার মতো টাকা দিতে হয়।

ল’ এন্ড ল্যান্ড ম্যানেজমেন্টের শিক্ষার্থী মো. দেলোয়ার হোসেন বলেন, বাংলাদেশ বার কাউন্সিলের এনরোলমেন্ট পরীক্ষায় অযৌক্তিক এবং অন্যায্য যে ফি নির্ধারণ করা হয়েছে এর প্রতিবাদে আমরা ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন অনুষদের শিক্ষার্থীরা আজকে একত্রিত হয়েছি। বাংলাদেশের সকল চাকরির পরীক্ষার ফি দুইশত টাকার বেশি আর নেই। আমরা কাউন্সিলকে আমাদের অভিভাবক হিসেবে বলতে চাই অতি দ্রুত এই সিদ্ধান্তের পরিবর্তন করে সহনশীল পর্যায়ে এই ফি নির্ধারণ করুন। বার কাউন্সিল কোন ভাতা দেয় না; বেতন দেয় না; শুধুমাত্র সনদ প্রদানের জন্য তালিকাভুক্ত হওয়ার পর প্রায় ৫০ হাজার টাকার মতো খরচ করতে হয়।

এসময় তারা দেশের অন্যান্য বিশ্ববিদ্যালয়ের আইনে শিক্ষার্থীদেরও প্রতিবাদের আহ্বান জানান।

 


মন্তব্য করুন:

সম্পর্কিত খবর